শিরোনাম
◈ ফের রণক্ষেত্র শাহবাগ, পুলিশের লাঠিচার্জে ছত্রভঙ্গ আন্দোলনকারীরা ◈ মালয়েশিয়া ছাড়ছে অবৈধ অভিবাসীরা, শীর্ষে বাংলাদেশিরা ◈ বাংলা‌দেশবী‌হিন বিশ্বকাপের পর্দা উঠ‌ছে শ‌নিবার, জমকা‌লো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যা থাকছে ◈ কর্মস্থলে ডে-কেয়ার ও ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার স্থাপনের প্রতিশ্রুতি বিএনপির ◈ যমুনার সামনে সংঘর্ষের সময় ‘গুলি ছোড়া হয়নি’, দাবি প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের ◈ উন্নত দেশের সঙ্গে প্রথম পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক চুক্তিতে বাংলাদেশ ◈ জুলাই সনদ জাতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: তারেক রহমান ◈ ‘উই হ্যাভ আ প্ল্যান’ যে কারণে বলেছিলেন তারেক রহমান ◈ ত্রয়োদশ নির্বাচনে বিএনপির ইশতেহার ঘোষণা: নয় দফা প্রতিশ্রুতি, পাঁচ ভাগে পরিকল্পনা ◈ ইনকিলাব মঞ্চের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, জাবের-জুমা-আম্মারসহ আহত অনেকে

প্রকাশিত : ০৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৪:৩৩ সকাল
আপডেট : ০৭ এপ্রিল, ২০২০, ০৪:৩৩ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

[১] বাবার জানাজায় যেতে পারলেন না ছেলে

ডেস্ক রিপোর্ট : [২] করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আজ সোমবার সকালে মারা গেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক জালাল সাইফুর রহমান। বাবার মৃত্যুর পর ছেলে সামিন রহমান ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি জানান, সেলফ আইসোলেশনে থাকার কারণে বাবার জানাজা ও দাফনে অংশ নিতে পারেননি সামিন।

দুদক পরিচালক পরিচালকের ছেলের স্ট্যাটাসটি এখানে তুলে ধরা হলো :

আমার বাবা আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে কার্ডিয়াক এরেস্টের কারণে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্না লিল্লাহি...রাজিউন)। উনি গত ৩০ মার্চ করোনাভাইরাসে (কোভিড-১৯) আক্রান্ত হয়ে উত্তরার কুয়েত মৈত্রী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তবে দুঃখের বিষয় এই যে, উনার মৃত্যুর সংবাদ নিয়ে লেখা প্রতিবেদনেও অনেক ভুল-ভ্রান্তি চোখে পড়ে। সে ভুল-ভ্রান্তিগুলো আমি একটু তুলে ধরতে চাই :

১। আমি উনার একমাত্র সন্তান ছিলাম, আমার কোনো ভাইবোন নেই।

২। আমি এবং আমার আম্মু দুজনই পরিপূর্ণ রূপে সুস্থ আছি।

৩। আমরা গত সাত দিন ধরে দুজনই সেলফ আইসোলেশনে আছি, কোন হাসপাতালে না। আমাদের দুজনকে আরও সাত দিন সেলফ আইসোলেশনে থাকতে হবে। (সেলফ আইসোলেশন বলতে ঘরের মধ্যে নিজেকে আলাদা করে রাখা, কার সাথে দেখা সাক্ষাৎ কিংবা মেলামেশা না করা)।

সেলফ আইসোলেশনের কারণে না বাবার জানাজার অংশ হতে পেরেছি, না উনাকে কবর দেওয়ার অংশ হতে পেরেছি। এর চেয়ে কঠিন কিছু আর নেই। উনাকে আজ ৪টার দিকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়। উনি একজন সৎ ও নিষ্ঠাবান মানুষ ছিলেন। উনার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।

আমার বাবা জীবিকার তাগিদে সরকারি আদেশ না আসা পর্যন্ত ২২ মার্চ পর্যন্ত অফিস করেছিলেন। তারপর থেকে তিনি বাসাতেই ছিলেন। কিন্তু তবুও রক্ষা পাননি। তাই এখনো যারা ঘরে থাকার বিধিনিষেধ মানছেন না, তাদের সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই না, বর্তমানে এই মুহূর্তে আমার এবং আমার পরিবারের ওপর দিয়ে যা যাচ্ছে, সেটা আমার শত্রুকেও মোকাবিলা করতে হোক।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়