শিরোনাম
◈ বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ায় নতুন কৌশল নিচ্ছে বাংলাদেশের পোশাক শিল্প ◈ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে তেল অবকাঠামো লক্ষ্যবস্তু, বিশ্ব অর্থনীতিতে শঙ্কা ◈ অর্থ সংকট থাকলে সরকার বন্ড দিতে পারে: বিআইপিপিএ ◈ সরবরাহ সংকট কাটেনি, তেল নেই অনেক পাম্পেই ◈ যুদ্ধের ছায়া প্রবাসজীবনে, দেশে উদ্বেগে পরিবার ◈ বেসরকারি ৪ ব্যাংকে পর্যবেক্ষক নিয়োগ ◈ ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ: হাইকোর্টে আরও পাঁচ প্রার্থীর আবেদন গ্রহণ ◈ মিরপুরের পিচের প্রশংসা কর‌লেন পাকিস্তানি কোচ মাইক হেসন  ◈ জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্পট মার্কেট থেকে দুই লাখ টন ডিজেল কিনছে বিপিসি ◈ ইরানের বর্তমান শাসন পতনের পর যুক্তরাষ্ট্র বিপুল অর্থ আয় করতে পারবে: লিন্ডসে গ্রাহাম

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২০, ০৫:১৯ সকাল
আপডেট : ১৫ এপ্রিল, ২০২০, ০৫:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] খাবার দেয়া হচ্ছে না হিন্দু-খ্রিস্টানদের, পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের

বাংলাদেশ প্রতিদিন : [২] মহামারী করোনাভাইরাস সংক্রমণের জেরে বিশ্বের সব দেশেই দেখা দিয়েছে অর্থনৈতিক বিপর্যয়। খাদ্য সংকটে পড়েছেন বিশ্বের অগণিত মানুষ। এই সময় ধর্ম বা জাতিগত বিদ্বেষের নয়। তাই পাকিস্তানে হিন্দু ও খ্রিস্টানদের খাদ্য দিতে না চাওয়ার খবর সামনে আসতেই পাকিস্তানকে সতর্ক করল মার্কিন সরকারি সংস্থা।

[৩] ইসলামাবাদকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে তারা জানিয়েছে, ধর্ম নির্বিশেষে সকলের কাছে খাবার পৌঁছে দিতে হবে।

[৪] যুক্তরাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতা সংস্থার কমিশনার অণুরিমা ভার্গভ সোমবার বলেন, "কোভিড-১৯ দ্রুত সংক্রামিত হচ্ছে। পাকিস্তানে প্রত্যেকে নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখার জন্য অনাহারের সঙ্গে লড়ছে। কারোও ধর্মীয় বিশ্বাসের জন্য এভাবে তাকে খাদ্য সাহায্য থেকে বাদ দেওয়া যায় না। খবর মিলেছে পাকিস্তানে হিন্দু ও খ্রিস্টানদের খাদ্য সাহায্য দিতে অস্বীকার করা হয়েছে। এসব একেবারেই বরদাস্ত করা হবে না।"

[৫] তিনি জানান, হিন্দু, মুসলিম, খ্রিস্টান সকলের মধ্যে যাতে সমানভাবে খাদ্য বিনিময় করা হয়, পাকিস্তানের সরকারের সঙ্গে সে বিষয়ে কথা বলা হয়েছে।অভিযোগ, করাচিতে সায়লানি ওয়েলফেয়ার নামে একটি বেসরকারি সংস্থা হিন্দু ও খ্রিস্টানদের খাবার দিতে অস্বীকার করে। তাদের বক্তব্য, খাবার শুধুমাত্র মুসলিমদের জন্য সংরক্ষিত।

[৬] এভাবে খাবার নিয়ে ধর্ম ভিত্তিক বৈষম্য পাকিস্তানে যেন আর না হয়, সেই বিষয়ে সতর্ক করল আমেরিকা।

[৭] সংস্থার আরেক কমিশনার জন মুরি বলেন, ইমরান খান একজন উন্নয়নশীল দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনাহার এবং করোনা দুইয়ের সঙ্গেই লড়াই চালাচ্ছেন। তিনি লড়াইয়ের রাস্তা দেখাচ্ছেন। তবে খেয়াল রাখতে হবে সংখ্যালঘুরা যেন অবহেলিত না হয়।" সূত্র: জিনিউজ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়