শিরোনাম
◈ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬.৫৯ বিলিয়ন ডলার ◈ ১২৮ ওমরাহ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ ◈ কোনো একক দেশ বা সরকারের পক্ষে মানব পাচার সম্পূর্ণ দমন সম্ভব নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ তনু হত্যা মামলা: সাবেক সেনা সদস্য হাফিজুর জামিনে মুক্ত ◈ এখন দেশ পুনর্গঠন ও ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ থাকার সময়: প্রধানমন্ত্রী ◈ তারেক রহমানকে কী হিসেবে আমন্ত্রণ জানিয়েছে, জানাল ভারত ◈ ‘জুলাই গণঅভ্যূত্থান দিবস ২০২৬’ পালনে দেশব্যাপী কর্মসূচি ◈ সৌদিতে আকামা নবায়নে নতুন সুযোগ পেলেন বাংলাদেশি প্রবাসীরা ◈ শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে গণমাধ্যমের প্রতি সরকারের আহ্বান ◈ শহীদের আত্মত্যাগে গড়া জাতীয় ঐক্য রক্ষা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:৫০ সকাল
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর, ২০২০, ০৬:৫০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ময়মনসিংহে জয় বাংলা চত্বরের উদ্বোধন

আব্দুল্লাহ আল আমীন: [২] স্বাধীন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা জাতির জনক ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি রক্ষার্থে ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর চেতনা ছড়িয়ে দিতে ময়মনসিংহে নির্মিত হলো ‘জয় বাংলা চত্বর'।

[৩] ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের উদ্যোগে বিজয় দিবস উপলক্ষে নির্মিত এই চত্বরটি বুধবার (১৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় উদ্বোধন করেন সিটি মেয়র ইকরামুল হক টিটু। এর আগে, উদ্বোধন উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় এমন কাজের প্রশংসা করে মোবাইল ফোনে শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ আহমেদ।

[৪] মসিক জানায়, নির্মিত জয় বাংলা চত্বরে ৩০ ফুট উঁচু অবকাঠামোর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি। তার পেছনে আছে সাতটি পাম গাছ। সেগুলো সাত বীরশ্রেষ্ঠর স্মৃতি বহন করে। আর ভাস্কর্যের সামনে নয় ইঞ্চি করে রয়েছে ১৬ টি পিলার। যা নয় মাস রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসকে বহন করে।

[৫] এছাড়াও নয় হাজার বর্গফুটের এই চত্বরে রয়েছে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বহন করা আরও কিছু স্তম্ভ। যেগুলো বঙ্গবন্ধুর জীবনী এবং মুক্তিযুদ্ধের সংক্ষিপ্ত ইতিহাসও তুলে ধরা হয়েছে। এসব কারণে এর নাম দেয়া হয়েছে 'জয় বাংলা চত্বর'। সিটি মেয়রের পরিকল্পনাতে ২০১৯ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে এ চত্বরের কাজ শুরু হয়। যার ভাস্করশিল্পী অনুপম সরকার জনি।

[৬] অনুপম সরকার জানান, বেদীর দুই পাশে টেরাকোটার মাধ্যমে ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ থেকে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ পর্যন্ত ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে তুলে ধরার জন্য চত্বরে ফাইবার আর মার্বেল ডাস্ট দিয়ে ১৭টি শাপলা ফুল নির্মাণ করা হয়েছে। প্রতিকৃতির দুই পাশে টেরাকোটার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের দৃশ্যপট ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

[৭] এই ভাস্কর শিল্পী আরও জানান, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতির ৩০ ফুট অবকাঠামোটি ৩০ লাখ শহীদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রতিকৃতির ডান প্রান্তে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর স্মরণীয় উক্তি, আর বাম পাশে জীবনী। চত্বরের বাম পাশে রয়েছে সাতটি সিঁড়ি। সিঁড়ি দিয়ে ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ বোঝানো হয়েছে। আর ডান পাশের ছয়টি সিঁড়ি দিয়ে ছয় দফা আন্দোলনকে বোঝানো হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়