প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] দেশের মাঠেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট আয়োজন করবে আফগানিস্তান

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] বাতাসে বারুদের গন্ধ মিশে বেঁচে থাকার দেশের নাম আফগানিস্তান। সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের আঁতুড় ঘর আর গৃহযুদ্ধে জেরবার আফগানরা হঠাৎ করেই বুলেট রাইফেলের বদলে হাতে তুলে নিয়েছিল ব্যাট-বল। তারপর থেকেই যেন রূপকথার মতো উত্থান।

[৩] ১৯৯৫ সালে প্রথম আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড গড়ে ওঠে। আইসিসির স্বীকৃতি পেতে সময় লেগে যায় আরও ছয় বছর। ২০০১ সালে প্রথম আইসিসির অনুমোদন পায় আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। দু’বছর পর ২০০৩ সালে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের অনুমোদন মেলে। আর ২০১০ সালে প্রথম আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যোগ্যতা অর্জন করে সবাইকে চমকে দিল তারা।

[৪] ২০১৩ সালে আইসিসির অ্যাসোসিয়েট মেম্বারশিপ পেয়ে যায় আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। এরপরই বিপ্লব আফগানিস্তানের ক্রিকেট। ২০১৫ সালে ৫০ ওভারের ক্রিকেট বিশ্বকাপের মূলপর্বে খেলল আফগানিস্তান। ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে হারিয়ে চমকে দিল আফগানরা। আর বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগের সৌজন্যে তখন রশিদ খান, মুহম্মদ নবি, মুজিবুর রহমানদের চিনতে শুরু করে দিয়েছে ক্রিকেট দুনিয়া। ২০১৭ সালে পেয়ে যায় টেস্ট খেলার স্বীকৃতিও।

[৫] যুদ্ধবিধ্বস্ত আর নিরাপত্তাজনিত সমস্যায় জর্জরিত আফগানিস্তানে অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নেই। যদিও এখন কাবুল-কান্দাহারে ক্রিকেটের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য কাজ চলছে। সেখানে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটেও চালু হয়েছে। তবে বিসিসিআই-এর সৌজন্যে, ভারতের দেরাদুন, গ্রেটার নয়ডাকেই হোম গ্রাউন্ড হিসেবে ব্যবহার করে রশিদদের দেশের ক্রিকেট বোর্ড।

[৬] এবার হয়তো নিজেদের দেশেই আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজন করতে পারবে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড। সেখানেই হোম ম্যাচও খেলতে পারবেন রশিদ খানরা। আশাবাদী সে দেশের ক্রিকেট বোর্ডের প্রধান ফারহান ইউসেফজাই। কাবুলে ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরির জন্য ইতিমধ্যেই দুই একর জমি বরাদ্দ করেছেন।

[৭] অত্যাধুনিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম তৈরির কাজ দ্রুত শুরু হবে। ৩৫,০০০ আসন বিশিষ্ট স্টেডিয়ামে থাকবে ফাইভ স্টার গেস্ট হাউস, সুইমিং পুল, ইন ডোর-আউট ডোর অ্যাকাডেমি, দর্শকদের জন্য ক্যানোপি, হেলথ ক্লিনিক, মসজিদ, কার পার্কিং এর ব্যবস্থা এবং অন্যান্য বিশেষ সুবিধা। – জি নিউজ/ আফগান টাইমস

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত