শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সফর অনিশ্চিত, কোন পথে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক? ◈ বাংলা কিউআরে দৈনিক লেনদেনে বড় লাফ ◈ ৬০ লাখ বাংলাদেশির সিভি বিক্রির বিজ্ঞাপন হ্যাকারদের, ডলার দাবি ◈ হাদি হত্যাকাণ্ড: পরিকল্পনা থেকে দেশত্যাগ, তদন্তে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ অতিরিক্ত আইজিপি হলেন পাঁচ কর্মকর্তা ◈ জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ চিনিতে লোকসান গুনেও অ্যালকোহলে ১৬৫ কোটি টাকা মুনাফা কেরুর ◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ ◈ ব্রাজিল ফুটবল দল বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে খেলতে চায়

প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ‘কর শনাক্তকরণ নম্বর’ ছাড়াই সঞ্চয়পত্র পাবেন বন্ধ ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা

সোহেল রহমান : [২] ‘বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন’ (বিজেএমসি)-এর আওতাধীন ২৫টি পাটকল গত ১ জুলাই থেকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এসব মিলের শ্রমিকরা তাদের পাওনা টাকার অর্ধেক পাবেন নগদে, বাকি অর্ধেক পাবেন তিন বছর মেয়াদি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে।

[৩] বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, ১ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলেই দকর শনাক্তকরণ নম্বর’ (টিআইএন) থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অধিকাংশ শ্রমিকেরই টিআইএন নেই। তাই পাটকল শ্রমিকদের পাওনার অবশিষ্ট অর্থ টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে প্রদান করা হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে অনেক শ্রমিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ব্যাংক একাউন্ট নেই। নতুন করে এগুলো যোগাড় করাও সময়সাপেক্ষ।

[৪] অন্যদিকে তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা রয়েছে। ফলে এ সীমার বাইরে যারা থাকবেন, তাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমার অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন শ্রমিকরা। আবার ৫ লাখ টাকার বেশি হলেই মুনাফার ওপর উৎসে কর পরিশোধ করতে হবে ১০ শতাংশ হারে। পাটকল শ্রমিকদের জন্য তা বহন করা কষ্টকর।

[৫] জানা যায়, ২৫টি পাটকলের মধ্যে ইতোমধ্যেই ‘করিম জুট মিল’-এর স্থায়ী শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করতে ২২৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এই বরাদ্দে ২ হাজার ৩৭১ জন শ্রমিক তাদের পাওনা টাকা পাবেন। এর মধ্যে ২ হাজার ১৮২ জনের পাওনা ২ লাখ টাকার বেশি।

[৬] বরাদ্দ পত্রে বলা হয়, তাদের টাকা ৫০ শতাংশ নগদে দেয়া হবে এবং বাকিটা সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে। মাত্র ১৮৯ জন শ্রমিকের পাওনা ২ লাখ টাকার মধ্যে। তারা টাকা পাবেন এককালীন তথা নগদ। পত্রে বলা হয়, এ শ্রমিকেরা তাদের পাওনা টাকার অর্ধেক পাবেন তিন বছর মেয়াদি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে। তা কিনতে হবে শুধু সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে। এদিকে চিহ্নিত কিছু শাখা ছাড়া সোনালী ব্যাংকের সব শাখায় সঞ্চয়পত্র কেনার ব্যবস্থা নেই।

[৭] জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের যেসব শাখায় সঞ্চয়পত্র কেনার ব্যবস্থা নেই, সেসব শাখা অন্য কোনো শাখার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সঞ্চয়পত্র সরববরাহ করতে পারবে এমন চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ