শিরোনাম
◈ বিএসটিআইয়ের পরীক্ষায় মানহীন ১০ পণ্য, ক্রয় না করতে ভোক্তাদের পরামর্শ ◈ হামের উপসর্গে আরও ৭ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত ১,১৭১ ◈ মন্ত্রিসভায় সেপ্টেম্বরের শুরুতেই উঠছে পে স্কেলের প্রস্তাব, জানা গেল গেজেট জারির সম্ভাব্য সময় ◈ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগে নতুন নির্দেশনা ◈ মহানবীর (সা.) আদর্শে ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গড়ার আহ্বান রিজভীর ◈ বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের সব ধরনের ভিসা সাক্ষাৎকার স্থগিত ◈ পাকিস্তানে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে ১৫ নবজাতকের মৃত্যু ◈ বাংলাভাষী মুসলিমদের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক অপরাধ বন্ধে ভারতকে জাতিসংঘের কড়া সতর্কবার্তা ◈ তারেক রহমানের প্রস্তাবিত ভারত সফর নিয়ে দিল্লি কী ভাবছে? ◈ লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা সীমান্তে বাংলাদেশি কৃষকদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, রাইফেল ফেলে পালালো বিএসএফ সদস্য

প্রকাশিত : ১৬ জুলাই, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিএনপি নেতাদের নজরদারিতে শিমুল বিশ্বাস!

ডেস্ক রিপোর্ট : জামিন পাওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে নেতাদের সাক্ষাতের অনুমতি নেই। তবে বিশেষ সহকারি শিমুল বিশ্বাসের জন্য খালেদার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার দরজা সব সময় খোলা। নানা কারণে পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কোন নেতার সঙ্গে দেখা করেন না বেগম জিয়া। সেখানে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন শিমুল বিশ্বাস। এ নিয়ে নতুন করে অবিশ্বাস দানা বাঁধতে শুরু করেছে দলটিতে। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, শিমুল বিশ্বাসের প্রতি অবিশ্বাস রয়েছে বিএনপি নেতাদের। কেননা তার কারণেই অনেক বাঘা বাঘা নেতা কোণঠাসা, দলও সংকটে। ডেইলি বাংলাদেশ

এদিকে খালেদার জামিনের পর শিমুল বিশ্বাসের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় তাকে ফের নজরদারিতে রেখেছেন বিএনপি নেতারা।

দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেগম জিয়া কোন নেতাকর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন না। এই সময়ে ফিরোজায় শুধুমাত্র ঢোকার অনুমতি রয়েছে পরিবারের সদস্যদের। তবে পরিবারের সদস্যের বাইরে শুধু শিমুল বিশ্বাস বেগম জিয়ার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।

সূত্রটি আরো জানায়, ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি প্রধানের যে কয়টি সিদ্ধান্ত ভুল বলে সমালোচিত হয়েছে, সেই সিদ্ধান্তগুলোর পিছনে শিমুল বিশ্বাসের ইন্ধন ছিল। ঢাকা সফররত ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলসহ বেশ কিছু হঠকারি সিদ্ধান্তের পেছনে ছিলেন শিমুল বিশ্বাস।

অনেক নেতাদের মতে, তখন বিএনপির রাজনীতিতে শিমুল বিশ্বাসের এতটাই প্রভাব ছিল যে গুলশান কার্যালয়ে খালেদার সঙ্গে দেখা করতে গেলেও অনুমতি নিতে হতো তার কাছ থেকে।

রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শিমুল বিশ্বাসের আগ বাড়িয়ে কথা বলা এবং খালেদার সঙ্গে নেতাদের দেখা করার ক্ষেত্রে তার বাড়াবাড়িতে অনেক নেতাই তাকে সন্দেহের চোখে দেখতেন। তবে সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলেনি খালেদা জিয়ার বিরাগভাজন হওয়ার শঙ্কায়।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির দায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে সেদিনই গ্রেফতার হন শিমুল বিশ্বাস। ২০১৯ সালের মে মাসে তিনি মুক্তি পান। তখন থেকে তিনি নিষ্ক্রিয় ছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা মুক্তির পর আবারো বিএনপি চেয়ারপার্সনের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সক্রিয় হয়েছেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির সিনিয়র এক নেতা বলেন, যেখানে করোনা কালীন পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্য ছাড়া বেগম জিয়া কোন নেতার সঙ্গে দেখা করেন না। সেখানে শিমুল বিশ্বাস কিভাবে যায়?

তিনি আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেগম জিয়া রাজনীতি শূন্য। সেখানে এখন শিমুল বিশ্বাসের কাজ কী?

প্রসঙ্গত, বাম ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা শিমুল বিশ্বাস এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর হঠাৎ খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারি হিসেবে আবির্ভূত হন। এ পদে তিনি কখন কীভাবে এসেছেন তা অনেকেরই অজানা।

  • সর্বশেষ