প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ১৫ দিনের ব্যবধানে ৪ খুন বাহারছড়ায় !

বাঁশখালী প্রতিনিধি : [২]  চট্টগ্রামের বাঁশখালী বাহারচড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড়ের পুর্ব রত্নপুর গ্রামের বুধা গাজী পাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ঈদের দিনে এক জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৫ মে) বিকালে সংঘটিত নিহত যুবক মাওলানা মোহাম্মদ এরফান (৩৬) রত্নপুর বুধা গাজী পাড়ার মাওলানা নুরুল ইসলামের পুত্র। সে চট্টগ্রাম শহরে পতেঙ্গা এলাকায় মুদির ব্যবসা করেন, নিহত এরফান ১ পুত্র ও ১ কন্যা সন্তানের জনক। রাত সাড়ে নয়টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ৫ জনকে আটক করেছে বলে জানান বাঁশখালী থানার ওসি রেজাউল করিম মজুমদার ।

[৩] ও নিহতের পারিবার সূত্রে জানা যায়, বাহারচড়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড়ের পুর্ব রত্নপুর গ্রামের বুধা গাজী পাড়া এলাকায় দুদু মিয়ার পুত্র মোঃ কালুর সাথে ৬ শতক জমি নিয়ে নিহত মাওলানা এরফানের সাথে দীর্ঘ দিন যাবৎ বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে ঈদের দিনই সোমবার বিকালে এক পক্ষ অপর পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপযার্য়ে সংঘর্ষ গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এ সময় মাওলানা মোঃ এরফান কে গুরুতর আহত হলে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে বাঁশখালী হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার মৃত্য হয় বলে জানা যায়। এছাড়া আশংকাজনক অবস্থায় মৃত আলী আহমদের পুত্র মুন্সি আলম (৫৫) ও মোঃ ইদ্রিস (৬০) কে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চমেক) কে প্রেরন করা হয়েছে। এ ঘটনায় আরো ১০ জন আহত হয়, তারা হলেন, মৃত ফজল আহমদ পুত্র জাফর আহমদ(৫৫) , মোঃ এমরান (২৮), গিয়াস উদ্দীন (২৬), আশেক (২৫), আবু মুসা (৬০), মোঃ ইউনুস (৪৫) সহ বেশ কয়েকজন রয়েছে ।

[৪] এ ব্যাপারে বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ডাঃ হীরক কুমার পাল জানান, রত্নপুরে এলাকায় সংঘর্ষে আহত মাওলানা এরফান কে হাসপাতালে আনার আগেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় আরো ২ জনের অবস্থা আশংকা জনক হওয়ায় তাদের কে চট্টগ্রাম চমেকে হাসপাতালে প্রেরন করা হয়েছে আহতরা হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছে।

[৫] বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ রেজাউল করিম মজুমদার বলেন, পূর্ব শত্রুতার ধরে বাহারছড়ার রতনপুরে একজনের মৃত্যু হয়েঝে প্রায় ১০ জন আহত হয়েছে পুলিশ ঘটনাস্থল রয়েছে। ঘটনার সংশ্লিষ্টদের আটকের অভিযান চলছে ।

উল্লেখ্য এর আগে বাহারছড়া ইউনিয়নে ১৫ দিনের ব্যবধানে ৪ খুনের ঘটনায় জনগন শংকিত হয়ে পড়েছে।এর আগে গত ১২ মে মঙ্গলবার রাতে তারাবি নামায পড়ে বের হলে অর্তকিত গুলি বর্ষনে মাওলানা নেছার আহমদের পুত্র পটিয়া বড় মাদ্রাসার ছাত্র খালেদ বিন ওয়ালিদ (২৫) গভীর রাতে মৃত্যু বরণ করে। একই ঘটনায় পটিয়া বড় মাদ্রাসার অপর ছাত্র আবু সালেক এর পুত্র হাফেজ মোহাম্মদ ইব্রাহিম (২১) কে আশংকাজনক অবস্থায় চমেক হাসপাতালে প্রেরন করা হলে সেখানে বুধবার বিকালে ইব্রাহিমের মৃত্যু হয় । এ ঘটনার রেশ হিসাবে ১৫ মে শুক্রবার গভীর রাতে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে নিহত হয় নুরুল আনছার প্রকাশ কালু সে বাহারছড়া ইলশার মদিনা ব্রীক ফিল্টের মালিক নুরুল আবছারের ভাই এবং দলিলুর রহমানের পুত্র। এসব ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ও শংকিত হয়ে পড়েছে বাহারছড়া ইউনিয়নের ৩০ হাজার মানুষ । এলাকার চেয়ারম্যান অধ্যাপক তাজুল ইসলাম প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের মাধ্যমে সাধারন জনগনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহবান জানান ।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত