শিরোনাম
◈ রায়ো ভায়েকানোর বিপক্ষে রিয়াল মা‌দ্রিদের কষ্টের জয় ◈ অবশেষে শৃঙ্খলায় ফিরছে ১০২২ লাইটার জাহাজ, বিডব্লিউটিসিসির বিশেষ সফটওয়্যার চালু ◈ অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে চালু হচ্ছে না থার্ড টার্মিনাল, সিদ্ধান্ত নেবে পরবর্তী সরকার ◈ ইউরোপে কে আসবে সিদ্ধান্ত নেবে ইউরোপই: অনিয়মিত অভিবাসন নিয়ন্ত্রণে কঠোর ইইউ ◈ নারী প্রশ্ন, ভোটার মাইগ্রেশন ও পাল্টাপাল্টি অভিযোগে নির্বাচনি রাজনীতিতে উত্তাপ ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে শ্রমিক কর্মবিরতির পর কড়া ব্যবস্থা, সরাসরি বুকিং ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ, বিএনপিপন্থী চার নেতা বদলি ◈ বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে উপমার লাশ, হিসাব মিলছে না কারও ◈ অস্ট্রেলিয়াকে হোয়াইটওয়াশ করলো পাকিস্তান ◈ তুরস্ক ভিসা এখন ঢাকায়: কোথায়, কখন, কত ফি—সব তথ্য এক নজরে ◈ জুলাই সনদে গণভোট: ‘হ্যাঁ’ জিতলে সংস্কার, ‘না’ জিতলে কী হবে?

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০১:৪৩ রাত
আপডেট : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০১:৪৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দেশত্যাগের সময় শাহজালালে ধরা পড়লো জাল টাকা সরবরাহকারীর ৪ সদস্য

ইসমাঈল হুসাইন ইমু: শনিবার সকালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে র‌্যাব-১ এর হাতে ধরা পড়া চক্রের সদস্যরা হলেন, শামিমা নূর পাপিয়া ওরফে পিউ (২৮), মফিজুর রহমান ওরফে সুমন চৌধুরী ওরফে মতি সুমন (৩৮), সাব্বির খন্দকার (২৯) ও শেখ তায়্যিবা (২২)।

এসময় তাদের কাছ থেকে ৭টি পাসপোর্ট, নগদ ২ লাখ ১২ হাজার ২৭০ টাকা, বাংলাদেশী জাল নোট ২৫ হাজার ৬শ’ ভারতীয় রুপি ৩১০, শ্রীলংকান মুদ্রা ৪২০, ইউএস ডলার ১১,০৯১ এবং ০৭ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, অবৈধভাবে অর্থ পাচার ও জাল টাকা প্রস্তুতকারী এই গ্রুপের প্রধান শামিমা নূর পাপিয়া ওরফে পিউ এবং স্বামী মফিজুর রহমান ওরফে মতি সুমন তার সহযোগী। এছাড়াও সাব্বির খন্দকার ও শেখ তায়্যিবা তার ব্যক্তিগত সহকারী। তারা দীর্ঘ দিন ধরে নরসিংদী ও রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধ অস্ত্র, মাদক ও নারী সংক্রান্ত অনৈতিক ব্যবসার সাথে জড়িত। এছাড়াও নরসিংদী জেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থানীয় সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে চাঁদাবাজির করে আসছে।

শামিমা নূর পাপিয়া জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, তেজগাঁও এফডিসি গেট সংলগ্ন এলাকায় অংশীদারিত্বে তার একটি ‘কার একচেঞ্জ’ নামক গাড়ির শো রুম আছে এবং নরসিংদী জেলায় তার ‘কেএমসি কার ওয়াস এন্ড অটো সলিউশন’ নামক একটি গাড়ি সার্ভিসিং সেন্টার আছে তার। ব্যবসার আড়ালে তিনি অবৈধ অস্ত্র, মাদক ব্যবসা, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত। সমাজ সেবার নামে নরসিংদী এলাকায় অসহায় নারীদের আর্থিক দূর্বলতার সুযোগ নিয়ে সহযোগীতার নামে তাদের অনৈতিক কাজে লিপ্ত করে।

বছরের অধিকাংশ সময় পাপিয়া নরসিংদী ও রাজধানীর বিভিন্ন বিলাসবহুল হোটেলে অবস্থান করেন এবং সেখান থেকে তার ও তার স্বামীর ব্যবসায়ীক অংশীদারদের অনৈতিক কাজে নারী সবরবরাহ করেন। নরসিংদী এলাকায় চাঁদাবাজির জন্য তার একটি ক্যাডার বাহিনী আছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়