প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] রেড থেকে ইয়েলো জোনে মানিকগঞ্জের ৭ এলাকা

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: [২] জেলায় রেড জোনে থাকা সাতটি এলাকাকে ইয়েলো জোন ঘোষণা করা হয়েছে।করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে ১৯ দিন লকডাউন থাকার পর সংক্রমণ কমে যাওয়ায় এ ঘোষণা দেয়া হয়।
শনিবার বিকেলে করোনা প্রতিরোধ কমিটির সদস্যসচিব ও সিভিল সার্জন আনোয়ারুল আমিন আখন্দ এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

[৩] অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় গত ১৫ই জুন রাত ৮ টার পর থেকে মানিকগঞ্জ শহরের উত্তর সেওতা, গঙ্গাধরপট্টি ও পশ্চিম দাশড়া, সাটুরিয়া উপজেলার সাটুরিয়া সদর ও ধানকোড়া ইউনিয়ন এবং সিংগাইর উপজেলার সিংগাইর পৌরসভা ও জয়মন্টপ ইউনিয়নকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকেই এসব এলাকায় লকডাউন কার্যকর করা হয়।

[৪] শনিবার জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌসের সভাপতিত্বে করোনা প্রতিরোধ কমিটির সভায় সবার মতামতের ভিত্তিতে এলাকাগুলো ইয়েলো জোন ঘোষণা করা হয়।

[৫] করোনা প্রতিরোধ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রেড জোন থেকে ইয়েলো জোনে উন্নিত হওয়ায় রোববার থেকে জেলা শহরের সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিপণি বিতান ও দোকানপাট খোলা থাকবে। তবে জেলা শহরের প্রধান শহীদ রফিক সড়কে যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। গঙ্গাধরপট্টি ও গার্লস স্কুল সড়ক দুটি দিয়ে যানবাহন চলাচল করতে পারবে।

[৬] জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, রেড জোনভুক্ত এলাকাগুলোতে প্রথম পর্যায়ে ৮৭ জন রোগী থাকলেও পরে নতুন করে ৪২ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ১৫ই জুন থেকে ৪ঠা জুলাই পর্যন্ত ১৯ দিন ঘোষিত রেড জোন এলাকায় লকডাউন কার্যকর করা হয়। এ সময়কালে মোট সংক্রমিত ১২৯ জনের মধ্যে ১০১ জন সুস্থ হয়ে ওঠেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে রেড জোনভুক্ত ওই সাতটি এলাকাকে ইয়েলো জোন হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়। বর্তমানে ২৮ জন সংক্রমিত ব্যক্তি নিজ নিজ বাসায় চিকিৎসাধীন আছেন।

[৭] স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানায়, এখন পর্যন্ত জেলার ৭ টি উপজেলা থেকে ৬ হাজার ১১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। নমুনা পরীক্ষায় তাদের মধ্যে ৬১২ জনের করোনা পজিটিভ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে পুরুষ ৪৩৪ জন ও নারী ১৭৮ জন রয়েছেন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ৪৮৮ জন। অবশিষ্ট ১২৪ জনের মধ্যে ২০ জন হাসপাতালে এবং ১০৪ জন নিজ নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে। সম্পাদনা: জেরিন আহমেদ

সর্বাধিক পঠিত