প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] জুড়ীতে রাতেবেলা খামারে হামলাকারী সেই উপজেলা চেয়ারম্যানকে অপসারণে তদন্তের জন্য বিভাগীয় কমিশনারকে মন্ত্রণালয়ের চিঠি

স্বপন দেব, মৌলভীবাজার : [২] গত ১৮ মে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের (উপজেলা-২ শাখা) উপসচিব মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি থেকে এ তথ্যটি জানা যায়।

[৩] শনিবার(২৩ মে) সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। উপজেলা চেয়ারম্যানের নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের খবর জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকাগুলোতে প্রকাশিত হয়ে আসছে।

[৪] গত ৪ মে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসকের প্রেরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, গত ১ মে রাত ১০টায় মদ্যপ অবস্থায় জুড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুকের নেতৃত্বে উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের আমতৈল গ্রামে অবস্থিত ‘বন্ধু পোলট্রি ফার্ম’-এ বেআইনিভাবে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট করেন। এসময় বাধা দিলে ফার্মের মালিক দীনবন্দু সেনকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। এই ঘটনায় খামার মালিক দীনবন্দু সেনের খামারের প্রায় ৯ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। এসময় স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শাহজাহান মিয়ার বাড়িতে থাকা প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে প্রাপ্ত ধান কাটার হারভেস্টার মেশিনের যন্ত্রপাতি ভাঙচুর, লুটপাট করা হয়। এতে মেশিনের যন্ত্রপাতিসহ দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

[৫] এদিকে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন উপজেলার মানুষদের নিরাপদ রাখতে মাঠে তৎপর রয়েছেন সেখানে একজন উপজেলা চেয়ারম্যান হয়ে তাদের সহযোগিতা করার কথা থাকলেও তিনি করেননি। সম্পূর্ণ উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত হয়ে তার আস্তাভাজন সাইদুল ইসলামের কথা রাখতে গিয়ে খামারে হামলা ঘটিয়ে বিশাল গণজমায়েত সৃষ্টি করে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের সময় সঙ্কটময় মুহূর্তে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতির ঘটান।

[৬] সেই চিঠির প্রেক্ষিতে গত ১২ মে উপজেলা চেয়ারম্যান মোঈদ ফারুক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে কারণ দর্শানোর জবাব দাখিল করেন। কিন্তু মন্ত্রণালয়ে পাঠানো তার কারণ দর্শানোর জবাব সন্তোষজনক প্রমাণিত না হওয়ায় অপসারণের জন্য তদন্তের চিঠি পাঠানো হয়।

[৭] উপজেলা চেয়ারম্যান মোঈদ ফারুকের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধের কারণে উপজেলা পরিষদ আইন-১৯৯৮-এর ১৩ ধারা অনুযায়ী পদ হতে অপসারণের লক্ষ্যে উপজেলা পরিষদের সদস্য ও মহিলা সদস্যদের (অপসারণ, অনাস্থা ও পদ-শূন্যতা ) বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী তদন্ত প্রতিবেদন প্রেরণের জন্য নির্দেশনা দেয়া হয় সিলেট বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমানকে। সম্পাতনা: জেরিন আহমেদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত