প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সওগাত আলী সাগর: শিক্ষা আর অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে কি কোভিড-১৯ এর কোনো সম্পর্ক আছে?

সওগাত আলী সাগর: শিক্ষা আর অর্থনৈতিক অবস্থার সঙ্গে কি করোনা ভাইরাসের কোনো সম্পর্ক আছে? এই প্রশ্নটা আলোচিত হচ্ছে পশ্চিমা বিশ্বে। টরন্টো পাবলিক হেলথ তথ্য উপাত্ত দিয়েই দেখিয়ে দিয়েছেÑ এই সম্পর্কটা কতো নিবিড়। করোনায় আক্রান্তদের গোত্র, বর্ণ, কোন দেশ থেকে আসা এইসব নিয়ে জরিপ করার প্রস্তাবটা যখন প্রথম ওঠে- অনেকেই তখন ভ্রু কুঁচকিয়েছিলন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত হেলথ কানাডা এই সব তথ্য সংগ্রহে সম্মত হয়। কানাডার সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ শহর টরন্টো ২ জুলাই একটা বিশ্লেষণ প্রকাশ করলো। তাতে দেখা যায়- নাগরিকদের আর্থিক অবস্থা, কেমন বাড়িতে বসবাস করেন আর কোন গোত্রের (কোন দেশ থেকে আসা অর্থে) সঙ্গে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের সম্পর্কটা নিবিড়।

টরন্টো পাবলিক হেলথের বিশ্লেষণে দেখা যায়, অর্থিকভাবে স্বচ্ছল, কম লোকজন বসবাস করেন এমন নেইবারহুড আর সাদারা করোনা ভাইরাসে একেবারেই কম আক্রান্ত হয়েছে। সংখ্যাটাই এতোই কম যে এরা আক্রান্ত হয়ই নি বলা চলে। তা হলে সবচেয়ে আক্রান্ত হলো কারা? ‘কালো’রা টরন্টোয় করোনাভাইরাসে আক্রান্তদের সংখ্যায় শীর্ষে। যেই এলাকাগুলোতে ভাইরাসের সংক্রমণ বেশি হয়েছে, সেই এলাকাগুলোয় কালোদের বসবাস সবচেয়ে বেশি। ল্যাটিন আমেরিকা, সাউথ এশিয়া আর সাউথ ইস্ট এশিয়ানরাও সংক্রমণের সংখ্যায় শীর্ষ তালিকায়ই রয়েছে। ইস্ট এশিয়ান আর সাদারা রয়েছেন তালিকার একেবারে নীচের দিকে। টরন্টোর হিসাবটা বিবেচনায় নিলে অর্থনৈতিকভাবে অস্বচ্ছলরা করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন- এই উপসংহারে সহজেই পৌঁছা যায়।

কিন্তু বাংলাদেশের চিত্রটাও কি একই রকম! তার পক্ষে তেমন জোড়ালো প্রমাণ প্ওায়া যায় না। টরন্টোর ফর্মূলা অনুসারে বাংলাদেশের রোহিঙ্গা শিবির কিংবা বস্তি এলাকায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ হওয়ার কথা! কিন্তু বাস্তবতা সেটা ঘটেছে বলে প্রমান দেয় না। তা হলে সমস্যাটা কোথায়? পশ্চিমের ধনীদেশগুলোয় অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী,এলাকা ভাইরাসে সবচেয়ে সংক্রমিত হলেও বাংলাদেশে সেটি হুবহু ঘটেনি। এইসব নিয়ে নিশ্চয় আরো গবেষণা হবে। ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত