প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বার্সেলোনা মেসির সঙ্গে ভালো আচরণ করেনি : ম্যারাডোনা

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] লিওনেল মেসি বার্সেলোনায় স্বস্তিতে ছিলেন না, আগেই বুঝতে পেরেছিলেন দিয়েগো ম্যারাডোনা। মেসি ক্লাব ছাড়তে চাওয়ার পর তার সঙ্গে বার্সেলোনার আচরণ মোটেই ঠিক ছিল না বলে মনে করেন আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি।

[২] চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গত আসরের কোয়ার্টার-ফাইনালে বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে ৮-২ গোলে হারের পর গত অগাস্টে বার্সেলোনা ছাড়ার ইচ্ছা জানান মেসি। চুক্তির একটি ধারা কার্যকর করে ফ্রি ট্রান্সফারে নতুন ঠিকানা খুঁজে নিতে চেয়েছিলেন আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। কিন্তু রিলিজ ক্লজের ৭০ কোটি ইউরোর দাবি নিয়ে অনড় থাকে বার্সেলোনা। টানাপোড়েনের শেষ হয় মেসি থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানালে।

[৩] সেই সাক্ষাৎকারে তখনকার বার্সেলোনা সভাপতি জোজেপ মারিয়া বার্তোমেউয়ের কড়া সমালোচনা করেছিলেন মেসি। প্রবল চাপের মুখে কিছুদিন আগে পদত্যাগ করেন বার্তোমেউ ও তার পরিচালনা পারিষদের বাকি সদস্যরা।

[৪] ৩০ অক্টোবর শুক্রবার জীবনের পথচলায় ৬০ বছর পূরণ করলেন ম্যারাডোনা। জন্মদিন উপলক্ষে আর্জেন্টাইন পত্রিকা ক্লারিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেসি ও বার্সেলোনা বিতর্ক নিয়ে কথা বলেন তিনি। দুই মৌসুম বার্সেলোনায় থাকার অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করেন আর্জেন্টিনার ১৯৮৬ বিশ্বকাপ জয়ের নায়ক।

[৫] আমি জানতাম, এটি বাজেভাবে শেষ হতে চলেছে। আমি ভেবেছিলাম লিও চলে যাবে। আমার ক্ষেত্রেও এমনটা হয়েছিল।
বার্সেলোনা কোনো সহজ ক্লাব নয়। সে অনেক বছর ধরে সেখানে আছে। তার সঙ্গে তারা তেমন আচরণ করেনি, যতটা তার প্রাপ্য। সে তাদের সব কিছু দিয়েছে। তাদের সাফল্যের চূড়ায় নিয়ে গেছে। একদিন সে ক্লাব ছাড়তে চাইল এবং তারা তাকে না বলে দিল।

[৬] ম্যারাডোনা বার্সেলোনার সঙ্গে মেসির বিষয়টির তুলনা করলেন নাপোলিতে থাকার সময় তার নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে।

[৭] মার্সেই দ্বিগুণ বেতন দিতে আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তখন আমি নাপোলিতে। ক্লাব প্রেসিডেন্টকে বললাম, আমাকে যেতে দাও। তিনি আমাকে আশ্বস্ত করে বললেন, আমরা যদি উয়েফা কাপ জিতি তাহলে তিনি আমাকে যেতে দেবেন। আমরা যেদিন জিতলাম, তার অফিসে গিয়ে তাকে বললাম, আমি চলে যাচ্ছি, কিন্তু তিনি আমাকে যেতে দেননি। – বিডিনিউজ / আর্জেন্টাইন পত্রিকা ক্লারিন

 

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত