শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের দেশে ফিরতে বাধা কোথায়? ◈ কারাগারে অসুস্থ হলমার্কের এমডি তানভীর মাহমুদ ঢামেকে মারা গেছেন ◈ খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে পাকিস্তান প্রধানমন্ত্রীর চিঠি ◈ শ্রীলঙ্কাকে হা‌রি‌য়ে ত্রিদেশীয় সিরিজে চ্যাম্পিয়ন পাকিস্তান  ◈ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আবারও বাড়লো ◈ খালেদা জিয়ার যদি কিছু হয়ে যায় দেশ সংকটে পড়বে, ভোটের আনন্দ মুছে যাবে : গয়েশ্বর ◈ খালেদা জিয়ার অবস্থা অপরিবর্তিত, বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বোর্ডের ওপর: ডা. জাহিদ হোসেন ◈ লিটন দাস ও ইমনের ব্যাটিং কল‌্যা‌ণে ‌সি‌রিজ সমতায় ফির‌লো বাংলাদেশ ◈ রাজনীতিতে তৃতীয় শক্তি গঠনের শুরুতেই হোঁচট ◈ কেন বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশিরা ভিসা পাচ্ছে না

প্রকাশিত : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৩৬ দুপুর
আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ১১:৩৬ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] কুড়িগ্রামে চতুর্থদফা বন্যা, ধরলার পানি বিপদসীমার উপরে

সৌরভ ঘোষ: [২] কুড়িগ্রামে চতুর্থ দফা বন্যার কবলে পরেছে মানুষ। অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে ধরলা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়ে বুধবার সকালে ব্রীজ পয়েন্টে ২২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। অন্যান্য নদ-নদীগুলো এখনো বিপদসীমান নীচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হঠাৎ করে ধরলা নদীতে পানিবৃদ্ধির ফলে পানিবন্দি হয়ে পরেছে ৫ হাজার পরিবারের প্রায় ২৫ হাজার মানুষ। এছাড়াও বন্যায় ১০০ হেক্টর আমন ফসল পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

[৩] একদিকে নদনদীতে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে, অপরদিকে বিভিন্ন এলাকায় চলছে তীব্র ভাঙন। এই মূহুর্তে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের সারডোব গ্রামের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ৩০ মিটার অংশ ভেঙে অন্তত ১০টি গ্রাম নতুন করে প্লাবিত হয়েছে। তিস্তা নদীতে তীব্র ভাঙন চলছে উলিপুরের থেতরাই, চর বজরা ও গাইবান্ধা জেলার বিচ্ছিন্ন অঞ্চল কাশিমবাজারে। এখানে যোগাযোগের একমাত্র পাকা সড়কের তিন মিটার নদীগর্ভে চলে গেছে। এছাড়াও চারটি বাড়ি নদীগর্ভে গেছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে আরো ৩০টি বাড়ি। বুধবার সকালে ভাঙনের কবলে পরেছে নজরুল মাস্টার, আব্দুল মোতালেব, মনির হোসেন ও মনিরাম মুছির বাড়ি। ধরলার ভাঙনে হুমকীর মুখে রয়েছে সদর উপজেলার মোগলবাসা বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ।

[৪] কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবাহী প্রকৌশলী মো.আরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, উজানে বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় আগামী ২-৩ দিন পানি আরো বাড়ছে পারে। এরপর পানি কমবে। এছাড়া নদী ভাঙন প্রতিরোধে বিভিন্ন এলাকায় জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

[৫] কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান জানান, ধরলা নদী বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় নদী তীরবর্তী ১০০ হেক্টর আমন ফসল নিমজ্জিত হয়েছে।

[৬] জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, হঠাৎ করে ধরলা নদীতে অস্বাভাবিক পানিবৃদ্ধি হয়েছে। পানিবৃদ্ধির ফলে আবার বন্যার কবলে পরেছে ধরলা নদী তীরবর্তী এলাকার মানুষ ও বিভিন্ন ফসলাদি। সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণের জন্য বলা হয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়