শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ বিফ‌লে গে‌লো ইংল‌্যা‌ন্ডের ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরী, ৪২৯ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড জয়  ◈ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাইতে থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সাথে তুমুল বাগবিতণ্ডা (ভিডিও) ◈ থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ জন ◈ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’

প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল
আপডেট : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০, ০৮:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ‘কর শনাক্তকরণ নম্বর’ ছাড়াই সঞ্চয়পত্র পাবেন বন্ধ ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল শ্রমিকরা

সোহেল রহমান : [২] ‘বাংলাদেশ পাটকল কর্পোরেশন’ (বিজেএমসি)-এর আওতাধীন ২৫টি পাটকল গত ১ জুলাই থেকে সম্পূর্ণরূপে বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। এসব মিলের শ্রমিকরা তাদের পাওনা টাকার অর্ধেক পাবেন নগদে, বাকি অর্ধেক পাবেন তিন বছর মেয়াদি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে।

[৩] বিদ্যমান আইন অনুযায়ী, ১ লাখ টাকার বেশি সঞ্চয়পত্র কিনলেই দকর শনাক্তকরণ নম্বর’ (টিআইএন) থাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। অধিকাংশ শ্রমিকেরই টিআইএন নেই। তাই পাটকল শ্রমিকদের পাওনার অবশিষ্ট অর্থ টিআইএন ছাড়াই সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে প্রদান করা হবে বলে অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে অনেক শ্রমিকের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও ব্যাংক একাউন্ট নেই। নতুন করে এগুলো যোগাড় করাও সময়সাপেক্ষ।

[৪] অন্যদিকে তিন বছর মেয়াদি সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ও সর্বনি¤œ সীমা রয়েছে। ফলে এ সীমার বাইরে যারা থাকবেন, তাদের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমার অতিরিক্ত সঞ্চয়পত্র ইস্যু করা নিয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে বলে মনে করছেন শ্রমিকরা। আবার ৫ লাখ টাকার বেশি হলেই মুনাফার ওপর উৎসে কর পরিশোধ করতে হবে ১০ শতাংশ হারে। পাটকল শ্রমিকদের জন্য তা বহন করা কষ্টকর।

[৫] জানা যায়, ২৫টি পাটকলের মধ্যে ইতোমধ্যেই ‘করিম জুট মিল’-এর স্থায়ী শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করতে ২২৬ কোটি ৮৭ লাখ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে অর্থ বিভাগ। এই বরাদ্দে ২ হাজার ৩৭১ জন শ্রমিক তাদের পাওনা টাকা পাবেন। এর মধ্যে ২ হাজার ১৮২ জনের পাওনা ২ লাখ টাকার বেশি।

[৬] বরাদ্দ পত্রে বলা হয়, তাদের টাকা ৫০ শতাংশ নগদে দেয়া হবে এবং বাকিটা সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে। মাত্র ১৮৯ জন শ্রমিকের পাওনা ২ লাখ টাকার মধ্যে। তারা টাকা পাবেন এককালীন তথা নগদ। পত্রে বলা হয়, এ শ্রমিকেরা তাদের পাওনা টাকার অর্ধেক পাবেন তিন বছর মেয়াদি তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে। তা কিনতে হবে শুধু সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে। এদিকে চিহ্নিত কিছু শাখা ছাড়া সোনালী ব্যাংকের সব শাখায় সঞ্চয়পত্র কেনার ব্যবস্থা নেই।

[৭] জানা যায়, সোনালী ব্যাংকের যেসব শাখায় সঞ্চয়পত্র কেনার ব্যবস্থা নেই, সেসব শাখা অন্য কোনো শাখার পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সঞ্চয়পত্র সরববরাহ করতে পারবে এমন চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ