শিরোনাম
◈ কথা শুন‌লেন না ইনফান্তিনো, ক্যারিবিয়ান যুব টুর্নামেন্টে উপ‌স্থিত হওয়ায় আরও গভীর হলো ফিফার দ্বন্দ্ব ◈ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে উপদেষ্টা, সরকারের আকার বাড়লে ঝুঁকি আছে? ◈ ইউএস ও‌পে‌নে আলকারাজের সঙ্গে জুটি বেঁধে খেলবেন সেরিনা উইলিয়ামস, ঘোষণা আয়োজকদের ◈ এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সি‌লের নির্বাচনে পাকিস্তান-সমর্থিত প্যানেলের দাপুটে জয় ◈ ফারাক্কার সব গেইট খুলে দিতে শুভেন্দুকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রীর ফোন ◈ নুসরাত হত্যা মামলায় ১৬ আসামির ডেথ রেফারেন্সের রায় আজ ◈ দুপুরের মধ্যে ঢাকাসহ ৮ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস ◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি

প্রকাশিত : ০১ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:০৪ সকাল
আপডেট : ০১ অক্টোবর, ২০২০, ০৭:০৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] সন্তানকে নিয়ে অপহরণ নাটক, আসল রহস্য উদঘাটন করল পুলিশ !

রাজু চৌধুরী : [২] নিজের পুত্র সন্তানকে নিয়ে অপহরণের সাজানো নাটক, তবে শেষ রক্ষা হল না। নিঃসন্তান বোনকে শিশুপুত্র দিয়ে দেন মা নিজেই কিন্তু শিশুপুত্রের পিতার করা অপহরণ মামলার তদন্তে নেমে পুলিশ উদঘাটন করে প্রকৃত রহস্য যা অপহরণ নয়।

[৩] ৩০ সেপ্টেম্বর বুধবার মোঃ আরিফ হোসেন, সহকারী পুলিশ কমিশনার (পাহাড়তলী জোন), সিএমপি, চট্টগ্রাম এর নেতৃত্বে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আকবরশাহ্ থানার একটি টিম ছাগলনাইয়া থানা পুলিশের সহায়তায় ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া থানাধীন পশ্চিম ছাগলনাইয়াস্থ নজির আহম্মদের ভাড়াটিয়ার বাসা থেকে অপহৃত শিশু পুত্র হাবিবুর রহমান রোহান (দেড় বছর)কে উদ্ধার এবং জড়িতদের গ্রেফতার করে পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অপহৃত শিশু, তার মা এবং শাহেনা আক্তারদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার (পাহাড়তলী জোন) আরিফ হোসেন জানান, শিশুপুত্রের মা মাবিয়া খাতুন (৩৩) নিজেই কর্ণেলহাট গিয়ে বোনের হাতে শিশুপুত্রকে তুলে দেন। এরপর বোন শাহেনা আক্তার (৪০) শিশুপুত্রকে নিয়ে ফেনী জেলার ছাগলনাইয়া উপজেলায় চলে যান। আরিফ হোসেন আরও জানান, গত ২৪ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে বাসা থেকে নিখোঁজ হয় রোহান। এরপর ২৭ সেপ্টেম্বর রোহানের পিতা থানায় ছেলেকে অপহরণের অভিযোগে একটি মামলা করেন। আকবরশাহ্ থানার মামলা নং-২৬, তাং-২৭/০৯/২০২০ইং, ধারা-৭/৩০ ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের (সংশোধনী/২০০৩) রুজু করা হয়।

  • সর্বশেষ