শিরোনাম
◈ ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের জরিপ: ৪৭% মানুষের মতে তারেক রহমানই ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী ◈ জাতিসংঘ শান্তি কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত বাংলাদেশ ◈ সংবিধান সংস্কার পরিষদ কী, সরকারের ক্ষমতা হস্তান্তর নিয়ে বিতর্ক কেন? ◈ হুমকি, হয়রানি ও নিরাপত্তাহীনতায় নির্বাচনী প্রচারণা থেকে বিরতি নিচ্ছেন মেঘনা আলম ◈ রাজধানী থেকে অপহৃত ৩ বছরের শিশুকে ২৪ ঘণ্টায় উদ্ধার, মূল হোতা গ্রেপ্তার ◈ ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন : মির্জা আব্বাস ◈ নির্বাচনে নিষিদ্ধ, হাসিনা পলাতক, আওয়ামী লীগ কি টিকবে?: আল জাজিরার বিশ্লেষণ ◈ আল্লাহ সুযোগ দিলে দেশ ও মানুষের সেবায় নিয়োজিত হতে চাই—তারেক রহমান ◈ ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টির কোচ পেপ গা‌র্দিওলা ফিলিস্তিন ইস্যুতে বিশ্ব নেতাদের ‘কাপুরুষ’ বললেন  ◈ আদানির সঙ্গে বিদ্যুৎ–কয়লার দাম নিয়ে বিরোধ: ব্রিটিশ আইনি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ বাংলাদেশের

প্রকাশিত : ০৮ মে, ২০২০, ০৮:১৩ সকাল
আপডেট : ০৮ মে, ২০২০, ০৮:১৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাংলাদেশ এখন দুষ্টচক্রের হাতে বন্দি

আহসান হাবিব : কৃষক ধানের নায্য মূল্য না পেলে আমরা প্রতিবাদ করি, আবার চালের দাম বাড়লেও প্রতিবাদ করি। সবই যে মধ্যস্বত্বভোগী এবং ব্যবসায়ীদের কারসাজি এদিকে আঙুল তুলি না। উৎপাদক এবং ভোক্তার মাঝখানে যে ছোট অংশ বাজার নিয়ন্ত্রণ করে, মূল হোতা তারাই। বাজার অর্থনীতির এটা এমন একটা কারবার যে একে উৎখাত কিংবা রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ না করলে এটা চলতেই থাকবে, ক্রমাগত বৈষম্য বাড়বে এবং ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান বাড়তেই থাকবে। উৎপাদকের কাছ থেকে যতো হাত ঘুরে ভোক্তার কাছে পণ্য আসবে, ততো মূল্য বাড়তে থাকবে। এই হাতগুলো আর কিছু নয়, বাজার ব্যবস্থার অনুৎপাদনশীল অংশ যারা দুই প্রান্ত থেকে মুনাফা লুটে নেয়। যে ভোক্তা সে আবার কোনো না কোনোভাবে উৎপাদক, তারা যখন তার পণ্য বিক্রি করবে, তখন সঠিক মূল্য পাবে না আবার সেই একই ভোক্তা যখন কোনো পণ্য কিনতে যাবে, তখন তাকে কিনতে হবে চড়া দামে। মাঝখানের এই যে বাড়তি অর্থ এটা যাবে এসব মধ্যস্বত্বভোগী এবং ব্যবসায়ী পুঁজিপতিদের হাতে। ফলে গড় প্রবৃদ্ধি বাড়বে, কিন্তু তার সুফল যাবে অনুৎপাদনশীল দুই ধরনের মানুষের পকেটে। তাদের পকেট যখন খুব ভারি হয়ে উঠবে, তখন তারা টাকা বিদেশে পাচার করবে। আর একদল আছে, তারা ঠিকাদার। বড় বড় কাজের ঠিকা নিয়ে তারা কাজের জন্য যতো ব্যয়, তা না করে কিছু ব্যয় করে সিংহভাগ টাকা মেরে দেয়, এতে অনেকে ভাগ বসায়, প্রধানত রাজনৈতিক দালাল এবং নেতাদের পকেটে এই টাকাগুলো যায়। এই টাকা উন্নয়নের নামে জাতীয় বাজেটের অংশ। দেশীয় উৎস থেকে সংগৃহীত অর্থ গুটিকয়েক লোক মেরে নিজেরা আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়। তারাও টাকা পাচার করে। এছাড়া ব্যাংক থেকে ঋণের টাকা পরিশোধ না করে এবং রাষ্ট্রের অর্থ তছরুপ এবং বিভিন্ন অসৎ উপায়ে টাকা আত্মসাৎ করে কিছু মানুষ অবৈধ টাকার মালিক হয়ে পড়ে। তারাও বিদেশে টাকা পাচার করে। ফলে উন্নয়নের দৃশ্যত যে ছবি আমরা দেখি, তা প্রকৃত ছবি নয়, এসব প্রায় চুইয়ে পড়া অর্থের কিছু চিহ্ন, যদি সব অর্থের সঠিক বিনিয়োগ হতো, তাহলে যে উন্নয়ন হতো, তা দেখে চোখ ধাঁধিয়ে যেতো। এসব অসঙ্গতির প্রতিটি পর্বে থাকে রাজনৈতিক রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ। ফলে জনগণ এর বিরুদ্ধে কিছু করতে পারে না। শোষণ চলতে থাকে। বাংলাদেশ এখন এই দুষ্টচক্রের হাতে বন্দি। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়