শিরোনাম
◈ সুখবর পেলেন ঋতুপর্ণারা, ফিফা নারী র‍্যাংকিংয়ে এক ধাপ এগিয়ে ১০৬ নম্বরে বাংলাদেশ ◈ রাজশাহীতে ৩৮ হাজার ৯৭০ আখচাষিকে ১২ কোটি টাকার প্রণোদনা দিলেন তারেক রহমান ◈ শাহজালাল বিমানবন্দরে স্টোর ভবনে আগুন ◈ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাপান সফর ২৬ অক্টোবর, সই হবে অন্তত ৪ সমঝোতা স্মারক ◈ যে কারণে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সতর্কতা জারি, নেপথ্যে যা জানা গেল ◈ জাতীয়কৃত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জরুরি নির্দেশনা ◈ ভারতবিরোধী কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে দিল্লি থেকে টাকা আসছে কলকাতায়, উসকানি ছড়াচ্ছে বাংলাদেশ থেকে: দিলীপ ঘোষ ◈ ইশরাক হোসেনের পদত্যাগপত্র গ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ কার্যকর ◈ নাটোরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪, চালকসহ ৭ জনের পরিচয় শনাক্ত ◈ ভারতের আসামে দুই দিনে ১১০০ বাঙালি মুসলিম পরিবার উচ্ছেদ, ভাঙা হলো ১০টির বেশি মসজিদ

প্রকাশিত : ০৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:২২ সকাল
আপডেট : ০৮ অক্টোবর, ২০২০, ০৯:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাটক-সিনেমায় অশ্লীলতা বন্ধ করলেই সব ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে?

মোজ্জামেল হোসেন ত্বোহা : আমাকে একটা সহজ জিনিস বোঝান। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত প্রতিটা ধর্ষণের সাথে জড়িত ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠনের ছেলেরা। কেন? কারণ তারা বিচারের ঊর্ধ্বে। স্বৈরতন্ত্র টেকানোর জন্য দল এদেরকেই লালন-পালন করে। এটা দিবালোকের মতো পরিষ্কার হওয়া সত্ত্বেও কেন আমাদের হুজুররা এখনো সেই এক ঘ্যানঘ্যানানি- ‘পর্দা না করা আর অশ্লীলতাই ধর্ষণের প্রধান কারণ’ নিয়ে পড়ে আছে? কেন এরা ধর্ষণের সাথে ক্ষমতার সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলছে না? এরা কী মনে করে? দেশে স্বৈরতন্ত্র কায়েম থাকুক, ক্ষমতাসীনরা জবাবদিহিতার ঊর্ধ্বে থাকুক, জাস্ট সব মেয়ে বোরকা পরা শুরু করলে আর নাটক-সিনেমায় অশ্লীলতা বন্ধ করলেই সব ধর্ষণ বন্ধ হয়ে যাবে?

ম্যাজিক? পর্দা আর অশ্লীলতার বাইরে এরা একটাই গতবাঁধা কথা বলবে, ইসলামী আইন প্রতিষ্ঠা করা হোক, যেটা এরা নিজেরাও জানে বর্তমান প্রেক্ষাপটে অবাস্তব একটা দাবি। ভাসুরের নাম এরা কখনোই মুখে আনবে না। সেন্টারের দুই পাশের প্লাস আর মাইনাস চিহ্নটাকে বিবেচনার বাইরে রাখলে এদের সাথে নীতিগতভাবে উইমেন চ্যাপ্টারের লেখিকাদের ব্যবধান ঠিক কতোটুকু? পোশাক, পর্দা, অশ্লীলতা নিয়ে আমার অবস্থান পরিষ্কার। আমি এগুলোকে পুরাপুরি ইকুয়েশনের বাইরে রাখতে পারি না। সেটা এমসি কলেজের ঘটনার পরদিন উল্লেখ করেছি। কিন্তু যেটা বলেছি, সেগুলো সাধারণ সময়ের আলোচনা। যখন পাওয়ার পলিটিক্সের কারণে ধর্ষণের ঘটনা আলোচনায় থাকে, তখন এই সব হুজুরদের মুখে পর্দা আর অশ্লীলতার বয়ান শুনলে আমার চোখে তাদের চেহারার জায়গায় উইমেন চ্যাপ্টারের মহিলাদের ছবিই ভাসে। ফেসবুক থেকে

 

  • সর্বশেষ