শিরোনাম
◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের পরিণতি কী, জানালেন তিন বিশেষজ্ঞ ◈ রাজধানীতে শিশু অপহরণের অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেল ◈ বিশ্বের নতুন মানচিত্র অনুমোদন দিলো জাতিসংঘ ◈ তিন দিনজুড়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি-বজ্রপাত, কোথাও ভারী বর্ষণের আভাস ◈ নবম পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে শেষ মুহূর্তে জটিলতা ◈ 'দেশের মানুষের কোনো উপকারে আসেনি': ভারতীয় কোম্পানিকে ব্যবসা গোটানোর নির্দেশ কেনিয়ার প্রেসিডেন্টের ◈ 'I'm Sorry Sir' লিখে চীনা ব্যবসায়ীর কোটি টাকা নিয়ে গাড়িচালক উধাও! ◈ পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে ৭২ ঘণ্টার অভিযানে ৪৮ জন নিহত, চলছে তল্লাশি ◈ জলবায়ু ও যুদ্ধের ধাক্কা, বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম ২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ: জাতিসংঘ ◈ সরকার একা নয়, অংশীদারত্বে হবে চট্টগ্রামের পানি সংকটের সমাধান: অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ২৮ জুলাই, ২০২০, ০২:৪৮ রাত
আপডেট : ২৮ জুলাই, ২০২০, ০২:৪৮ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] যশোরের সমবায় প্রতিমন্ত্রীর এপিএসসহ পাঁচজনের নামে আদালতে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের মামলা

যশোর প্রতিনিধি: [২] সমবায় প্রতিমন্ত্রীর এপিএস, উপজেলার দুই ভাইস চেয়ারম্যান, ও দুই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের নামে শ্লীলতাহানি ও মারপিটের অভিযোগে মামলা করেছেন মনিরামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমা খাতুন। আদালত বাদির অভিযোগ আমলে নিয়ে আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে আদালতে রিপোর্ট জমা দেবার জন্য যশোর পিবিআইকে নির্দেশ দিয়েছেন।

[৩] সোমবার (২৭ জুলাই) সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মঞ্জুরুল ইসলামের আদালতে এই মামলাটি করেন মনিরামপুর উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমা বেগম। মামলার আর্জিতে জানান, তিনি নির্বাচিত হবার পর থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দুর্ণীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে উপজেলা প্রশাসন পরিচালনা করতে থাকেন। এতে দুর্ণীতিবাজরা তার ওপর ক্ষুব্ধ হতে থাকে। করোনা কালিন সময়ে ৫৫৫ বস্তা ত্রানের চাল চুরির ঘটনা সারা দেশে আলোড়নের সৃষ্টি হয়। এর পাঁচ আসামীও আটক করে পুলিশ। উপজেলা চেযারম্যান এই চাল চুরির সাথে সমবায় প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে ও উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জড়িত থাকার ব্যাপারে সাংবাদিকদের কাছে বক্তব্যও দেন। পরে আটক পাঁচ আসামী এই চাল চুলির সাথে মন্ত্রীর ভাগ্নে জড়িত থাকার বিষয়ে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবান বন্দিও দেয়। এই ঘটনায় দুর্ণীতিবাজরা ক্ষুব্ধ হয়ে গত ২২ জুলাই মনিরামপুর উপজেলা পরিষদের মাসিক আইন শৃংক্ষলা কমিটির সভায় ৯নং ঝাপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুুল হক মন্টু বিধি বর্হিভুত বিষয়ে আলোচনা তুলে সভার পরিবেশ ইচ্ছাকৃত ভাবে নষ্ট ও পন্ড করে। এক পর্যায়ে আসামীরা পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বাদির ওপর চড়াও হবার চেষ্টা করে। আসামীদের অপতৎপরতা বুঝতে পেরে বাদি সভা স্থল ত্যাগ করার সময় আসামী আশ্লীল ভাষায় গলিগালাজ ও বাদির কাপড় ধরে টানাটানি করে শ্লীলতা হানি ঘটায়। এই পরিস্থিতির মধ্যে বাদি উপজেলা থেকে বের গাড়িতে উঠার সময় তার হাত ব্যাগ থেকে মূল্যবান কাগজপত্র ও ১৮ হাজার টাকা দামের মোবাইল ফোন পড়ে গেলে ৩নং আসামী সেটি নিয়ে চলে যায়। বাদি নাজমা বেগমকে সন্ত্রাসীর হাত থেকে রক্ষা করতে গেলে আসামীরা বাদির সহকারি নয়নকে মারপিট করে। বর্তমানে তিনি নিরাপত্তা হীনতায় রয়েছেন। পুলিশি সহযোগিতা না পেয়ে নিরুপায় হয়ে বাদি আদালতে সরানাপন্ন হয়েছেন।

[৪] এই মামালার আসামিরা হলেন ৯ নং ঝাপা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু, ৩ নং ভোজগাতি ইউনিয়নের চেয়রম্যান আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলার ভাইস চেয়ারম্যান জলি আকতার , সমবায় প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে ভাইসচেয়ারম্যান উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু, ও প্রতিমন্ত্রীর এপিএস কবির খান। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

  • সর্বশেষ