-->

প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আমরা কি আমাদের সকল প্রবীণকে তাদের নিজেদের জীবনের স্বার্থে, পরিবারের স্বার্থে, দেশের স্বার্থে বুঝিয়ে, ভালোবেসে জোর করে ঘরে রাখতে পারি না?

শাকিল আহমেদ: করোনায় প্রাণ দেওয়া টোলারবাগ দারুল ইহসান জামে মসজিদ পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক কোনো প্রবাসীর স্পর্শে আসেননি। তার ছেলে এক ফেসবুক পোস্টে এটি নিশ্চিত করেছেন। বলছেন, আগের দিন করোনায় প্রাণ হারানো বাক্তির সঙ্গে একই মসজিদে নামাজ পড়তেন, প্রবীণ সেই বন্ধুরও প্রবাসীর সংস্পর্শে আসার রেকর্ড ছিলো না। ফলে ধারণা মসজিদ থেকে তারা করোনা পেয়েছেন এবং নিজেদের মধ্যে ছড়িয়েছেন। প্রবীণ এ দুজন ছাড়াও সবশেষ ভৈরবের ইতালী ফেরত ব্যক্তিও নিয়মিত মসজিদে নামাজ পরতেন, মারা গেলেন দেশে ফেরার ২৪ দিন পর, তারও বয়স ৬০ এর ওপরে। টোলারবাগের প্রবীণকে যে ড্রাইভার এবং ছেলে হাসপাতালে নিয়ে গেছেন তাদের করোনা টেস্ট করা হয়েছে, এবং তাদের ফলাফল নেগেটিভ এসেছে।

অর্থাৎ বিষয়টা এমন আমাদের প্রবীণরা বাড়ি থেকে বের হয়ে হেটে গিয়ে প্রাণ দিচ্ছেন এবং বাকি পুরো এলাকায় তা হয়তো ছড়িয়ে দিয়েছেন। আমার মায়ের বছর কয়েক ধরে কাশি, করোনার শুরু থেকেই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে তাকে ঘরে রেখেছি, বাচ্চারাও বহু আগে থেকেই ঘরবন্দী, আমরা বাধ্য হয়ে যারা বাইরে থেকে ঘরে ফিরছি, তার সঙ্গে সকল ধরনের স্পর্শ বন্ধ রেখেছি।
এখন যেহেতু মসজিদ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত এখনো আসেনি, যেহেতু ইমানদার মানুষেরা চোখে এখনো জীবানু দেখতে পাচ্ছেন না তবে মসজিদে আগুন লাগলে হয়তো দেখতে পেতেন, ফলে আমরা কি আমাদের সকল প্রবীণদের তাদের নিজেদের জীবনের স্বার্থে পরিবারের স্বার্থে দেশের স্বার্থে বুঝিয়ে ভালবেসে জোর করে ঘরে রাখতে পারি? ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত