শিরোনাম
◈ আজ জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ◈ ২০৪৫ সালের মধ্যে ঢাকায় ৮ মেট্রোরেল, ৬ এক্সপ্রেসওয়ে ও ২১ পরিবহন হাবের পরিকল্পনা ◈ বাংলাদেশে গ্যাস অনুসন্ধানে আগ্রহী তুরস্কের রাষ্ট্রীয় কোম্পানি ◈ ২ লাখ ৫৬ হাজার ধর্মীয় কর্মী পাবেন সরকারি মাসিক ভাতা ◈ আবু সাঈদের বুক চিতিয়ে দাঁড়ানো থেকে হাসিনার পতন ◈ রক্তস্নাত ৩৬ জুলাই: যে দিনে বদলে যায় বাংলাদেশের ইতিহাস ◈ জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে ড. ইউনূসের বিবৃতি ◈ আইসি‌সি এলিট প‌্যা‌নে‌লের আম্পায়ার শরফুদ্দৌলাকে নিয়ে ‘বিভ্রান্তি’ দূর করতে বিসিবির ব্যাখ্যা ◈ ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইনফান্তিনোকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় 'দ‌্য টাইমস‌'কে কড়া হুঁশিয়ারি ফিফার ◈ বাংলাদেশকে ঘিরে মার্কিন অর্থনৈতিক কৌশল, সামনে বড় বিনিয়োগের সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ২৬ জুলাই, ২০২০, ০১:৪৪ রাত
আপডেট : ২৬ জুলাই, ২০২০, ০১:৪৪ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাজেদা পারভীন সাজু: ভুলতে পারি না বেবী আপাকে, গণভবনের সেই স্মৃতি

সাজেদা পারভীন সাজু: তখন সবে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে ২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে । সরকার গঠন করেছিল ৬ জানুয়ারী । তখনো সুধাসদনে থাকতেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা । রাষ্ট্রদূত থেকে শুরু করে অনেকেই আসছেন শুভেচ্ছা জানাতে । তখনো গনভবনে উঠেননি এমন একদিন সকাল থেকেই ছিলাম সুধাসদনে । যেদিক দিয়ে ভিআইপিরা ভিতরে প্রবেশ করতেন সেখানের সিঁড়ির পাশেই আমি দাঁড়িয়ে ছিলাম । হঠ্যাৎ দেখি বেবী আপা আমার কাছে এসে কাঁধে হাত রেখে বলছেন’ আপা (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) উপর থেকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় তোকে দেখে বললেন ওঁকে নিয়ে একটু গণভবনের অবস্থা দেখে আসো । কি অবস্থায় ফেলে রেখেছে গণভবনটাকে । আমি বেবী আপাকে বললাম চলেন যাই । তখন আমাদের সাথে যতদুর মনে পড়ছে লিমন, দ্বিপ,সৈকত ভাই ও ফারুক ভাই গিয়েছিলাম ।

গণভবনের গেটে যখন গেলাম বলা হলো একটু অপেক্ষা করতে হবে একই গাড়ীতে আমি আর বেবী আপা ছিলাম । কিছুক্ষন পর ঢুকলাম ভিতরের অবস্থা বেশ খারাপ । ময়না আর্বজনায় ছেয়ে আছে ফ্লোর । নীচতলার ছবি নিলাম । এরপর বেবী আপা বললেন, চল ওপরে যাই । সিঁড়ি দিয়ে যখন উঠছিলাম তখন বেবী আপা আমার হাত মুঠোয় ধরে উঠছিলেন । আমি তখন খুবই আপ্লুত ছিলাম প্রধানমন্ত্রী থাকেন না জানি কত সুন্দর সিনেমায় যেমনটি দেখি।

যতখানি মনে পড়ছে উপরে উঠেই বা দিকে আগে থাকতেন সায়মা ওয়াজেদ পুতুল । তার ঘরটি ভিতরে প্রবেশ করলাম দেখি খাট নেই। আগে যিনি প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তার ছেলে কোন সার্কিট হাউসে খাটটি নিয়ে রেখেছেন । সেই সময় গণভবনের এক কর্মকর্তা বললেন । এরপর যাই প্রধানমন্ত্রী যে ঘরটিতে থাকতেন । আমার মনের মধ্য তখন অন্য রকম একটি ব্যাপার কাজ করছিল । যেখানে রাষ্ট্রের প্রধানমন্ত্রী থাকেন সেই ঘরে আমি ঢুকছি । ভিতরে প্রবেশ করলাম সাথে বেবী আপা । দেখলাম একটি খাট পাশে সাইট টেবিল, একটি সোফা ছিল আর দুটি চেয়ার সাথে একটি টি টেবিল আহামরি কিছুই না । বাথরুমটাও দেখলাম সাধারন ফিটিং যেমনটি আমি ভেবেছিলাম তার কিছুই না । ধুলোয় ভরা তারমধ্যে আমি ছোট মানুষের মতো আপার খাটে একটু বসলাম, সোফায় একটু বসলাম ।বেবী আপাকে বললাম রাজা বাদশাহদের মতো তো কিছুই মনে হচ্ছে না । আপা বললেন তোর কি ধারনা আরব্য রজনীর কাহিনীর মতো ? আমি বললাম তা ঠিক না । এখানকার ছবি নেয়া শেষ হলে বেবী আপা বললেন চল তোকে এবার আসল জায়গায় নিয়ে যাই । আমি বললাম আর কোনটা তখন একেবারেই শেষ প্রান্তে নিয়ে গেলেন । দরজা খোলার পর আমার চোখ তো ছানা বড়া !! বেবী আপা বললেন এটা আপার লাইব্রেরি । চারিপাশে থরে থরে নীচ থেকে ছাদ অবদি সাজানো বই আর বই পরম আদরে সাজানো বই গুলো সেভাবেই রয়েছে । এখানে কেউ হাত দেয়নি । একটি মই দেখলাম মইয়ের কাছে যেয়ে বেবী আপা বললেন, এই মইয়ে উঠে আপা বই সাজিয়েছ্ন আমি বই তুলে দিয়েছি । সত্যি সেদিনের অনুভুতি এখনো ভুলতে পারি না । না বেবী আপাকে না গণভবনের সেই স্মৃতি ...!!! ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়