শিরোনাম
◈ ইরানে হামলার ঘটনায় বাংলাদেশের উদ্বেগ ◈ মধ্যপ্রাচ্যে গমনেচ্ছুদের জন্য প্রবাসী কল্যাণের হটলাইন নম্বর চালু ◈ আগামী মঙ্গলবার চন্দ্রগ্রহণ, বাংলাদেশ থেকেও দেখা যাবে ◈ মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরাপত্তায় প্রধানমন্ত্রীর জরুরি নির্দেশনা ◈ এক দিনে ইরানে ১২০০টির বেশি বোমা হামলা ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের ◈ রোজার পরেই সিটি করপোরেশন নির্বাচন: নির্বাচন কমিশনার মাসউদ ◈ সৌদি আরবের চাপ ও ইসরায়েলের ভূমিকা ট্রাম্পের ইরান হামলার সিদ্ধান্তে বড় প্রভাব ফেলেছে ◈ ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনির জীবনের শেষ ভাষণ প্রকাশ, কী কথা বলেছিলেন তিনি ◈ জুলাই অভ্যুত্থানকারীদের সুরক্ষায় জুলাই সনদের নীতিতেই আছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ আপনি কার সঙ্গে কথা বলেন জানেন? গভীর রাতে গুলশান ডিসিকে হু'মকি (ভিডিও)

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:২৯ সকাল
আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাদেরা সুলতানা নদী: আমি কালো করে দিয়েছি আমার প্রোফাইল কারণ, অপরাধী লাগছে, অসহায় লাগছে

নাদেরা সুলতানা নদী: অসংখ্য ফেসবুক প্রোফাইল কালোতে ঢাকা। কেন এবং কী তার উদ্দেশ্য, ফেসবুক জগতে থাকা সকলের কম আর বেশি জানা। আমি আবেগী মানুষ এবং একই সাথে চেষ্টা করি নিজের যুক্তি, বোধ বিবেচনা, দায়বদ্ধতাগুলোকেও মাথায় রাখতে সব সময়, সব অবস্থায়। এই মুহূর্তে অস্ট্রেলিয়ার মতো নিরাপদ এক দেশে বসবাস করছি, যেখানে মেয়েদের জীবনযাত্রা বা শুধু মেয়ে শরীর বহন করার দায়ে কোথাও কোনোভাবে গুটিয়ে থাকার মতো অবস্থা দৃশ্যত নেই বললেই চলে। অন্যদিকে বাংলাদেশ, মাতৃভূমি, যেখানে কাটিয়ে এসেছি আমার জীবনের লম্বা সময়। আমার জানা আছে, কিশোরী তরুণী বা ক্ষেত্র বিশেষে মধ্য বয়স্ক বা বৃদ্ধ মহিলাদেরও জীবনের কোনো না কোনোদিন কাউকে কাউকে শুধু মেয়ে শরীরের জন্যেই নিগৃহীত হতে হয়, অনেকেই সেই সব একবুক কষ্ট নিয়ে চেপে কাটিয়েই দেয় একটা যেন তেন জীবন। কিন্তু আজকের এই সময়ে এসে, আসলে আমাদের যেন ফিরতে হচ্ছে উল্টো রথে। ঠিক কোন জায়গা থেকে যে কাজটা শুরু করতে হবে, আমি জানি না।

আমি মনে করি না, আজকের এই ধর্ষককূল সৃষ্টিতে আপনার আমার কোনো দায় নেই, অনেক অনেক দায় আছে এবং আমি আপনিই প্রতিদিন আমাদের প্রকাশে এবং অনেক ভাবনা বা বিশ^াস স্ট্রংলি না প্রকাশেই দেখতে হচ্ছে এমন ভয়াবহতা। ধর্ষক ঘরে ঘরে, হাঁটে মাঠে-ঘাটে, ক্ষমতার মুকুটে ও মুখোশে। আমি কালো করে দিয়েছি আমার প্রোফাইল কারণ, অপরাধী লাগছে, অসহায় লাগছে। বাংলাদেশের হাজারো লাখো কন্যা শিশু, কিশোরী এবং কিশোরদের কথা ভেবে ভেতর থেকে কেঁপে উঠছি। কী দুঃস্বপ্ন নিয়ে বেড়ে উঠবে তাদের অনেকেই। মানতেই হবে একটা সিস্টেম ভেঙে গেছে এবং সবচেয়ে বেদনার হচ্ছে ধর্ষণের মতো সামাজিক ব্যাধি নির্মূলেও এই জাতি এক নয় হতে পারবে বলেও মনে হয় না। পোশাকে ঠিক না হলেই, তাকে যা ইচ্ছে তাই বলা যাবে। করা যাবে দেখুন এই ধারণায় আবদ্ধ আজ আপনার বন্ধু, পরিজন এবং পরিবারের অনেকেই, এই যখন অবস্থা, তখন আর আমি হতাশ, কিন্তু থেমে বা চুপ করেও যে থাকবো সেটাও ভাবতে পারছি না, তাই এই প্রলাপ। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়