শিরোনাম
◈ অ্যাপস ভিত্তিক রাইড পাঠাওয়ের ১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহকের তথ্য চুরির দাবি, মুক্তিপণ চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ডলার ◈ শক্তিশালী হচ্ছে এল নিনো, ডিসেম্বরে চূড়ায় উঠতে পারে; প্রভাব থাকতে পারে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ◈ ‘বাবা, তারা আমাকে আটকে রেখেছে উদ্ধার করো, না হলে ওরা মেরে ফেলবে’—শেষ ফোনের কয়েক ঘণ্টা পর স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার ◈ বিশ্বের সেরা দুই শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় বাকৃবির ১৬ গবেষক ◈ ১০ অক্টোবরের বিক্ষোভের আগে ভারতজুড়ে কর্মী-সমর্থকদের আটক করা হচ্ছে, ‘আরও মানুষ রাজপথে নামবে’: অভিজিৎ দীপকে ◈ বাংলাদেশে ফ্রি ট্রেড জোন ও রেলভিত্তিক আইসিডিতে ডিপি ওয়ার্ল্ডকে বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ বাংলাদেশে স্টারলিংকের মোবাইল সেবা চালু নিয়ে উচ্ছ্বাস ইলন মাস্কের, ক্ষোভ ঝারলেন ভারতের ওপর ◈ রূপপুরের প্রথম ইউনিটে ফার্স্ট ক্রিটিক্যালিটির অনুমোদন, গ্রিডে বিদ্যুৎ আসতে আরও দুই ধাপ ◈ ফ্রান্সে উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি ভাষা ও পেশাগত দক্ষতা অর্জনের আহ্বান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ◈ জানুয়ারি থেকে ইউপি নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সোমবার

প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২০, ১০:৫৩ দুপুর
আপডেট : ২৭ মে, ২০২০, ১০:৫৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] গত সপ্তাহে মিয়ানমারের রাখাইনে পোড়ানো হয়েছে ২০০ বসতি: হিউম্যান রাইটস ওয়াচ

লিহান লিমা: [২] হিউম্যান রাইটস ওয়াচ বলেছে, সাম্প্রতিক সপ্তাহে পশ্চিম রাখাইনের লেট কার গ্রামে ২০০ বাড়ি ও ভবন ধ্বংস করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। এইচআরডব্লিউ বলেছে, নানা সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠির ওপর এই নৃশংস হামলা চালিয়েছে সেনারা। আল জাজিরা

[৩] সংস্থাটির এশিয়া বিষয়ক নির্বাহী পিল রবার্টসন বলেন, লেট কার গ্রাম পোড়ানো সাম্প্রতিক বছরগুলোতো মিয়ানমারের সেনাকর্তৃক রোহিঙ্গা গ্রাম পোড়ানোরই একটি হলমার্ক। এই গ্রামে কি হয়েছে, যারা গ্রামবাসীদের ক্ষতি করেছে ও যারা এই ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী তাদের বিচার করতে জরুরি ভিত্তিতে একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

[৪] গত মাসে সেনাবাহিনীর বন্দি নির্যাতনের এক ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়লে মিয়ানমার সেনাবাহিনী স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে তারা সংখ্যালঘু রাখাইন বন্দিদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছে।

[৫] লেট কার গ্রামের এক সাবেক বাসিন্দা বলেন, গত ১৭ মে তার নিজের বাড়ি সহ ১৯৪টি ভবন পুড়িয়ে দেয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে একটি স্কুল। রাখাইনের পার্লামেন্ট সদস্য তুন থার সেইন বলেছেন, সেনাবাহিনী এখানে অভিযান চালিয়েছে। আমরা কেন্দ্রীয় সরকাকে গ্রামবাসীদের জন্য ত্রাণ সহায়তা দিতে বলেছি।

[৬] এদিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলেছে, এই অঞ্চলে আরাকান আর্মি হামলা করার পরই সেনাবাহিনী এখানে প্রবেশ করে। তারা দাবী করে আরাকান বিদ্রোহিরা ২০টি বাড়ি পুড়িয়ে দিয়েছে। তবে ১৯ মে এক বিবৃতিতে আরাকান আর্মি এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। আরাকান আর্মির মুখপাত্র কেইনি থুকা গণমাধ্যমকে এই হামলার তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

[৭] মিয়ানমার সেনাবাহিনী আরাকান আর্মিকে ‘সন্ত্রাসী’ দল আখ্যা দিচ্ছে । তবে দুই পক্ষের সংঘর্ষে কোনো বেসামরিক নাগরিক, বস্তু, বাড়ি ও গ্রামের ওপর হামলা যুদ্ধাপরাধ বলে গণ্য হবে।

[৮] জাতিসংঘের উচ্চ আদালত বলেছে, মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালিয়েছে। ২০১৬ সালে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হত্যা, ধর্ষণ, নির্র্যাতন, জ্বালাও- পোড়াওয়ের শিকার হয়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার রোহিঙ্গা। এর আগে বিভিন্ন সময় বাংলাদেশে আশ্রয় নেয় সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গা।

  • সর্বশেষ