শিরোনাম
◈ নেপালে পাহাড়ি ঢলে নিখোঁজ ৩৮৪ পর্যটক, তালিকায় নেই কোনো বাংলাদেশি ◈ জ্বালানি সংকটে শিল্পকারখানায় সৌরবিদ্যুতের দিকে ঝুঁকছেন উদ্যোক্তারা, উৎপাদনক্ষমতা ছাড়িয়েছে ৬০০ মেগাওয়াট ◈ পোশাকের বৈশ্বিক বাজার বদলাচ্ছে, তাল মেলাতে পারছে না বাংলাদেশ ◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি

প্রকাশিত : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ০২:৫৪ রাত
আপডেট : ২৮ আগস্ট, ২০২০, ০২:৫৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] দিরাইয়ে স্কুল কক্ষে ফার্নিচার রেখে ব্যবসা করছেন শিক্ষক

দিরাই প্রতিনিধি: [২] দিরাই উপজেলার ধল পাবলিক উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দীন ইসলামের বিরুদ্ধে নিজ বিদ্যালয়ের শ্রেণী কক্ষে ফার্নিচারের ব্যবসা করছেন বলে জানা গেছে।

[৩] বিদ্যালয়ে ব্যবসা বন্ধ করতে ওই বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ও বিদ্যালয়ে ভূমি দাতার পুত্র কবির মিয়া গতকাল দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে কবির মিয়া বলেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক দীন ইসলাম ও নরসিংদী জেলার বেলাবর এলাকা থেকে আসা কয়েক জন লোক আমাদের বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে অন্তত ৭-৮ লক্ষ টাকার ফার্নিচার গোদামজাত করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন।

[৪] গতকাল এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তি মিলে তাদের কে ফার্নিচার সরানোর কথা বললে বেলাবরের লোকেরা বলেন আমরা দীন ইসলাম স্যার এখানে ফার্নিচার রেখেছেন। অভিযোগে তিনি আরও উল্লেখ করেন, শিক্ষক দীন ইসলাম ২০১০ সালে বিদ্যালয় মাঠে ঘর বানাইয়া মাছের আড়ৎ খুলেন, বিষয় টি সংবাদ পত্রে প্রকাশ হলে প্রশাসনের চাপের মুখে তিনি মাছের আড়ৎ অন্যত্র সরিয়ে নেন।

[৫] বিদ্যালয়ের রেজুলেশনে পরিষ্কার উল্লেখ আছে বিদ্যালয়ের কোনো শিক্ষক অথবা পরিচালনা কমিটির সদস্য বিদ্যালয়ের জায়গার উপর নির্মিত দোকান কোটা ভাড়া নিতে বা ব্যবসা করেত পারবেন না, অথচ দীন ইসলাম বিদ্যালয়ের ভূমিতে মাঈশা লাইব্রেরীর সাইন বোর্ড দিয়ে প্রায় চার বছর ধরে মুদি মালের ব্যবসা করে যাচ্ছেন, তিনি প্রভাবশালী হওয়ায় কেউ মূখ খুলছেন না। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( দায়িত্বপ্রাপ্ত) ফারিয়া সুলতানা অভিযোগ পাওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, বিষয়টি তদন্ত করার দায়িত্ব উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কে দেওয়া হয়েছে। সম্পাদনা: সাদেক আলী

  • সর্বশেষ