প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়া-ই নারীর উন্নয়নের প্রমাণ দেয় না 

শওগাত আলী সাগর: [১] কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণÑ মানুষের চিন্তা? নাকি কাজ? আজকাল মানুষের চিন্তা,তাদের থট প্রসেস আমাকে প্রবলভাবে টানে। মনে হয়, চিন্তা এবং চিন্তার প্রক্রিয়াটাকে বুঝতে না পারলে কিছুই বুঝি জানা হলো না।

[২] This whole hashtag Add women, change politics only works if you actually change politics when you add women. ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির সাবেক এমপি ছেলিনা কায়েছার এর এই কথাগুলো পড়তে পড়তে থমকে গেলাম। পার্টি ছেড়ে দেয়া এই জনপ্রতিনিধিকে নিয়ে টরন্টো স্টার একটি রিপোর্ট ছেপেছে। এসএনসি লাভালিনকে অনৈতিক সুবিধা দেয়ার প্রস্তাবের সাথে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের সম্পৃক্ততা নিয়ে কয়েক মাস আগের টানাপড়েনের সময় তিনি নিজ সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলেছিলেন। জুডি উইলসনের মতো জাস্টিন ট্রুডোর ‘ব্লু আইড’ গার্লের সাথে ছেলিনাকেও বিদায় নিতে হয় পার্টি থেকে। সেগুলো অন্য প্রসঙ্গ। রাজনীতিতে নারীদের সম্পৃক্ত করেই কেবল নারীর অবস্থানের পরিবর্তন হয় না। তার জন্য রাজনীতিটাকেই বদলে ফেলা দরকার। আমি ছেলিনা কায়ছারের চিন্তার, থট প্রসেসের দিকে মনোযোগ দিই। আহা, কী চমৎকার কথা! নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়াই নারীর উন্নয়নের প্রমাণ দেয় না, যদি না সিস্টেমটা, রাজনীতিটা নারীর উন্নয়নের, অধিকারের পক্ষে বদলে ফেলা না যায়।

ছেলিনা কায়ছার নেতৃত্ব, রাজনীতি নিয়ে আত্মকথামূলক একটি বই লিখছেন, যেটি আগামী ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ হওয়ার কথা রয়েছে। তার চিন্তার প্রসেসের কারনেই তার বইটা সম্পর্কে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ‘ক্যান ইউ হিয়ার মি নাউ’ এর জন্য কৌতূহলও বাড়ছে। [৩] অনেক ‘বড় মানুষের’ কথা বার্তায়ও তাদের চিন্তার, থট প্রসেসের চিহ্ন পাওয়া যায় না। আবার কতো সাধারণ মানুষের কথাবার্তায় কি অসাধারণ চিন্তার খোরাক পাওয়া যায়! যে মানুষ নিজে চিন্তা করে না, করতে পারে না, সেই মানুষ অন্যকে চিন্তায় উদ্বুদ্ধ করবে কীভাবে? অন্যের চিন্তার জন্য খোরাকের যোগান দেবে কীভাবে? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত