শিরোনাম
◈ বুকিং ডটকমে ভুয়া তালিকা ও ফিশিং প্রতারণা ঠেকাতে ইইউর কড়া নির্দেশ, পেইড তালিকায় স্বচ্ছতার তাগিদ ◈ মানিকগঞ্জে গ্যাস অনুসন্ধানে নতুন কূপ খনন করবে বাপেক্স, সম্ভাবনা ঢাকায় গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর ◈ সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে যা জানালো মিশন ◈ দুবাই-শারজাহজুড়ে বাতাসে জ্বালানি তেলের গন্ধ, কারণ অনুসন্ধানে তদন্তে কর্তৃপক্ষ ◈ মক্কায় আকস্মিক বন্যায় ভেসে গেল ৩ শিশু, একজনের মৃত্যু, নিখোঁজ আরেকজন ◈ অতিরিক্ত ডিআইজির বাড়িতে মাসে ২০ দিন ডিজে পার্টি, সিসা সেবন, অশালীন নাচ ও উচ্চ শব্দে অতিষ্ঠ প্রতিবেশীরা(ভিডিও) ◈ ডিভি লটারি ২০২৭ নিবন্ধন নিয়ে নতুন জটিলতা, আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের আপিল ◈ ইরাকের কুর্দিস্তানে প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর, ভিসা ও রেসিডেন্সি জরিমানায় ৭৫% ছাড় ◈ নভেম্বর থেকে পিঠা-পুরি, ঝালমুড়ির দোকানসহ সব খাদ্য ব্যবসা লাইসেন্স বাধ্যতামূলক, না মানলে শাস্তি ◈ অনূর্ধ্ব-১৯ নারী বিশ্বকাপ শুরু ২১ জানুয়ারি, বাংলা‌দে‌শের প্রথম ম্যাচ আমিরাতের বিপক্ষে

প্রকাশিত : ১৬ জুলাই, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল
আপডেট : ১৬ জুলাই, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিএনপি নেতাদের নজরদারিতে শিমুল বিশ্বাস!

ডেস্ক রিপোর্ট : জামিন পাওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়ার সঙ্গে নেতাদের সাক্ষাতের অনুমতি নেই। তবে বিশেষ সহকারি শিমুল বিশ্বাসের জন্য খালেদার গুলশানের বাসভবন ফিরোজার দরজা সব সময় খোলা। নানা কারণে পরিবারের সদস্য ছাড়া অন্য কোন নেতার সঙ্গে দেখা করেন না বেগম জিয়া। সেখানে নিয়মিত যোগাযোগ করছেন শিমুল বিশ্বাস। এ নিয়ে নতুন করে অবিশ্বাস দানা বাঁধতে শুরু করেছে দলটিতে। বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, শিমুল বিশ্বাসের প্রতি অবিশ্বাস রয়েছে বিএনপি নেতাদের। কেননা তার কারণেই অনেক বাঘা বাঘা নেতা কোণঠাসা, দলও সংকটে। ডেইলি বাংলাদেশ

এদিকে খালেদার জামিনের পর শিমুল বিশ্বাসের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় তাকে ফের নজরদারিতে রেখেছেন বিএনপি নেতারা।

দলীয় সূত্র থেকে জানা গেছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেগম জিয়া কোন নেতাকর্মীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন না। এই সময়ে ফিরোজায় শুধুমাত্র ঢোকার অনুমতি রয়েছে পরিবারের সদস্যদের। তবে পরিবারের সদস্যের বাইরে শুধু শিমুল বিশ্বাস বেগম জিয়ার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ করে যাচ্ছেন।

সূত্রটি আরো জানায়, ২০১১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিএনপি প্রধানের যে কয়টি সিদ্ধান্ত ভুল বলে সমালোচিত হয়েছে, সেই সিদ্ধান্তগুলোর পিছনে শিমুল বিশ্বাসের ইন্ধন ছিল। ঢাকা সফররত ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জির সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত বৈঠক বাতিলসহ বেশ কিছু হঠকারি সিদ্ধান্তের পেছনে ছিলেন শিমুল বিশ্বাস।

অনেক নেতাদের মতে, তখন বিএনপির রাজনীতিতে শিমুল বিশ্বাসের এতটাই প্রভাব ছিল যে গুলশান কার্যালয়ে খালেদার সঙ্গে দেখা করতে গেলেও অনুমতি নিতে হতো তার কাছ থেকে।

রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শিমুল বিশ্বাসের আগ বাড়িয়ে কথা বলা এবং খালেদার সঙ্গে নেতাদের দেখা করার ক্ষেত্রে তার বাড়াবাড়িতে অনেক নেতাই তাকে সন্দেহের চোখে দেখতেন। তবে সেই সময়ে তার বিরুদ্ধে কেউ কথা বলেনি খালেদা জিয়ার বিরাগভাজন হওয়ার শঙ্কায়।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতির দায়ে খালেদা জিয়া কারাগারে গেলে সেদিনই গ্রেফতার হন শিমুল বিশ্বাস। ২০১৯ সালের মে মাসে তিনি মুক্তি পান। তখন থেকে তিনি নিষ্ক্রিয় ছিলেন। পরবর্তীতে খালেদা মুক্তির পর আবারো বিএনপি চেয়ারপার্সনের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সক্রিয় হয়েছেন তিনি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দলটির সিনিয়র এক নেতা বলেন, যেখানে করোনা কালীন পরিস্থিতিতে পরিবারের সদস্য ছাড়া বেগম জিয়া কোন নেতার সঙ্গে দেখা করেন না। সেখানে শিমুল বিশ্বাস কিভাবে যায়?

তিনি আরো বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে বেগম জিয়া রাজনীতি শূন্য। সেখানে এখন শিমুল বিশ্বাসের কাজ কী?

প্রসঙ্গত, বাম ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসা শিমুল বিশ্বাস এক-এগারোর পটপরিবর্তনের পর হঠাৎ খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারি হিসেবে আবির্ভূত হন। এ পদে তিনি কখন কীভাবে এসেছেন তা অনেকেরই অজানা।

  • সর্বশেষ