শিরোনাম
◈ সৌরবিদ্যুৎ নিয়ে সরকারের পরিকল্পনা কী এবং কোন পাঁচ বিষয় চ্যালেঞ্জ হতে পারে? ◈ ঢাকার যানজট কমাতে টোল থেকে বাস টার্মিনাল, প্রধানমন্ত্রীর ৮ নির্দেশনা ◈ মালয়েশিয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের করণীয়-বর্জনীয় নিয়ে জরুরি নির্দেশনা ◈ ডিবিকে ফোনকল: আমি ভালো হয়ে যাবো, অস্ত্রসহ আমাকে নিয়ে যান ◈ ভ্রমণ আরও সহজ করতে এআই মোডে গুগলের নতুন ফিচার ◈ হামের উপসর্গে আরও ৩ মৃত্যু, মোট ৯৬৩ ◈ সরকারের ছয় মাসে ১০ অভিযোগ চরমোনাই পীরের ◈ সব কাজ দ্রুত করা সম্ভব না হলেও সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী দেওয়া নিয়ে যা বললেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন আইরিন খান

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০১:৩০ রাত
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০১:৩০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ফরিদপুরে স্বেচ্ছাসেবী মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের চাকরী স্থায়ী করনের দাবিতে মানববন্ধন

এস.এম আকাশ : [২] ফরিদপুরে স্বেচ্ছাসেবী মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া আশ্বাসের বাস্থবায়নের দাবীতে রবিবার দুপুর ১২ টায় ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করছে।

[৩] ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন কর্মসুচিতে বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবী মেডিকেল টেকনোলজিস্ট মোঃ আকতার হোসেন, মোঃ ইফতে খায়রুল মামুন, মোঃ দিদারুল ইসলাম, মোঃ শাহিদুল ইসলাম,মোঃ জসীম উদ্দিন প্রমুখ ।

[৪] এ সময় বক্তারা বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়ার পর যখন রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা শুরু হলো তখন এই মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সংকট দেখা দেয়। তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশ ও দশের স্বার্থে আমরা মেডিকাল টেকনোলজিস্টরা স্বেচ্ছায় করোনার নমুনা সংগ্রহে আত্মনিয়োগ করি। এই কাজে আমাদের ছিলোনা কোন টিএ ডিএ, ছিলোনা কোন বেতন ভাতা। আমরা নিজেদের খরচে এসব কাজ করেছি। যারা পিসিআর ল্যাবে কাজ করেছে তারা সাতদিন কাজ করার পর চৌদ্দদিন কোয়ারেন্টাইনে থেকেছে। কিন্তু আমরা তাও থাকতে পারিনি।

[৫] দেশের এই ক্রান্তি লগ্নে স্বেচ্ছাসেবী এসকল মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের অবদানে খুশি হয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের স্থায়ীভাবে নিয়োগের আশ্বাস দিয়েছিলেন। ইতোমধ্যে মহামান্য রাষ্ট্রপতির নির্বাহী আদেশে পরপর দুই ধাপে বেশ কিছু মেডিকেল টেকনোলজিস্ট নিয়োগ দেওয়া হলেও ফরিদপুরের স্বেচ্ছাসেবী এই মেডিকেল টেকনোলজিস্টরা এখনো অবহেলিত রয়েছে। আমাদের মধ্যে যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছিল তারা তখন সরকারি বা বেসরকারি কোন প্রতিষ্ঠান থেকেই কোন প্রকার প্রনোদণা পায়নি। পক্ষান্তরে সরকারি কোন কর্মকর্তা করোনায় আক্রান্ত হলে তারা সরকারি সকল সুবিধা পেয়েছেন। সরকারি কর্মকর্তারা সকল সুবিধা পাবেন এটাই স্বাভাবিক কিন্তু আমরা কেন এত অবহেলিত থাকবো। করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজে নিয়োজিত থাকায় আমাদেরকে কোন ক্লিনিক চাকরি দিচ্ছে না। যারা আগে সংসারের ব্যয় বহন করতো এখন তারা সংসারের বোঝা হয়ে গেছে। আমাদের এখন বেচে থাকাটা কঠিন হয়ে পরেছে। আজ যদি সরকার এ সকল স্বেচ্ছাসেবীদের দায়িত্ব রাষ্ট্রীয় ভাবে না নেয় তাহলে আমাদের দুঃখকষ্টের কোন সীমা থাকবে না।

[৬] প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমাদের একটাই দাবী তিনি যে আশ্বাস দিয়েছেন তা যেন অতিদ্রুত বাস্তবায়ন করে স্বেচ্ছাসেবী এই মেডিকেল টেকনোলজিস্টদের সুন্দরভাবে বাঁচতে সাহায্য করবেন।সম্পাদনা : জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ