প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] টেকনাফে অবসর সময়ে জাল বুনে সময় কাটাচ্ছেন জেলেরা

ফরহাদ আমিন: [২] কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার নাফ-নদী ও বঙ্গোপসাগরে ইলিশ ধরা নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন সময়ে জেলেরা জাল বুনে অবসর সময় কাটাচ্ছেন। ১৪ অক্টোবর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত মা ইলিশ শিকারের নিষিদ্ধ সময়। এ অবসরেও বসে নেই উপকূলের পৌনে ৮হাজার জেলে। ঘাট-সংলগ্ন সুবিধাজনক জায়গায় দলবেঁধে পুরাতন জাল মেরামতের কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

[৩] বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ঘাটের দুই পাশে শত শত ট্রলার নোঙ্গর করে রেখেছেন।দলবেঁধে মনের আনন্দে জাল মেরামতের কাজ করছেন অধিকাংশ জেলে।উপকূলজুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মাছঘাট,খেলার মাঠ, বাজারের টংঘর এবং বিদ্যালয় ভবনের নিচের ফাঁকা জায়গায় জেলেদের এভাবে জাল মেরামতের কাজে দেখা যায়।

[৪] টেকনাফ পৌরসভার কায়ুকখালী ঘাটের জেলে মোহাম্মদ আলম পুতু বলেন,জেলেদের জন্য সরকারের দেওয়া কোনো সুবিধাই মেলেনি।তার অভিযোগ,জলের জেলেদের জন্য বরাদ্দের সিংহভাগই তরের (স্থলভাগের) মানুষ লুটেপুটে খায়।তাই তারা সাগরে ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা চলাকালীন মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

[৫] জেলেদের অধিকার নিয়ে কাজ করেন এমন ব্যক্তিরা বলেন মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন এবং জাটকা সুরক্ষার জন্য বেসরকারি এনজিওরা পুনর্বাসনের আওতায় মৃত জেলের পরিবারকে অনুদান হিসেবে ভ্যান, রিকশা, সেলাই মেশিন, জাল সুতা, গরু-ছাগল প্রদান করছে। পাশাপাশি সরকার কার্ডধারী জেলেদের মধ্যে মা ইলিশ প্রজনন মৌসুমে পরিবারপ্রতি ২০কেজি,করে চাল সুবিধা দেওয়া হয়। ফলে না পাওয়া জেলেদের ক্ষোভ অভিযোগের সুরে বারবার সামনে আসছে।

[৬] এ ব্যাপারে টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন বলেন, টেকনাফ উপজেলার১টি পৌরসভা এবং ৬টি ইউনিয়নের৭হাজার ৮৮৩ জন জেলে রয়েছে। ২২ দিন মাছধরা বন্ধ উপলক্ষে ৩ হাজার ৪শ’জন জেলের জন্য ৬৮ মেট্রিকটন চাউল বরাদ্দ দিয়েছেন সরকার। সেন্টমার্টিন ছাড়া, পাঁচটি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার জেলে পরিবারের প্রত্যেককে ২০কেজি করে বিনামূল্যে চাল দেওয়া হচ্ছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

সর্বাধিক পঠিত