শিরোনাম
◈ রোহিঙ্গাদের ‘রাখাইনের বাঙালি’ দাবি করে মিয়ানমারের বিবৃতি কী বার্তা দিচ্ছে ◈ আমির হামজার গাড়িতে হামলা, জামায়াত-গণঅধিকার সংঘর্ষে আহত ১৫ ◈ প্রধানমন্ত্রীর ‘চ্যালেঞ্জ’ গ্রহণ করে হাসনাতের ফেসবুক পোস্ট, দিলেন ৪ প্রস্তাব ◈ সদরঘাটে দুই পক্ষের সংঘর্ষে যুবক নিহত, আটক ১০ ◈ কম দামে বেশি রফতানির মডেলে ঝুঁকি, ইউরোপে বাজার হারানোর শঙ্কা বাংলাদেশের ◈ উদ্বোধনের আগেই থার্ড টার্মিনালের ছাদে অসংখ্য পানি লিকেজ, নির্মাণমান নিয়ে প্রশ্ন (ভিডিও) ◈ দেশের ৬ জেলায় দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে ◈ ১৯ আগস্টের মধ্যে স্বাভাবিক হচ্ছে গ্যাস সরবরাহ, জাতীয় গ্রিডে বাড়বে ৩৪০ মিলিয়ন ঘনফুট ◈ বাংলা‌দেশ দলের পারফর‌মেন্স ইস‌্যু‌তে রি‌কি পন্টিংয়ের কাঠগড়ায় প‌্যাট কামিন্স ও নির্বাচকরা ◈ শিক্ষকসংকট কাটাতে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পুল গড়ছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২৬ দুপুর
আপডেট : ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১০:২৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গোপালগঞ্জ বলাকইড় পদ্মবিল হতে পারে সম্ভাবনাময় পর্যটন এলাকা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] পদ্মকে জলজ ফুলের রানী বলা হয়। আর প্রাকৃতিকভাবে জন্ম নেওয়া এই পদ্মফুল সৌন্দর্য বাড়িয়ে দিয়েছে গোপালগঞ্জের বিলের চিত্র। দূর থেকে মনে হবে যেন ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে কেউ। প্রতিদিনই এ বিলের পদ্মের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসছে শত শত দর্শনার্থী।

[৩] বর্ষাকালে কোনো কাজ না থাকায় দর্শনার্থীদের নৌকায় করে বিলে আনা নেওয়ার কাজ করে এবং পদ্মফুল ও ফল বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করছেন স্থানীয় অনেকে। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা।

[৪] বলাকইড় গ্রামের শাহাবুদ্দিন শেখ জানান, আমাদের পূর্বপুরুষের কাছে শুনেছি বিলে অনেক পদ্মফুল ফুটতো। কিন্তু হঠাৎ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে এ ফুল ফোটা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ১৯৮৮ সালে বন্যার পর থেকে বর্ষাকালে এ বিলের অধিকাংশ জমিতেই প্রাকৃতিকভাবে পদ্মফুল জন্ম হয়ে থাকে। আর এ কারণে বিলটি এখন পদ্মবিল নামেই পরিচিত হয়ে উঠেছে।

[৫] বলাকইড় দক্ষিণপাড়ার নৌকার মাঝি ইনাজ ঢালী বলেন, এখানে শত শত লোক আসে পদ্ম দেখতে। তাদের নিয়ে বিলের পদ্ম ঘুরে ঘুরে দেখাই। প্রতিদিন ৫শ থেকে ১৫শ টাকা পর্যন্ত আয় হয়। এদিয়ে ছেলে মেয়েদের লেখাপড়ার খরচ চালাই। নৌকার ভাড়া মিটিয়ে খেয়ে দেয়ে আমরা ভালো আছি বলেও জানান তিনি।

[৬] এ বিলের সৌন্দর্য নিয়ে জেলা প্রশাসক শাহিদা সুলতানা জানান, এবিলের পদ্ম দেখতে সারাদেশ থেকে বর্ষাকালে দর্শনার্থীরা ভীড় করে। এখানে আসার রাস্তা সরু ও সংকীর্ণ হওয়ায় ইতোমধ্যে স্থানীয় সরকারের সঙ্গে কথা বলেছি তারা খুব তাড়াতাড়ি এ রাস্তার কাজ শুরু করবেন। আর একটা পর্যটন স্থানের জন্য যে সমস্ত অবকাঠামো প্রয়োজন হয় সে বিষয়ে পর্যটন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারাও এ বিষয়গুলো দেখবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। ভবিষ্যতে এটি একটি পর্যটন এলাকা হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়