প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] কাপড় শুকাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে কিশোরী

স্বপন দেব, মৌলভীবাজার প্রতিনিধি: [২] জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর ইউনিয়নের শিংরাউলী গ্রামে ভবনের ছাদে কাপড় শুকাতে গিয়ে এক কিশোরী বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কিশোরী মুন্নী বেগম (১৬) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। গত ৪ জুলাই দুপুরে কিশোরী বিদ্যুতায়িত হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার পরদিন ৫ জুলাই দূর্ঘটনা কবলিত দোতলা ভবনের মালিক আব্দুল করিম মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কমলগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম বরাবরে লিখিত আবেদনে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন।

[৩] অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জুলাই ভবনের ছাদে কাপড় শুকাতে গিয়ে অসাবধানতাবশত ভবনের ভাড়াটে মুন্নী বেগম চলমান বৈদ্যুতিক তারে বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হয়। তাকে উদ্ধার করে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়ার পর মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। দুই হাত ও পেট পুড়ে বড় ধরণের ক্ষতের সৃষ্টি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের শেখ হাসিনা বার্ণ ইউনিটে ভর্তি করা হয়। ভবন মালিক আব্দুল করিম বলেন, ঘটনার পরদিন ৫ জুলাই পবিস কমলগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম-এর কাছে লিখিত আবেদন করা হয়। যার অনুলিপি প্রদান করা হয় চেয়ারম্যান বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন, মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জিএম, কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমলগঞ্জ থানাসহ বিভিন্ন দপ্তরে। তবে এখন পর্যন্ত কোন তদন্ত করা হয়নি। এদিকে আহত মুন্নী বেগমের অবস্থা খুবই খারাপ।

[৪] আহত কিশোররীর ভাই মোবারক হোসেন বলেন, আশ্চর্যের বিষয় যে, এমনিতেই অনিয়ম করে ভবনের ছাদের ওপর দিয়ে বৈদ্যূতিক তার নেওয়া হয়েছে। তার পর এতবড় দূর্ঘটনা হলো এবং দূর্ঘটনার পরদিনই পবিস কমলগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ে আবেদন করলেও পবিস থেকে কোন তদন্ত হয়নি। এখন তার বোনের অবস্থা এতই খারাপ যে সে যে কোন সময়ে মারা যেতে পারে। তিনি পবিস ও প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানান, সুষ্ঠু তদন্তক্রমে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে বিহিত ব্যবস্থা গ্রহন করতে।

[৫] এ কাজের দায়িত্বপ্রাপ্ত ঠিকাদার আব্দুল মালিক বলেন, এ ধরণের ঘটনার কথা তিনি জানেন না। তবে কাজের স্থানে দায়িত্বপ্রাপ্ত তার ফোরম্যান বলতে পারবেন বলে জানান।

[৬] মৌলভীবাজার পল্লী বিদ্যুৎ বিদ্যুৎ সমিতি কমলগঞ্জ আঞ্চলিক কার্যালয়ের ডিজিএম প্রকৌশলী গণেশ চন্দ্র দাশ বলেন, কাজের ব্যস্ততার কারণে তদন্ত কাজে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। তবে গুরুত্বসহকারে অভিযোগের তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত