শিরোনাম
◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চ্যালেঞ্জে পড়তে পারে বিএনপি, নানা উদ্যোগ ◈ ঈদুল আজহা উপলক্ষে যত টাকায় মিলবে টিসিবির তিন পণ্য! ◈ আ’লীগের পুনর্বাসন নিয়ে কোনো চাপে নতি স্বীকার করবে না সরকার ◈ উচ্ছেদকৃত হকারদের পুনর্বাসনে ডিজিটাল আইডি চালু করছে ঢাকা দুই সিটি ◈ অ‌নেক ক‌ষ্টে ওয়েস্ট হ্যাম ইউনাইটেড‌কে হারা‌লো আর্সেনাল ◈ রিয়াল মা‌দ্রিদ‌কে হারিয়ে লা লিগা শিরোপা জিতলো বার্সেলোনা  ◈ রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের জন্য দুই মাসের মধ্যে আসছে ‘প্রবাসী কার্ড’ ◈ মিয়ানমারে মধ্যরাতের ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল চট্টগ্রামও ◈ পাকিস্তানের ক্রিকেট তারকা ইরফান ধরা পড়লেন ট্রাফিক পুলিশের হাতে ◈ ভুয়া সাইবার মামলা ঠেকাতে নতুন আইনে কঠোর ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:০০ সকাল
আপডেট : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দর্জির কাজ করেন, করেন চিকিৎসাও!

ডেস্ক রিপোর্ট : নাম নার্গিস আকতার। তিনি নিজের নামের আগে লিখেছেন ‘ডা.’। কিন্তু তার গলায় চিকিৎসকদের স্টেথোস্কোপ থাকে না। থাকে কাপড় পরিমাপের ফিতা। পাশাপাশি দুটি দোকান- একটি মেডিকেল হাউস অপরটি টেইলার্স। দুই দোকানের কর্তা একজনই। চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার বুড়িশ্চরের তেঁতুলতলা এলাকায় নার্গিস আকতার নামে এক নারীর এমন চিত্র দেখা যায়। সোমবার দুপুরে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে এর প্রমাণ পেয়েছেন।

ফার্মেসির সাইনবোর্ডে লেখা আছে, ‘সকল প্রকার রোগের চিকিৎসা দেয়া হয়’। অন্যদিকে নিজেকে ডাক্তার প্রমাণে ছাপিয়েছেন ভিজিটিং কার্ডও। পাশেই টেইলার্সের দোকান। এখানে পেশা দুটি হলেও মানুষ তিনি একজনই। যিনি দর্জি, তিনিই চিকিৎসক। পরে কথিত চিকিৎসকের দুই সন্তানের বিষয়টি বিবেচনা করে মুচলেকা নিয়ে তাকে স্থানীয় জনপ্রতিধির জিম্মায় দেয়া হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, গোপন সূত্রে জানতে পারি, এক ডাক্তার দর্জির কাজও করেন। যিনি সকল প্রকার রোগের চিকিৎসক। কৌতূহলবশত ওই ডাক্তারকে দেখতে তার চেম্বারে গেলাম। কিন্তু একি, ডাক্তার সাহেবের চেম্বারে গিয়ে দেখি, তিনি গলায় ফিতা ঝুলিয়ে কাপড় কাটছেন! নামের আগে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করলেও তার ন্যুনতম নার্সিং কোর্সেরও অভিজ্ঞতা নেই। এমন অবস্থায়ই তিনি দিব্যি ফার্মেসি ব্যবসা এবং কথিত ডাক্তারি পেশা চালিয়ে যাচ্ছেন। কেবল তা নয়, তিনিই আবার পাশের টেইলার্সের কারিগর।

তিনি আরও বলেন, অভিযানের পর এলাকার চেয়ারম্যান ও তিন মেম্বারকে ডাকা হয়। তবে শাস্তি দিতে গিয়ে গিয়ে দেখা যায়, ওই নারীর স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে। পাঁচ ও ছয় বছরের দুটা সন্তান আছে। তারা মায়ের সঙ্গেই থাকে। তাই জেল-জরিমানা করা হয়নি। তবে হয় লাইসেন্স নিয়ে ফার্মেসি ব্যবসা করবে, না হয় টেইলার্স পরিচালনা করবে। এখন থেকে যেন ভুয়া ডাক্তারি করতে না পারে। বিষয়টি দেখাশুনা করতে জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

বিডি প্রতিদিন

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়