প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] বিদেশে বসে শীর্ষ সাত সন্ত্রাসী ঢাকার ৫ থানা এলাকায় চাঁদাবাজি নিয়ন্ত্রণ করছে

বিপ্লব বিশ্বাস: [২] পালিয়ে থাকা এই সন্ত্রাসীদের সহযোগীরা প্রথমে ফোনে চাঁদা দাবি করে। না দিলে হুমকি, তাতেও কাজ না হলে ফাঁকা গুলি চালায়।

[৩] পুলিশ বলেছে, বিদেশে পালিয়ে থাকা সন্ত্রাসীদের মধ্যে মালয়েশিয়ায় রয়েছে রবিন, ডালিম ও মাহবুব। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছে মেহেদী, সুইডেনে নাহিদ ও ইতালিতে অবস্থান করছে নাছির ওরফে গলাকাটা নাছির। জানা গেছে, রবিন ও ডালিমের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালানোর জন্য দেশে কাজ করে সাকিল, রুবেল, হেলাল, রাসেল ও সোহেল।

[৪] এদের মধ্যে রাসেল ও সোহেল এখন কারাগারে আছে। মানিক, আরিফ, পুলক আর সুজন কাজ করে যুক্তরাষ্ট্রে পালিয়ে থাকা শীর্ষ সন্ত্রাসী মেহেদীর হয়ে। গলাকাটা নাছিরের হয়ে কাজ করছে ওয়ারি আমবাগানের সেলিম , রানা, সোহেলসহ আরো একডজন সন্ত্রাসী।

[৫] পুলিশ বলছে, রাজধানীর বেশ কটি এলাকায় এভাবে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নির্মানাধীন বাড়ি থেকে নীরব চাঁদাবাজির অভিযোগ আসছে। শুধু চাঁদাবাজি নয়, হচ্ছে কন্ট্রাক্ট কিলিংও।

[৬] গত ৬ই আগস্ট উত্তর বাড্ডায় মোটরবাইকে চড়ে গুলি করার দৃশ্য ধরা পড়ে সিসি ক্যামেরায়। পরে একটি দোকান থেকে চাঁদা আদায় করা হয়। পরের মাসে, ২৮শে সেপ্টেম্বর একই এলাকার একটি বাড়িতে গুলি করে নিজেদের অস্তিত্ব জানান দেয় সন্ত্রাসী হেলাল। গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে দুটি বিদেশী পিস্তলসহ বাড্ডা থেকে গ্রেপ্তার হয় সে।

[৭] হেলালকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, রাজধানীর বাড্ডা, ভাটারা, হাতিরঝিল, তেজগাঁওসহ বেশকিছু এলাকার সন্ত্রাসীদের কথিত আন্ডারওয়ার্ল্ড সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর তথ্য মেলে। বিদেশে থেকে এসব এলাকার ঝুট, ডিস ও ইন্টারনেট ব্যবসা, ময়লার ব্যবসা, ফুটপাতসহ বিভিন্ন ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করার পাশাপাশি কাঁচাবাজার, ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, নির্মাণাধীন বাড়ি ও গরুর হাট থেকে চলে চাঁদাবাজি।

[৮] ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা গুলশান বিভাগের উপ-কমিশনার মশিউর রহমান বলেন, দেশের বাইরে থেকে কিছু সন্ত্রাসী বাংলাদেশে বসবাসকারী উঠতি বয়সি মাদকাসক্ত কিছু ছেলেদের এসব কাজে ব্যবহার করে আসছে।

[৯] মশিউর রহমান বলেন, বাংলাদেশের বাইরে যুক্তরাষ্ট্র, দুবাই, মালয়েশিয়া এবং ভারতে একদল সন্ত্রাসী আছে যারা এসব নিয়ন্ত্রণ করে। একদল মধ্যস্বত্ত¡ভোগী লোক আছে যারা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদস্য হিসেবে কাজ করেন। এরা কাকে টার্গেট করবে, কীভাবে করবে এগুলোর সিদ্ধান্ত দেন। আর এদের অধীনে কাজ করে আরেকদল ক্যাডার বাহিনী।

[১০] পুলিশ বলছে, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গেলো ১০ বছরে বাড্ডা, ভাটারা, গুলশান এলাকায় ২ ডজনেরও বেশি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী, সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত