শিরোনাম
◈ সরবরাহ স্বাভাবিক, তবু বাড়ছে ডলারের দর—তদন্তে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ◈ আমদানি-রফতানি কমেছে, বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি; স্বস্তি দিচ্ছে রেকর্ড রেমিট্যান্স ◈ স্থানীয় নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হবে না: মির্জা ফখরুল ◈ পাঠ্যবইয়ে আসছে বড় পরিবর্তন, দুই শ্রেণিতে নতুন চার বই ◈ মিত্রদের ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি: বাস্তবায়ন হবে ৩১ দফা ও জুলাই সনদ ◈ ইতালির স্বপ্ন ভেঙে লিবিয়ায় বন্দিদশা, মুক্তিপণে দেড় কোটি টাকা দাবি ◈ প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা আরও উন্নত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ মানদণ্ডে ব্যর্থ, বাজার থেকে ৮ পণ্য প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের ◈ আইনি ও প্রশাসনিক জটিলতায় ওষুধের মূল্য নির্ধারণ থমকে গেছে: বাজারে আসছে না নতুন ওষুধ, হুমকিতে বিপুল বিনিয়োগ ◈ নেপালকে হারিয়ে সিরিজে ২-১এ এগি‌য়ে গে‌লো বাংলাদেশ নারী কাবাডি দল

প্রকাশিত : ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ০৯:৪৮ সকাল
আপডেট : ২৬ নভেম্বর, ২০২০, ০৯:৪৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিএমএসআর আলিফ: মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা ভাষার প্রধানতম ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক

বিএমএসআর আলিফ : মুহম্মদ আবদুল হাই বাংলা ভাষার প্রধানতম ধ্বনিবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। বাংলা ভাষার ব্যাকরণকে সর্বোচ্চ সহজ সরলভাবে উদ্ভাসিত করেন। শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখায় সরকার তাঁকে ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বেসামরিক সম্মান একুশে পদক প্রদান করে। তিনি ১৯১৯ সালের ২৬ নভেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার রাণীনগর থানার মরিচা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম আবদুল গণি, মায়ের নাম ময়মুন্নেসা খাতুন। বাবা আবদুল গণি রাজশাহীর পোরেশা গ্রামে ‘সাহু’ পরিবারে শিক্ষকতা ও ইমামতি করতেন।

ঢাকা ইসলামিক ইন্টারমিডিয়েট কলেজে এক মাস শিক্ষকতা করার মাধ্যমে মুহম্মদ আবদুল হাইয়ের কর্মজীবনের শুরু। এরপর বেঙ্গল জুনিয়র এডুকেশন সার্ভিসে বাংলার লেকচারার পদে যোগ দেন এবং ঢাকা, চট্টগ্রাম ও কৃষ্ণনগর সরকারি মহাবিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৭ সালের ১১ই সেপ্টেম্বর তিনি রাজশাহী সরকারি কলেজে লেকচারার হয়ে চলে আসেন।

১৯৪৯ সালের ২ মার্চ হাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে প্রভাষক পদে যোগ দেন। ১৯৫০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর তিনি লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ওরিয়েন্টাল অ্যান্ড আফ্রিকান স্টাডিজে ভাষাতত্ত্বে গবেষণার জন্য যান। সেখানে অধ্যাপক জে আর ফার্থের নির্দেশনায় A Studz of Nasals and Nasalization in Bengali শীর্ষক অভিসন্দর্ভ রচনা করেন এবং ১৯৫২ সালে ডিস্টিংশনসহ এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা ও সংস্কৃত বিভাগে প্রভাষক পদে ফিরে আসেন। ১৯৫৪ সালের ১৬ই নভেম্বর তিনি বিভাগের রিডার বা সহযোগী অধ্যাপক ও অধ্যক্ষ পদে নিযুক্ত হন। ১৯৬২ সালে মাত্র ৪৩ বছর বয়সে রিডার থেকে প্রফেসর পদে তার উন্নতি ঘটে। মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি বিভাগের অধ্যক্ষ ছিলেন।

১৯৬৯ সালের ৩ জুন মধ্য-দুপুরে ঢাকা শহরে চলন্ত ট্রেনের ধাক্কায় আহত হয়ে তিনি লোকান্তরিত হন। তার মৃত্যুর কারণ আত্মহত্যা না অপঘাত­ এ নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। তবে তার অকাল মৃত্যু সমাজ সহজভাবে মেনে নেয়নি। অনেকেই তার মৃত্যুর জন্য বৈরী সামাজিক প্রতিবেশকে দায়ী করেছে। তার মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারে যেভাবে মানুষের ঢল নেমেছিল, এটি তার প্রতি দেশের অগণিত সাধারণ মানুষের নিখাদ শ্রদ্ধার স্বীকৃতি। ঢাকার আজিমপুর গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়