প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] ২৬ মার্চ ময়মনসিংহ সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরে মিরপুরের বাসায় ওঠেন খুনি মাজেদ

বিপ্লব বিশ্বাস : [২] ভারতের বিভিন্ন এলাকায় নিজেকে ‘আবদুল মজিদ’ পরিচয় দিয়ে অবস্থান করেছেন প্রায় ২৫ বছর। কিন্তু শেষমেষ করোনা আতঙ্কে দেশে ফিরে গ্রেপ্তার হন বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত এই খুনি। মৃত্যুদন্ডাদেশ প্রাপ্ত এ খুনির বিরুদ্ধে ইন্টারপোলের রেড নোটিশও জারি রয়েছে।

[৩] সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে দেশে প্রবেশের তথ্যের সূত্র ধরে ঢাকার মিরপুর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট।

[৪] শুধু বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাÐেই অংশগ্রহণ করেননি–, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর তিনি কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় ৪ নেতা হত্যায় অংশ নিয়েছিলেন।

[৫] আইনজিবী হেমায়েত উদ্দিন খান গণমাধ্যমকে জানান, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করার পর এতো দিন আপনি কোথায় ছিলেন, জবাবে খুনি মাজেদ বলেন, ২২/২৩ বছর কলকাতায় অবস্থান করেছি। সেখান থেকে এ বছর মার্চের মাঝামাঝি সময়ে দেশে ফিরে আসি।

[৬] জানা যায়, নব্বই দশকের মাঝামাঝি সময়ে তিনি প্রথমে পালিয়ে ভারতে যান। এরপর সেখান থেকে যান লিবিয়ায়। লিবিয়া থেকে আসেন পাকিস্তানে। সুবিধা করতে না পেরে আবারও ভারতে ফিরে আসেন। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যে ঘুরে সবশেষ কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। কলকাতায় তেমন কিছু না করলেও দেশে থাকা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়মিত যোগযোগও ছিলো তার।

[৭] সিটিটিসির উপ-কমিশনার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অবস্থান নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

[৮] স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল একটি ভিডিও বার্তায় জানিয়েছেন, ৭৫’এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার সময় দÐপ্রাপ্ত আসামি ক্যাপ্টেন আবদুল মাজেদ, নূর ও রিসালদার মোসলেহউদ্দিন, আরও কয়েকজন এ ৩জন ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে আরও কয়েকজন ছিলেন।

[৯] বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ব্যাংকক হয়ে লিবিয়া যান মাজেদ। পরে সেনাশাসক জিয়াউর রহমান তাঁকে সেনেগালের দূতাবাসে নিযুক্ত করেন। ১৯৮০ সালে দেশে ফিরে আসার পর মাজেদকে বিআইডবিøউটিসিতে উপসচিব পদমর্যাদায় নিয়োগ করা হয়। এরপর আরও কিছুদিন তিনি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি পদে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করার পর, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার শুরুর সময়ে তিনি দেশ থেকে পালিয়ে যান।

[১০] সাবেক আইনমন্ত্রী শফিক আহমেদ গণমাধ্যমে বলেছেন, মৃত্যুদÐপ্রাপ্ত মাজেদের ফাঁসি থেকে বাঁচতে এখন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়া ছাড়া আর কোনও পথ নেই। আনন্দবাজার। সম্পাদনা : মাজহারুল ইসলাম

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত