প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

টাকা নিলেও পিপিই বদলান না এভারকেয়ারের চিকিৎসক

ডেস্ক রিপোর্ট : বাংলাদেশের খ্যাতনামা পাঁচ তারকা হাসপাতাল এভারকেয়ারের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জাম (পিপিই) নিয়ে ‘বাণিজ্যের’ অভিযোগ উঠেছে। করোনাভাইরাস বিস্তারের ফলে রোগীদের সুরক্ষার জন্য পিপিইর (ডিসপোজেবল মেডিকেল গাউন) টাকা চার্জ করা হলেও সেই সেবা তারা পান না।

হাসপাতালের যেকোনো সেবার জন্য পিপিই বাবদ রোগীদের কাছ থেকে ২০০ টাকা নেওয়া হয়। ওই টাকায় চিকিৎসক, স্যাম্পল কালেক্টরসহ হাসপাতালের স্টাফরা পিপিই ব্যবহার করেন। ওই একটি পিপিই পরে অনেক রোগীকে সেবা দেন চিকিৎসক ও স্টাফেরা। অথচ প্রতি রোগী থেকে পিপিই বাবদ টাকা নেওয়া হয় যাতে চিকিৎসক কিংবা নমুনা সংগ্রহকারীরা প্রতি রোগীকে সাক্ষাৎ দেওয়ার আগে ব্যবহৃত পিপিই অপসারণ করে নতুন পিপিই পরতে পারেন। এতে রোগী সুরক্ষা নিশ্চিত হবে। কিন্তু বাস্তবে তা হচ্ছে না।

চলতি বছরে অ্যাপোলো হাসপাতালের নাম পরিবর্তন করে এভারকেয়ার রাখা হয়। অ্যাপোলো হাসপাতালের মালিক প্রতিষ্ঠান এসটিএস হোল্ডিংসের সিংহভাগ শেয়ার কিনে দুই মার্কিন ও ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান।

জানুয়ারিতে এক বিজ্ঞপ্তিতে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক এভারকেয়ার হেলথ ফান্ড ও যুক্তরাজ্যের সিডিসি গ্রুপ এ তথ্য জানিয়েছে।

গত সোমবার বিকেলে এই প্রতিবেদক পূর্বনির্ধারিত অ্যাপয়েন্টমেন্ট অনুযায়ী চিকিৎসক দেখাতে যান এভারকেয়ার হাসপাতালে। বিলিং কাউন্টারে চিকিৎসক ফির সঙ্গে পিপিই বাবদ ২০০ টাকা নেওয়া হয়।

এই পিপিই কে ব্যবহার করবেন জানতে চাইলে কর্তৃপক্ষ জানান, চিকিৎসক ব্যবহার করবেন। সেখান থেকে অ্যাপয়েন্টের জন্য চিকিৎসকের কক্ষের সামনে বসে একের পর এক রোগী বের হতে ও প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিষয়টি যাছাই করতে সিরিয়াল আসার সঙ্গে সঙ্গে এই প্রতিবেদক চিকিৎসকের কক্ষে প্রবেশ করে। কিন্তু ওই চিকিৎসককে নতুন পিপিই পড়তে দেখা যায়নি।

রাজধানীর উত্তরার মোহাম্মদ ইসরাইল নামের এক ব্যক্তিও একই অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি জানিয়েছেন, তার কাছ থেকেও পিপিই বাবদ ২০০ টাকা চার্জ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে এভারকেয়ার হাসপাতালের হেড অব অপারেশন কামাল সিদ্দিকীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘পিপিই’র দাম অনেক।’

সেই সঙ্গে আরও বলেন, অন্য রোগীদের বিষয়টি দেখার দায়িত্ব এই প্রতিবেদকের না।বিডি নিউজ, যুগান্তর

সর্বাধিক পঠিত