শিরোনাম
◈ স্বর্ণের দামে বিয়ের ঐতিহ্যে ধাক্কা, দক্ষিণ এশিয়ায় গয়নার বদলে কৃত্রিম বিকল্পের দিকে ঝুঁকছেন মানুষ! ◈ এসএসসি পরীক্ষায় ফের আসছে ‘সাইলেন্ট এক্সপেল’, এটি কীভাবে করা হয় ◈ ঝিনাইদহ ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্ত দিয়ে যাচ্ছে সোনা, আসছে মাদক! ◈ বিশ্বের অন্য যেকোনো অঞ্চলের চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে তেল, গ্যাস বেশি কেন? ◈ কাতার প্রস্তাবসহ সব পরিকল্পনা নাকচ, শেখ হাসিনার অনড় অবস্থানে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন অনিশ্চিত ◈ ড্র করেও চ‌্যা‌ম্পিয়ন্স লি‌গের সে‌মিফাইনা‌লে আর্সেনাল ◈ যে কারণে স্থগিত হয়ে গেল সারা দেশের আইনজীবীদের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের নির্বাচন ◈ শ্বাসরুদ্ধকর ম‌্যা‌চে  রিয়াল মা‌দ্রিদ‌কে হা‌রি‌য়ে সে‌মিফাইনা‌লে বায়ার্ন মিউনিখ ◈ এনসিপি যুক্ত হচ্ছেন নিষ্ক্রিয় জুলাই নেতারা, শক্তি বাড়ানোর উদ্যোগ ◈ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থে‌কে রুবেলের বিদায়

প্রকাশিত : ০৫ জুন, ২০২০, ০৮:৪১ সকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২০, ০৮:৪১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] ভারতে গয়না ছাড়াই অনেকেই বিয়ের পর্ব সেরে ফেলছেন রেজিস্ট্রি করে গ্রামে-গঞ্জে

শাহীন খন্দকার : [২] করোনাভাইরাস নিয়ে নানা কথা রটছে ,তার সরাসরি প্রভাব পড়ছে জীবনেও। যেমন, কোনও ভাবে রটে গিয়েছে, ধাতুর উপরে এই ভাইরাস বেশি দিন বেঁচে থাকে। সেই আতঙ্কে সোনার গয়না কিনতে চাইছেন না অনেকেই। বেলডাঙা বঙ্গীয় স্বর্ণ-শিল্পী সমিতির সম্পাদক অভিমন্যু কর্মকার বলেন, “যাঁরা নাকছাবির কারবার করেন, তাঁদের অবস্থা সব থেকে খারাপ। তিনিই বলেন, ‘‘একটা কথা রটেছে যে, সোনার গয়না নাকি করোনাভাইরাসকে দীর্ঘ ক্ষণ রাখতে পারে। এটা ঠিক নয়, কিন্তু মানুষ বিশ্বাস করছেন।

[৩] তাই আংটি বা নাকছাবি পরার ভয়ে অনুষ্ঠান না করে রেজিস্ট্রি করে বিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যাতে বেশি সোনা না কিনে ও গয়না না পরে বিয়ে হয়। তিনি বলেন, ‘‘সোনার দামও যেভাবে বেড়েছে, তাতেও অনেক দিন ধরেই মানুষ গয়না কেনার কথা ভাবছেন না। সোনার ব্যবসাও তাই গত ছ’মাস ধরে পতনের দিকে। সোনার গয়নার মধ্যে বেলডাঙার নাকছাবি খুবই জনপ্রিয়। সেই নাকছাবি নিয়েই হয়েছে সব থেকে বেশি সমস্যা।

[৪] গত ২০-৩০ বছর যাঁরা নাকছাবির কারবারের সঙ্গে যুক্ত, তাঁরা বলছেন এই অবস্থা আগে দেখেননি। কবে এই মন্দাদশা কাটবে তাও কেউ বুঝতে পারছেন না। বৃহস্পতিবার বেলডাঙায় ১০ গ্রাম পাকা সোনার দাম ছিল ৪৬, ৩০০ হাজার টাকা। অবস্থাটা ঠিক কেমন, তা বুঝতে গেলে কয়েক মাস পিছিয়ে যেতে হবে। গত ডিসেম্বরের এনআরসি ও সিএএ বিরোধী ক্ষোভের আঁচ পরে জেলায়। ট্রেন ও স্টেশন পুড়িয়ে দেওয়া হয়। তার জেরে বেলডাঙার নাকছাবি শিল্পে সরাসরি প্রভাব পডে।

[৫] বেলডাঙার হাতে তৈরি নাকছাবি সারা দেশে নানা হাত ঘুরে বিক্রি হয়। কিন্তু রেলপথ বন্ধ থাকায় কারবার শিকেয় ওঠে। এই জের মিটতে না মিটতে করোনা আতঙ্ক মানুষকে গ্রাস করে। তারপর টানা লকডাউন ও সোনার আকাশছোঁয়া দাম। সব মিলে সোনার কারবারকে অনিশ্চিত করে দেয়। গত ২০ বছর ধরে নাকছবি কারবারে যুক্ত হিমাংশু রজক বলেন, “আমি ১৯৯৯ সালের অক্টোবর থেকে নাকছাবি কারবারে রয়েছি। ২০০০ সালে বন্যা হয়েছে।তথ্য আনন্দবাজার,

[৬] তখন রেলপথ ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। এই একটানা মন্দা কেউ দেখেনি। বেলডাঙায় প্রায় ৩০০০ মানুষ এই কারবারে নানা ভাবে যুক্ত। তাঁদের অনেকেই অভাব অনটনে দিন কাটাচ্ছে। এই প্রসঙ্গে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের মনোরোগ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, “ইউনিভার্সিটি অফ লস অ্যাঞ্জেলসের গবেষণায় দেখা গিয়েছে, করোনাভাইরাস বাস্পীভূত কণাতে তিন চার ঘণ্টা থাকতে পারে। ঠিক একই সময় ধাতব পদার্থে থাকতে পারে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়