শিরোনাম
◈ খেলার দুই অ‌র্ধে হাইড্রেশন ব্রেক কিছুই দিচ্ছে না, কেড়ে নিচ্ছে ফুটবলের সৌন্দর্য: উরুগু‌য়ে কোচ ◈ জুলাই মা‌সে অস্ট্রেলিয়া সফরই হ‌বে বাংলাদেশের আসল পরীক্ষা, বললেন ব্র্যাড হগ ◈ ‘সিস্টার-সিটি’ হতে যাচ্ছে ঢাকা-ইসলামাবাদ ◈ শুরু হলো তারেক রহমান ও আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্বিপাক্ষিক বৈঠক ◈ এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্য মাউশির বড় সুখবর, বাড়ল ডাটা এন্ট্রির সময়সীমা ◈ চূড়ান্ত নকশা সম্পন্ন, বাস্তবায়নের পথে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প ◈ পুত্রজায়ায় রাষ্ট্রীয় সংবর্ধনায় প্রধানমন্ত্রী, মালয়েশিয়ার সঙ্গে একাধিক চুক্তি সই আজ ◈ মালয়েশিয়া যাত্রাকালে বিমানে যাত্রীদের সঙ্গে সেলফি তুললেন প্রধানমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ সিজেপি’র এক মাস: ‘আমাদের কথা শুনছে মানুষ’ ◈ বজ্রপাতে তিন মাদ্রাসাশিক্ষার্থীসহ সারাদেশে নিহত ১১

প্রকাশিত : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০৭:৫৯ সকাল
আপডেট : ২৮ নভেম্বর, ২০২০, ০৭:৫৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কক্সবাজার উপকূলের শুঁটকি পল্লীতে পুরোদমে চলছে উৎপাদন

এম. আমান উল্লাহ: [২] শীত মৌসুমের শুরুতে কক্সবাজার উপকূলে চলছে শুঁটকি তৈরির উৎসব। যার ফলে শ্রমিকদের মাঝে শুরু হয়েছে শুঁটকি উৎপাদনে তোড়জোড়। এখন বেলাভূমিতে বাঁশের মাচা বানিয়ে পুরোদমে চলছে মাছ শুকানোর কাজ। তাই ব্যস্ত হয়ে পড়েছে কক্সবাজার উপকূলের শুটকি পল্লীগুলো। শুধু তাই নয় ছুরি, লইট্টা, সুরমা, সুন্দরী, রূপচাঁদাসহ নানা প্রজাতির মাছের শুটকি তৈরিতে ব্যস্ত মহালগুলোর শ্রমিকেরা।

[৩] ব্যবসায়ীদের দাবি, মেকানিক্যাল ফিশ ড্রায়ার ও প্রচলিত পদ্ধতিতে শুকানো এই শুটকি মানসম্মত হওয়ায় চাহিদা রয়েছে ব্যাপক। বিদেশেও রফপ্তানি হচ্ছে। পুরোদমে চলছে দেশের সর্ববৃহৎ শুটকি মহাল নাজিরারটেকে সামুদ্রিক মাছ শুকানোর কাজ।

[৪] সোনাদিয়ার শুঁটকি ব্যবসায়ী রবিউল আলম ও রিদুয়ান কাদের জানান, শীত ও গ্রীষ্ম ঋতু শুঁটকি তৈরির মৌসুম। এখন নতুন মৌসুম শুরু হওয়ার পর দ্বীপে কর্মচাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে। এখানকার শুঁটকির কদর আছে সারা দেশে। কক্সবাজারে আসা বিপুলসংখ্যক পর্যটক সোনাদিয়ার শুঁটকি ক্রয় করেন। তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় এ বছর সামুদ্রিক মাছের সরবরাহ কম। এ কারণে কাঁচা মাছের দাম বেড়েছে। মাছ কিনতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে শুঁটকি উৎপাদকরা। তবে সোনাদিয়ার শুঁটকিতে কোনো রাসায়নিক মেশানো হয় না বলে দাবি করেন তাঁরা। সংরক্ষণের জন্য তাঁরা কেবল লবণ ব্যবহার করেন।

[৫] সাগর থেকে ট্রলারে আনা ছুরি, কোরাল, সুরমা, লইট্ট্যাসহ নানা প্রজাতির সামুদ্রিক মাছ ধুয়ে বাঁশের মাচায় বা খুঁটিতে রোদে দিচ্ছেন শ্রমিকরা। ৩ থেকে ৭ দিনের মধ্যে এসব মাছ শুকিয়ে তৈরি হচ্ছে শুটকি। শুটকি তৈরির কাজে কর্মসংস্থান হয়েছে প্রায় ২০ হাজার নারী-পুরুষের।

[৬] তারা বলেন, মাছ শুঁকিয়ে শুটকি বানিয়ে আমরা সেগুলো চট্টগ্রামে পাঠাই। মেকানিক্যাল ফিশ ড্রায়ার ও প্রচলিত পদ্ধতিতে শুকিয়ে তৈরি করা হচ্ছে শুটকি। যা নিরাপদ ও মানসম্মত হওয়ায় ব্যাপক চাহিদা রয়েছে বলে জানালেন ব্যবসায়ীরা।

[৭] আর মৎস্য ব্যবসায়ী নেতা জানালেন, সরকারি সহযোগিতা পেলে শতভাগ মানসম্মত শুটকি বিদেশে আরও বেশি রফতানি সম্ভব।

[৮] কক্সবাজারের নাজিরারটেক মৎস্য ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির অর্থ সম্পাদক আতাউর রহমান কায়সার বলেন, এ বছর আমরা ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ ৭০ হাজার টন শুটকি রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছি। গেল বছর নাজিরারটেকে উৎপাদন হয় ১ লাক ৩০ হাজার মেট্রিক টন শুটকি। এবার লক্ষ্যমাত্রা ১ লাখ ৭০ হাজার মেট্রিক টন। সম্পাদনা: হ্যাপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়