প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় মিডিয়াকে সতর্কভাবে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান মনিরুল ইসলামের

মহসীন কবির: শনিবার সকালে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম  জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘উগ্রবাদ রোধে গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে এ আহ্বান জানান।। সময় টিভি

মনিরুল ইসলাম জানান, উগ্রবাদীরা যেন নায়ক হিসেবে উপস্থাপিত না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্সে সন্ত্রাসবাদের ঝুঁকি থেকে ছয় ধাপ কমে বাংলাদেশ ৩১ নম্বরে এসেছে।

গ্লোবাল টেররিজম ইনডেক্স (জিটিআই) হলো প্রতি বছর ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিস (আইইপি) দ্বারা প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন। সূচিটি ২০০০ সাল থেকে সন্ত্রাসবাদের মূল বৈশ্বিক প্রবণতা এবং নিদর্শনগুলোর একটি বিস্তৃত সংক্ষিপ্তসার সরবরাহ করে।

গত বছরের নভেম্বরে সিডনিভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট ফর ইকোনমিকস অ্যান্ড পিসের (আইইপি) বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯ প্রকাশিত হয়। ২৩টি গুণগত ও পরিমাণগত নির্দেশকের ভিত্তিতে বিশ্বের ১৬৩টি দেশের পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি করেছে বৈশ্বিক সন্ত্রাসবাদ সূচক-২০১৯। এসব দেশের জনসংখ্যা বিশ্বের মোট জনসংখ্যার ৯৯ দশমিক ৭ শতাংশ বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

এ প্রতিবেদনে বাংলাদেশের অবস্থান ছয় ধাপ নেমে হয় ৩১তম। স্কোর ৫.২০৮। অর্থাৎ এ দেশে সন্ত্রাসবাদের প্রভাব মাঝারি মাত্রার। ২০১৮ সালের সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ২৫তম। এর আগের বছর বাংলাদেশ ছিল ২১তম। অর্থাৎ সন্ত্রাসবাদ দমনে ধারাবাহিকভাবে উন্নতি করছে বাংলাদেশ। সব মিলিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এবার বাংলাদেশের অগ্রগতি সবচেয়ে বেশি।

দক্ষিণ এশিয়ার সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিবেদনে বলা হয়, এই অঞ্চলের মালদ্বীপ বাদে বাকি সাত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে নেপাল (বৈশ্বিক তালিকায় ৩৪তম), শ্রীলঙ্কা (৫৫তম) ও ভুটান (১৩৭তম)। এই অঞ্চলে আফগানিস্তান বাদে বাকি ছয় দেশ ২০১৮ সালে সন্ত্রাসবাদ পরিস্থিতিতে উন্নতি করেছে। এই ছয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি অগ্রগতি হয়েছে বাংলাদেশের।

সর্বাধিক পঠিত