শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালি বন্ধ: বিশ্বে কার কাছে কত তেল মজুত, কারা টিকবে দীর্ঘদিন? ◈ যেভাবে খামেনিকে হত্যার ছক কষেছিলেন ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু: গোপন ফোনালাপ ফাঁস ◈ নারায়ণগঞ্জে চাঁদা না দেওয়ায় বাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ (ভিডিও) ◈ ইরানের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস সম্ভব নয়, মিথ্যা বন্ধ করুন: ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ◈ ২৬ মার্চ প্যারেড স্কয়ারে কুচকাওয়াজ, উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী-রাষ্ট্রপতি ◈ হা‌বিবুল বাশার সুমন জাতীয় দ‌লের প্রধান নির্বাচক ◈ ট্রাম্পের আলোচনার দাবি উড়িয়ে দিল ইরান ◈ অস্ট্রেলিয়ার পার্লামেন্টে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব উত্থাপন ◈ ২৫ মার্চ কালরাত: এক মিনিটের প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করবে দেশ ◈ সাভারের কুখ্যাত সিরিয়াল কিলার সেই ‘সাইকো সম্রাট’ কারাগারে মারা গেছে, শেষ হলো অপরাধ অধ্যায়

প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২০, ০৮:৪১ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২০, ০৮:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভারতে গয়না ছাড়াই অনেকেই বিয়ের পর্ব সেরে ফেলছেন রেজিস্ট্রি করে গ্রামে-গঞ্জে

শাহীন খন্দকার : [২] করোনাভাইরাস নিয়ে নানা কথা রটছে ,তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে জীবনেও। যেমন, কোনও ভাবে রটে গিয়েছে, ধাতুর উপরে এই ভাইরাস বেশি দিন বেঁচে থাকে। সেই আতঙ্কে সোনার গয়না কিনতে চাইছেন না অনেকেই। বেলডাঙা বঙ্গীয় স্বর্ণ-শিল্পী সমিতির সম্পাদক অভিমন্যু কর্মকার বলেন, “যাঁরা নাকছাবির কারবার করেন, তাঁদের অবস্থা সব থেকে খারাপ। তিনিই বলেন, ‘‘একটা কথা রটেছে যে, সোনার গয়না নাকি করোনাভাইরাসকে দীর্ঘ ক্ষণ রাখতে পারে। এটা ঠিক নয়, কিন্তু মানুষ বিশ্বাস করছেন।

[৩] তাই আংটি বা নাকছাবি পরার ভয়ে অনুষ্ঠান না করে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যাতে বেশি সোনা না কিনে ও গয়না না পরে বিয়ে হয়। তিনি বলেন, ‘‘সোনার দামও যেভাবে বেড়েছে, তাতেও অনেক দিন ধরেই মানুষ গয়না কেনার কথা ভাবছেন না। সোনার ব্যবসাও তাই গত ছ’মাস ধরে পতনের দিকে। সোনার গয়নার মধ্যে বেলডাঙার নাকছাবি খুবই জনপ্রিয়। সেই নাকছাবি নিয়েই হয়েছে সব থেকে বেশি সমস্যা।

[৪] গত ২০-৩০ বছর যাঁরা নাকছাবির কারবারের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা বলছেন এই অবস্থা আগে দেখেননি। কবে এই মন্দাদশা কাটবে তাও কেউ বুঝতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার বেলডাঙায় ১০ গ্রাম পাকা সোনার দাম ছিল ৪৬, ৩০০ হাজার টাকা। অবস্থাটা ঠিক কেমন, তা বুঝতে গেলে কয়েক মাস পিছিয়ে যেতে হবে। গত ডিসেম্বরের এনআরসি ও সিএএ বিরোধী ক্ষোভের আঁচ পরে জেলায়। ট্রেন ও স্টেশন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তার জেরে বেলডাঙার নাকছাবি শিল্পে সরাসরি প্রভাব পডে।

[৫] বেলডাঙার হাতে তৈরি নাকছাবি সারা দেশে নানা হাত ঘুরে বিক্রি হয়। কিন্তু রেলপথ বন্ধ থাকায় কারবার শিকেয় ওঠে। এই জের মিটতে না মিটতে করোনা আতঙ্ক মানুষকে গ্রাস করে। তারপর টানা লকডাউন ও সোনার আকাশছোঁয়া দাম। সব মিলে সোনার কারবারকে অনিশ্চিত করে দেয়। গত ২০ বছর ধরে নাকছবি কারবারে যুক্ত হিমাংশু রজক বলেন, “আমি ১৯৯৯ সালের অক্টোবর থেকে নাকছাবি কারবারে রয়েছি। ২০০০ সালে বন্যা হয়েছে।তথ্য আনন্দবাজার,

[৬] তখন রেলপথ ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই একটানা মন্দা কেউ দেখেনি। বেলডাঙায় প্রায় ৩০০০ মানুষ এই কারবারে নানা ভাবে যুক্ত। তাঁদের অনেকেই অভাব অনটনে দিন কাটাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের মনোরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “ইউনিভার্সিটি অফ লস অ্যাঞ্জেলসের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করোনাভাইরাস বাস্পীভূত কণাতে তিন চার ঘণ্টা থাকতে পারে। ঠিক একই সময় ধাতব পদার্থে থাকতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়