শিরোনাম
◈ পশ্চিমবঙ্গ নির্বাচনী প্রচারে ‘বাংলাদেশ কার্ড’ যেভাবে ব্যবহার করল বিজেপি! ◈ আইপিএলের দল রাজস্থান রয়্যালসের মালিকানা নিয়ে উঠলো বিতর্ক  ◈ নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ-যুবলীগ সংঘবদ্ধ হচ্ছে, গুজব ছড়িয়ে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে দ্বন্দ্বের চেষ্টা ◈ চীন ও ভারতের ফুটবল প্রেমীরা বিশ্বকাপ দেখ‌তে পা‌বেন না! সম্প্রচার নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা  ◈ টানা ৫ দফা কমার পর দেশের বাজারে আবার বাড়ল স্বর্ণের দাম ◈ টিকিটের জন্য পাঁচ কোটি টাকা চেয়েছিল, তৃণমূল ছাড়ার ঘোষণা সা‌বেক ক্রিকেটার ম‌নোজ তিওয়ারির ◈ পাকিস্তান সিরিজে টি‌কিট ছাড়াই খেলা দেখতে পারবে শিক্ষার্থীরা ◈ সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন তেল নিয়ে জাহাজ পৌঁছাল, সচল হচ্ছে ইস্টার্ন রিফাইনারি ◈ ৬ হাজার কিমি পাল্লার প্রথম আন্তঃমহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন করে বিশ্বকে তাকে লাগিয়ে দিল তুরস্ক ◈ লিমন-বৃষ্টির সম্মানে মরণোত্তর ডক্টরেট ডিগ্রি দিচ্ছে মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়

প্রকাশিত : ২৯ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ২৯ মার্চ, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ডাক্তাররা প্রোটেক্টেড না হলে তারাই হতে পারে সুপার স্প্রেডার, যা ডিজাস্টার ঘটাবে

কামরুল হাসান মামুন : লকডাউন করে বসে থাকা যথেষ্ট নয়, অসুস্থদেরও খুঁজে বের না করলে পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে : বিশ্ব ওয়েব ডেস্ক। ভারতে করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা কম হওয়ার প্রধান কারণ হলো খুবই কম টেস্টিং। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থ্যা বলছে অধিক সংখ্যক টেস্টিংই কেবল এই রোগের সংক্রমণ থেকে রক্ষার প্রধান অস্ত্র। বাংলাদেশে প্রতিদিন করোনাভাইরাস আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে ৩ থেকে ৪ জন করে যা চীন, ইতালি, স্পেন, আমেরিকা, ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া ইত্যাদি সব দেশের গ্রোথ সূত্রকে ভায়োলেট করছে। কতোজনকে টেস্ট করে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে? কতোজনকে টেস্ট করে এই সংখ্যা পাওয়া গেছে এটা জেনে একটু পাটিগণিতের ঐকিক নিয়মের অঙ্ক কষলেই সত্যিকারের আক্রান্তের সংখ্যা আঁচ করা সম্ভব। জার্মানিতে প্রতিদিন ৫০০০ টেস্টিং করা হচ্ছে। চীন-দক্ষিণ কোরিয়াও ঠিক এই কাজটি করেছে। বিটিডব্লিউ, আইইডিসিআর কর্তৃক প্রচারণাকে কেন জানি বিটিভি বিটিভি লাগে।
আমাদের যথেষ্ট টেস্টিং কিট নেই। তাই যতোগুলো আছে সেগুলোকে কৃচ্ছ্রতার সঙ্গে ব্যবহার করতে হয়। আমাদের নার্স এবং ডাক্তাররা যথেষ্ট প্রটেক্টেড নয়। কিন্তু প্রশাসনের কর্মকর্তারা ঠিকই সার্জিক্যাল মাস্ক পাচ্ছে, প্রটেকশন কিট পাচ্ছে। এর চেয়ে অন্যায় কাজ এবং বলদামি কী আর হতে পারে। এই মুহূর্তে বাংলাদেশে যতো সার্জিক্যাল মাস্ক আছে সবগুলো আমাদের নার্স ও ডাক্তারদের ডোনেট করা উচিত। কারণ ডাক্তররা প্রোটেক্টেড না হলে তারাই হতে পারে সুপার স্প্রেডার যা ডিজাস্টার ঘটাবে। তাই আমাদের মঙ্গলের জন্য হলেও এই কাজটি করা উচিত। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়