প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

[১] মেজর জেনারেল মাহবুবুর রহমান বলেছেন, কোভিড-১৯ চিকিৎসায় উৎপাদন হয়েছে ৪টি ওষুধ, প্রক্রিয়াধীন ৯টি, আমদানি করা হচ্ছে ২টির কাচাঁমাল

শিমুল মাহমুদ: [২] উৎপাদিত ওষুধের মধ্যে, ক্লোরোকুইন (Chloroquine), হাইড্রোক্লোরোকুইন (hydroxychloroquine), ওসেলতামিভির (oseltamivir), এজিত্রমাইসিন (Azithromycin)। এছাড়া ফাভিপিরাভির (Favipiravir) এবং রেমডেসিভির (Remdesivir) উৎপাদনের জন্য কাচাঁমাল আমদানি করা হচ্ছে। সময় লাগতে পারে সপ্তাহখানেক।

[৩] মাহবুবুর রহমান বলেন, করোনা চিকিৎসায় যে মেডিসিন গুলো দরকার তার একটা গাইডলাইন আমাদের দিয়েছে বাংলাদেশ সোসাইটি অব মেডিসিন। ঔষধ গুলোর মধ্যে রয়েছে, হাইড্রক্সিক্লোরোকুইন (Hydroxycloroquin.400/200mg), ডারুনাভির (Darunnavir 80mg/ Covicistat 150mg). এটাজানাভির (Atazanavir 400mg), ওসেলতামিভির (Oseltamivir 150mg), ফাভিপিরাভির (Favipiravir 1600/ 600mg), রেমডেসিভির (Remdesivir), লপিনাভির (Lopinavir/Ritonavir200/50mg), রিবাভেইন (Ribavain IV 4gm), টসিলাইজুমব (Toclizumab)। উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান গুলো হলো, বেক্সিমকো,ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস, ডেল্টা ফার্মা, এ সি আই, জেসন ফার্মাসিউটিক্যালস, রেডিয়েন্ট ফার্মাসিউটিক্যালস, রোচে।

[৪] ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক জানান, যেহেতু সরকারীভাবে চিকিৎসা গুলো হচ্ছে সেহেতু ওষধ তৈরির পর সরকারীভাবে সরবরাহ করা হবে। ক্লিনিক বা পাইভেট হাসপাতালে দেওয়া হবে তবে ফার্মেসি গুলোতে নয়। কারণ, এর অপব্যবহার বা মুজুদ করতে পারে।

[৫] টেস্টিং কিটের বিষয়ে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত আরটিফিসিয়াল কিট এগুলো যদি কেউ আমদানি করতে চায় সেটা অনুমোদন আমরা দেবো। তবে সেটি সরকারের প্রয়োজনে দিতে হবে। তবে সরকার যদি অবস্থান পরিবর্তন সেটা ভিন্ন বিষয়। এছাড়া র‌্যাপিট টেস্টিং কিট আমরা অনুমোদন দিচ্ছি না। সরকার এর পক্ষে এখন না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত