প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] আইসিসির বাউন্সার আইনেও ‘বর্ণবাদ’ দেখছেন স্যামি

স্পোর্টস ডেস্ক : [২] যুক্তরাষ্ট্রে জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর পর বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে উত্তাল সারা বিশ্ব। টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক ড্যারেন স্যামিও সরব হয়েছেন ক্রিকেটে বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে। তারই ধারাবাহিকতায় এবার তিনি ক্রিকেটে বহুল প্রচলিত বাউন্সার দেওয়ার নিয়মেও বর্ণবৈষম্য খুঁজে পেয়েছেন।

[৩] ‘ফায়ার ইন ব্যাবিলন’ নামে এক তথ্যচিত্রের এমন মন্তব্য করেছেন স্যামি। তার মতে, ক্যারিবিয়ান বোলারদের দাপট কমানোর উদ্দেশ্যেই বাউন্সারে বিধি-নিষেধ জারি করা হয়েছিল।

[৪] ১৯৭০-৮০ সালের বিধ্বংসী ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের দাপটের ছবি আছে। তিনি বলেন, ‘অস্ট্রেলিয়ার জেফ টমসন-ডেনিস লিলি এবং অন্যরাও জোরে বল করতো, ব্যাটসম্যানদের আহত করতো। কিন্তু যেই একটা কালো দল বিধ্বংসী হয়ে উঠলো, তখনই বাউন্সারের নিয়ম চালু হয়।’

[৫] স্যামি বলেন, ‘আমার কাছে এটা হলো কৃষ্ণাঙ্গ একটা দলের সাফল্যকে আটকে দেওয়ার প্রচেষ্টা। আমার ভুল হতেই পারে, তবে আমি এভাবেই দেখছি। আর এটা করা উচিত হয়নি।’

[৬] ১৯৯১ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল প্রত্যেক ওভারে ব্যাটসম্যানকে একটা বাউন্সার দেওয়ার নিয়ম চালু করেছিল। তবে সেই নিয়ম ক্রিকেটার-আম্পায়াররা ভালোভাবে না নেওয়ায় ১৯৯৪ সালে আইসিসি ওভারপ্রতি দুটি বাউন্সারের নিয়ম চালু করে। নিয়ম ভাঙলে পেনাল্টি ছিল দুই রান।

[৭] ২০০১ সালে ওয়ানডে ক্রিকেটে ওভারপ্রতি একটা বাউন্সারের নিয়ম চালু হয়। নিয়ম ভাঙলে নো-বল হিসেবে এক রান পেত ব্যাটিং দল। তবে ২০১২ সালে সেটি দাঁড়ায় ওভারপ্রতি দুই বাউন্সারে। টেস্ট ও ওয়ানডে ফরম্যাটে ওভারে দুটির বেশি বাউন্সার দেওয়া যাবে না। আর টি-টোয়েন্টিতে ওভারপ্রতি একটার বেশি বাউন্সার দেওয়ার নিয়ম নেই।

[৮] স্যামি বলেন, ‘হাঁটু গেড়ে ঘাড়ে পা দিয়ে চেপে থাকার ঘটনা অনেক কিছু মনে করাচ্ছে। এভাবেই ভাগ্যহীনদের শোষণ করছেন ক্ষমতাধররা।’

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত