প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

এ বি এম কামরুল হাসান: ভেন্টিলেটরের আগে অক্সিজেন নিয়ে ভাবা জরুরি

কোবিড -১৯ এ আক্রান্তের অর্ধেকের কোনো উপসর্গ থাকে না। বাকি অর্ধেকের কম-বেশি উপসর্গ থাকে। মোট আক্রান্তের ৫-১৫ ভাগ রোগীদের আই সি ইউ বা ভেন্টিলেটরের প্রয়োজন হতে পারে। বাকিদের জন্য দরকার অক্সিজেন। চীন এবং যুক্তরাজ্যর প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী ভেন্টিলেটরে যাওয়া রোগীদের মৃত্যুর সংখ্যা ৯০ ভাগ। তাই ভেন্টিলেটরের আগে আমাদের অক্সিজেন নিয়ে ভাবা জরুরি। সময়মতো এবং পরিমাণমতো অক্সিজেন দিলে রোগীর আই সি ইউ এর প্রয়োজনীয়তাও কমে আছে। পত্রিকায় দেখলাম, হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেনের ঘাটতি রয়েছে ।দেশে অক্সিজেন প্রস্তুত ও সরবরাহ করে দুটি কোম্পানি – লিন্ডা এবং স্পেক্ট্রা। এটা তারা করে দুভাবে। তরল অক্সিজেন ট্যাংকে করে নিয়ে হাসপাতালের ট্যাংকে পৌঁছে দেয়। সেখান থেকে আবার গ্যাস হয়ে পাইপলাইনের মাধ্যমে রোগীর কাছে পৌঁছে। সেটা দেশের বড় বড় হাসপাতালে আছে। নতুন করে স্থাপন করা সময়সাপেক্ষ। দ্বিতীয়ত, সিলিন্ডারের মাধ্যমে রোগীর কাছে পৌঁছানো হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, ছোট একটি সিলিন্ডার থেকে প্রতি মিনিটে ১০ লিটার করে দিলে ২৪ ঘন্টায় তার ৭টি সিলিন্ডার লাগবে। প্রস্তুতকারীদের চাহিদামাফিক সরবরাহের সক্ষমতা থাকলেও রয়েছে সিলিন্ডারের অভাব। সেকারণেই বাজারে ৫ হাজার টাকার সিলিন্ডার ৪/৫ গুন্ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। চাহিদার সুযোগে বাজারে আসছে কম মানের, কম দামের চীনে তৈরী সিলিন্ডার, যেটার অনুমোদন নাই। সিলিন্ডারের ভেতর অক্সিজেন খুব চাপে ঢুকাতে হয়। তাই নিন্মমানের সিলিন্ডার ব্যবহারে বড় ধরণের দূর্ঘটনা হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ থেকে পরিত্রানের উপায় হলো, জরুরিভিত্তিতে মানসম্মত সিলিন্ডার আমদানি করে অনুমোদন সার্টিফিকেট সহ বাজারজাত করা। সরকারি বা বেসরকারি- যে কোনো পর্যায় থেকে এ উদ্যোগ গ্রহণ খুবই জরুরি। লেখকঃ প্রবাসী চিকিৎসক

সর্বাধিক পঠিত