প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মুগদা হাসপাতালে রোগীর স্বজন ও সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় দুই আনসার সদস্য প্রত্যাহার

সুজন কৈরী : [২] বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপ-পরিচালক (যোগাযোগ) মেহেনাজ তাবাস্সুম রেবিন বলেন, ঘটনার পরপরই জড়িত দুই আনসার সদস্য রফিকুল ইসলামকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

[৩] তিনি আরও বলেন, আনসার সদস্যরা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করেন। মুগদা হাসপাতালে দায়িত্বরত আনসার সদস্যরা চাইলে নিজেই নমুনা পরীক্ষা বন্ধ করতে পারেন না। তারা হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ীই বন্ধ করার কথা বলেছেন। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর হঠাৎ করে বন্ধ করার কথা বলার বিষয়টি সেখানে হয়তো রোগী বা সেবা প্রত্যাশি মেনে নিতে পারেননি। এরপর অনাকাঙ্খিত ঘটনাটি ঘটে।

[৪] মুগদা জেনারেল হাসপাতাল আনসার ক্যাম্পের সহকারী কমান্ডার রফিকুল ইসলাম জানিয়েছেন, ক্যাম্প থেকে আনসার সদস্য আফসারসহ দুজনকে প্রত্যাহার করে নেয়া হয়েছে।

[৫] জানা গেছে, শুক্রবার সকালে হাসপাতালে করোনা টেস্টের জন্য ৪০ জনকে টিকিট দেয়া হয়। কিন্তু ৩৪ জনের পর বেলা ১১টার দিকে আনসার সদস্যরা জানায় আর পরীক্ষা হবে না। ওই সময় ক্যানসার আক্রান্ত মায়ের কোভিড-১৯ পরীক্ষার জন্য লাইনে দাড়িয়ে থাকা সন্তানের সঙ্গে আনসার সদস্যদের বাকবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে আনসার সদস্যরা তার গায়ে হাত তুললে হাতাহাতি শুরু হয়। ওই ঘটনার ছবি তোলার সময় নারী সাংবাদিকসহ দুই সাংবাদিকের ওপর চড়াও হয় আনসার সদস্যরা। দুই সাংবাদিককে বেঁধে রাখারও হুমকি দেওয়া হয়। হাসপাতালের প্রধান ফটকের ভেতরে দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিনের ফটো সাংবাদিক জয়ীতা রায় ও দৈনিক দেশ রূপান্তরের ফটো সাংবাদিক হারুন অর রশীদ ওরফে রশীদ রুবেলের ওপর এই হামলার ঘটনা ঘটে।

[৬] মুগদা থানার ওসি প্রলয় কুমার সাহা বলেন, সাংবাদিকের ওপর হামলা বা ক্যামেরা ভাঙচুরের বিষয়ে থানায় কেউ কোনো অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। সম্পাদনা : রায়হান রাজীব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত