প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সুব্রত বিশ্বাস: ধর্ম ও রাজনীতির যোগে অগণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্ম হয়

সুব্রত বিশ্বাস: ধর্ম ও রাজনীতির যোগে প্রাণ পাই ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ। আজন্মকাল মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে আসছে ধর্ম ও রাজনীতি। তবে কেন ধর্ম ও রাজনীতির যোগকে সামনে এনে ধর্মীয় জাতীয়তাবাদকে প্রকোব করা হয়? করোনাকালে উন্মুক্ত রাজনীতির সুযোগ সীমিত, তাই প্রচারের আলোকবৃত্তে রাজনৈতিক দলগুলোর দফতরের মধ্যেই চলছে রাজনৈতিক কমসূচি। কেন গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক ভাবনা ধর্মের কাপুড়ে ব্যবহারের ভাবনাকে প্রসারিত করা হচ্ছে? এই রাজনৈতিক দলগুলো চিরবিবদমান (গণতান্ত্রিক পরিসরে নিরস্ত্র বিবাদ কাম্য, তবুও), তদুপরি এরা চিরকাল সাধারণ মানুষকে ব্যবহার করেছে। গণতন্ত্র ভাবনা কখনোই বর্ণিত শাস্ত্রবিহিত কোনো ধমীয় ভাবধারার সমতুল্য হতে পারে না দুটি পথ আলাদা।
না গণতন্ত্র না ধর্মীয়তন্ত্র অন্য রকম ভাবনা ভাবতে গিয়ে ধমীয় জাতীয়তাবাদের আদল তৈরিকরণ এবং রাজনৈতিকভাবে তার ব্যবহার গণতন্ত্রের সামাজিক তাৎপর্য সম্পূর্ণ অস্বীকার করার পথকে উন্মুক্ত করে। তাছাড়া, আজকের রাজনৈতিক দলগুলো কি সমাজের সব স্তরের মানুষের প্রতিনিধি? সেই দলগুলো গলাগলি করে মানবকল্যাণে ব্রতী এহেন ধারণা আকাশকুসুম মাত্র। কারণ রাজনীতিতে বহু সুবিধাবাদী মানুষের প্রবেশধিকার আজ দুঃখজনক যারা আত্মকল্যাণে ব্রত। বিভেদের জন্যই যাদের জন্ম ও কর্ম, তাদের মানবকল্যাণ ব্যবহারের ভাবনাটিকে কখনো মেনে নেওয়া যায় না। তর্কের খাতিরে যদি সামাজিকতার কথা বলি, তাতেও বলা যায়Ñ কোনো রাজনৈতিক দল বা মানুষের সার্বিক কল্যাণেব্রত গ্রহণে কাজ করে।

ধর্ম ও রাজনীতির যোগে অগণতান্ত্রিক রাজনীতির জন্ম হয়। রাজনীতির মূলে রয়েছে গণতন্ত্রের গভীর দর্শন। সেই দর্শন মেনেই মহা গণশক্তির অংশ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্যে রয়েছে মানুষের কল্যাণ আপাত-সমন্বয়বাদী ভাবনা থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কার্যালয়ের মানবতাবাদী কর্মকাণ্ড গড়ার পরিকল্পনা থাকে বাস্তবায়ন থাকে না। রাজনৈতিক দর্শনের সঙ্গে মানব সেবা তা কোনোভাবেই খাপ খায় না। সামাজিক বা রাজনৈতিক ব্যাখ্যা দেওয়া যেতেই পারে, তবু এই পরিকল্পনাকে দিনের শেষে শুধু রাজনৈতিক সুযোগ-সুবিধার গন্ধ মেলে কিছু সুবিধাবাদীর জন্য। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত