প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা জাতীয় সংগীতের পরিবর্তন চেয়ে মোদিকে চিঠি বিজেপি সাংসদের

জেরিন আহমেদ: [২]  বিজেপি নেতা ও রাজ্যসভার সাংসদ সদস্য সুব্রহ্মণ্যম স্বামী গত ১ ডিসেম্বর এ বিষয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও লিখেছেন এ নেতা। কলকাতা নিউজ

[৩] সোমবার এক টুইটবার্তায় তিনি লেখেন, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘জন গণ মন’ গানটির মূল সংস্করণের পরিবর্তে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মির (আইএনএ) সর্বাধিনায়ক নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর গৃহীত সংস্করণটি জাতীয় সংগীত করতে হবে। আইএনএর ‘জন গণ মন’ গানের সংস্করণটি অনেক বেশি দেশাত্মবোধক ও নির্ভুল। গণপরিষদে রাজেন্দ্র প্রসাদ ঘোষণা করেছিলেন, এর শব্দ সংশোধন করা যেতে পারে। কবর সময় টিভির

[৪] ২০১৬ সালেও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘জন গণ মন’ গানটি সম্পাদনার জন্য মোদিকে চিঠি লিখেছিলেন স্বামী। ওই সময় চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, রাজা পঞ্চম জর্জের প্রশংসায় রবীন্দ্রনাথ এ গানটি লিখেছিলেন। তবে ওই সময় মোদি সরকার স্বামীর দাবি প্রত্যাখ্যান করে।

[৫ ] পঞ্চম জর্জ ছিলেন যুক্তরাজ্যের রাজা, ব্রিটিশ অধিপতি ও ভারতের সম্রাট। ১৯১০ সালের ৬ মে থেকে মৃত্যু (১৯৩৬) পর্যন্ত ছিল তার শাসনকাল।

[৬] এর আগেও রবীন্দ্রনাথের বিভিন্ন লেখা নিয়ে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) বিভিন্ন মহলে নানা সময়ে আপত্তির কথা শোনা গেছে। এমনকি মোদি ক্ষমতায় আসার পর সংঘের শিক্ষা সেলের নেতা দীননাথ বাত্রা এনসিইআরটির পাঠ্যক্রম থেকে রবীন্দ্রনাথের লেখা বাদ দেয়ার সুপারিশও করেছেন।

[৭] প্রবীণ বিজেপি নেতা সুব্রহ্মণ্যম স্বামীর দাবি, শুধু তার নয়, ‘দেশের যুবসমাজের একটি বড় অংশের মনের কথা’ বলছেন তিনি। তার আপত্তির অন্যতম শব্দটি হলো জাতীয় সংগীতে ‘সিন্ধু’ শব্দটির ব্যবহার। যুগান্তর অনলাইন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত