প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ, অস্বস্তিতে কংগ্রেস নেতা ও অভিনেতা শত্রুঘ্ন

রাশিদ রিয়াজ : পাকিস্তানে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত মিয়াঁ এহসানের ছেলে, পাক ব্যবসায়ী মিয়াঁ আসাদ এহসানের আমন্ত্রণে লাহোরে আসাদ-পুত্র আহমেদের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ-মন্ত্রী শত্রুঘ্ন। শনিবার গভর্নর হাউসে পাক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি।

পাক সফরে গিয়ে বিতর্কে জড়ালেন শত্রুঘ্ন সিনহা। ব্যক্তিগত সফরে গিয়ে লাহোরে পাক প্রেসিডেন্ট আরিফ আলভির সঙ্গে দেখা করেছেন এই কংগ্রেস নেতা। শুধু দেখা করাই নয়, সীমান্ত বরাবর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে শান্তি ফিরিয়ে আনার বিষয়েও দু’জনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। অন্য কেউ নয়, টুইট করে এই খবর সামনে এনেছেন পাক প্রেসিডেন্ট নিজেই।

পাকিস্তানে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত মিয়াঁ এহসানের ছেলে, পাক ব্যবসায়ী মিয়াঁ আসাদ এহসানের আমন্ত্রণে লাহোরে আসাদ-পুত্র আহমেদের বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ-মন্ত্রী শত্রুঘ্ন। শনিবার গভর্নর হাউসে পাক প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। আলোচনা শেষে প্রেসিডেন্টের দপ্তর থেকে এক বিবৃতি জারি করে বলা হয়, কাশ্মীর প্রসঙ্গের পাশাপাশি উপমহাদেশে শান্তি ফিরিয়ে আনতে দু’দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা নিয়েও আলোচনা হয়েছে ওই সাক্ষাতে। ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার এবং কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর উদ্বেগকে শত্রুঘ্ন সমর্থন করেছেন বলেও একটি টুইটে জানান পাক প্রেসিডেন্ট।

পাক প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্য শত্রুঘ্ন তো বটেই, কংগ্রেসকেও যথেষ্ট অস্বস্তিতে ফেলল বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। কারণ, ইমরান খানের শপথে গিয়ে পাক সেনাপ্রধানকে আলিঙ্গন করায় প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কংগ্রেস নেতা নভজ্যোত সিং সিধু। তাঁর এই সাক্ষাৎ নিয়ে যাতে নতুন করে বিতর্ক মাথাচাড়া না-দেয়, তাই কৌশলী শত্রুঘ্ন আগেভাগেই টুইট করে রেখেছেন, ‘এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত সফর। এর সঙ্গে কোনও রাজনীতির কোনও যোগ নেই। আমরা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছি। আমার বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী, সমর্থক ও সংবাদমাধ্যমের বোঝা উচিত যে, যতক্ষণ না কারও যোগ্যতা এবং সরকারি অনুমতি রয়েছে, ততক্ষণ বিদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে দেশের নীতি নিয়ে কথা বলার এক্তিয়ার কারও নেই।’ পরে আরও একটি টুইটে খানিকটা ব্যাখ্যার ঢংয়েই তিনি যোগ করেছেন, ‘পাক ব্যবসায়ীর আমন্ত্রণেই এখানে এসেছি। ওই ব্যবসায়ী আমার বন্ধু এবং পরিবারের মতো। আমার পরিবারের তরফে ব্যবসায়ীর ছেলের বিয়েতে হাজির ছিলাম।’

ওই বিয়েবাড়িতে তাঁর ছবি-ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়াতে রীতিমতো ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, পাক অভিনেত্রী রিমা খানের পাশে বসেই ছবি তুলছেন শত্রুঘ্ন। রিমাই নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে এই ছবিগুলি শেয়ার করেছেন। অনুষ্ঠানে অতিথিদের সঙ্গে জমিয়ে গল্পগুজব করতেও দেখা গিয়েছে শত্রুঘ্নকে। আর সেই ছবি দেখে অনেকেই কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না অভিনেতাকে।

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত