প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কীসের আকাল পড়লো যে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত গার্মেন্টসগুলো বন্ধ রাখা গেলো না?

চিররঞ্জন সরকার : চিকিৎসকেরা বলছেন, করোনা পজিটিভের মধ্যে অনেকে আছেন যারা অ্যাসিম্পটোম্যাটিক বা উপসর্গহীন। উপসর্গযুক্ত রোগীর পাশাপাশি উপসর্গহীন রোগীও বাড়ছে। যা ভয়াবহ। উপসর্গহীন রোগীরা হচ্ছেন নিঃশব্দ ঘাতক। সাইলেন্ট কিলার। জানেন না, আপনার পাশের জনই হতে পারেন। দিব্যি হাসছেন, কথা বলছেন, বাজার করছেন, বাসন মাজছেন, ঘর ঝাড়– দিচ্ছেন। চতুর্দিকেই ঘুরে বেড়াচ্ছেন। কেউ টের পাচ্ছেন না যে সবার অজান্তে এই পর্যায়ভুক্তরা অকাতরে নোভেল করোনাভাইরাস ঘরে-বাইরে বিলি করছেন। দোষ আমার-আপনার নয়, তাদেরও নয়। এতোদিন ধরে কোভিড সম্পর্কে পড়ে এবং শুনে আমরা সবাই সবজান্তা হয়ে উঠেছি। সুতরাং কোথাও কারও সামান্যতম উপসর্গ দেখা দিলেও আমাদের চোখ এড়ানো সম্ভব নয়।
কিন্তু উপসর্গহীন রোগীদের ধরবো কীভাবে? সর্দি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, বমি কোনো কিছুই যদি না থাকে তাহলে কীভাবে বুঝবো যে আমার করোনা হয়েছে? এর মধ্যে গণপরিবহন বন্ধ রেখেই ‘সীমিত পরিসরে’ গার্মেন্টস খুলে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের দেশে যথেষ্ট পরিমাণ কিট নেই যে গার্মেন্টসকর্মীদের সের দরে র‌্যান্ডাম টেস্টিং শুরু করা সম্ভব। তাহলে কোন ভরসায় গার্মেন্টসকর্মীদের কাজে পাঠানো হচ্ছে? অভাবের কারণে বা না খেয়ে মরার চেয়ে রোগে ভুগে মরতে? সমস্যা হচ্ছে আক্রান্ত ব্যক্তি তো একাই মরছে না। কয়েকজনের মধ্যে ভাইরাস ছড়িয়ে তবেই মরছে। ‘উন্নয়নের মহাসড়কে দ্রুত ধাবমান’ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশে হঠাৎ কী এমন ঘটলো, কীসের আকাল পড়লো যে, মে মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত গার্মেন্টসগুলো বন্ধ রাখা গেলো না? ফেসবুক থেকে

সর্বাধিক পঠিত