প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মিথ্যা মামলায় খালাস পেলেন শ্রীমঙ্গলের ৪ সাংবাদিক ও ১ জনপ্রতিনিধি

স্বপন দেব: [২] শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের অফিস, হলরুম নিউজ কর্নারের আসে পাশের ভুমি নিজ নামে বন্দোবস্ত নেয়ার হীন চক্রান্ত করে এক লন্ডন প্রবাসীর পক্ষে শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের চার জন সিনিয়র সাংবাদিক ও একজন জেলা পরিষদের সদস্যের উপর মিথ্যা মামলা দায়ের করে মৌলভীবাজার সদরের বাসিন্দা ভুমি খেকো আব্দুল হালিম।

[৩] বিচারিক কার্যক্রম শেষে মৌলভীবাজার জুডিশিয়াল ২য় আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মো. মিজবাহ উর রহমান মামলাটি মিথ্যা প্রমানিত হওয়ায় ৪ সাংবাদিকসহ জেলা পরিষদ সদস্যকে বেকসুর খালাস প্রদান করেছেন।

[৪] খালাস প্রাপ্তরা সংবাদকর্মীরা হলেন শ্রীমঙ্গল প্রেসক্লাবের সিনিয়র সহ সভাপতি দৈনিক সমকালের প্রতিনিধি শামীম আক্তার হোসেন, সিনিয়র সহ সভাপতি আরটিভি ও আমাদের সময়ের মৌলভীবাজার স্টাফ রিপোর্টার চৌধুরী ভাস্কার হোম, সাধারণ সম্পাদক ও একুশে টেলিভিশনের মৌলভীবাজার প্রতিনিধি বিকুল চক্রবর্তী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক দৈনিক প্রথম আলোর প্রতিনিধি শিমুল তরফদার ও আবু বক্কর সিদ্দিকি মোহনের আম মুক্তার মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ সদস্য মশিউর রহমান রিপন।

[৫] জানা যায়, শ্রীমঙ্গল সাগরদীঘি রোডের শান্তিবাগ এলাকায় সরকারের জিম্মায় থাকা অর্পিত সম্পত্তিতে শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাব, নিউজ কর্নার, মুক্তিযুদ্ধের আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আবুবক্কর সিদ্দিকি মোহন ভাড়াটিয়ার মাধ্যমে সেখানে ভোগদখল করে আসছেন এবং বৈধভাবে বসবাসের লক্ষে সরকারকে রাজস্ব প্রদানের জন্য সমস্ত কাগজপত্রসহ আবেদনও করেন।

[৬] কিন্তু উক্ত জায়গাটি বন্দোবস্ত পাওয়ার স্বার্থে ভুমি লোভী ওই লন্ডন প্রবাসী ও আব্দুল হালিম জায়গায় অবস্থানকারী আবু বক্কর সিদ্দিকি মোহন ও শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবসহ অনান্য দখলদারদের উঠিয়ে দিয়ে নিজেদের দখলে নিতে নানা পায়তারা চালায়।

[৭] এর ধারাবাহিকতায় তারা শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের ৪ সংবাদকর্মী ও এক জনপ্রতিনিধির উপর মিথ্যা মামলা দায়ের করে। বিজ্ঞ আদালত দীর্ঘ বিচারিক কার্য শেষে তাদের বেকসুর খালাস দেন।

[৮] প্রেসক্লাবের পক্ষে এ মামলাটি পরিচালনা করেন জেলার সিনিয়র আইনজীবি রাধাপদ দেব সজল, অ্যাডভোকেট মিজবা উদ্দিন আহমদ, অ্যাডভোকেট প্রনব কান্তি দাশ রাকু ও অ্যাডভোকেট জাহেদুল হক কচি।

[৯] শ্রীমঙ্গল উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাপ্তাহিক জয়বার্তার সম্পাদক মৌলভীবাজার জজ কোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আজাদুর রহমান জানান, এই ভুমিখেকো চক্র সরকারী জমি দখলে নিতে বিভিন্ন সময় শহরে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। বিগত তিন বছর ধরে সাংবাদিক ও ওই এলাকার ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হয়রানি করে আসছে। এ চক্রের প্রতি প্রশাসনের সার্বক্ষনিক নজর রাখা প্রয়োজন বলে তিনি জানান। সম্পাদনা: হ্যাপি

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত