শিরোনাম
◈ বাংলাদেশকে স্বনির্ভর ও শিল্পোন্নত করতে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা: মির্জা ফখরুল ◈ ব্যাংক ঋণের ওপর নির্ভরতা কমানোর কৌশল: অর্থনীতির জন্য কতটা ইতিবাচক? ◈ ক্রিকেটার নাঈমের শারী‌রিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করতে চট্টগ্রামে গে‌লেন বিসিবির ফিজিওরা ◈ ব্রাজিলের এক‌টি গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মরক্কোর বিপক্ষে জয় চান না ◈ ইংল্যান্ড দ‌লের বল ও বুটসহ অ‌নেক অনুশীলন সরঞ্জাম চুরি ◈ সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী ◈ বিপ্লবের পর বাস্তবতার মুখে বাংলাদেশ, নেপাল ও শ্রীলঙ্কা ◈ জুলাইয়ে সমাহিত হবেন খামেনি, ঘোষণা ইরানের ◈ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা বন্ধে ইরানের সঙ্গে গোপন সমঝোতা আমিরাতের? ১০-২০ বিলিয়ন ডলার ছাড়ের তথ্য প্রকাশ করল রয়টার্স ◈ ‘দেশের মালিক ২০ কোটি মানুষ, কোনো দল বা পরিবার নয়, জনগণের সমর্থন নিয়েই দেশের ভাগ্য বদলাবে বিএনপি’

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:০০ সকাল
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

উন্নত বিশ্বে বিয়ের হার কমে যাচ্ছে?

 

কাজী আহমদ পারভেজ :  আমেরিকাসহ পৃথিবীর অনেকখানেই নাকি ডিভোর্স রেট কমছে। কিন্তু এটা কোনো সুখবর নয়। কারণ ডিভোর্স রেটেই শুধু নয়, এর পাশাপাশি উন্নত বিশ্বে বিবাহের হারও কমে যাচ্ছে। একবার এক স্ট্যান্ডআপ কমেডিয়ানকে বলতে শুনেছিলাম ‘ডিভোর্সের মূল কারণ হলো : বিবাহ। তাই বিয়ে করাটা না কমাতে পারলে ডিভোর্স কমবে না’। দেখা যাচ্ছে কৌতুকটা বাস্তব চিত্রের সঙ্গে মিলে যাচ্ছে। বিবাহ কেন কমছে? কমছে কারণ এখনকার বৈবাহিক সম্পর্কগুলো আগের যেকোনো সময় থেকে অনেক বেশি জটিল ও এক্সপেকটেশনে ভরপুর হয়ে গেছে। একটা সময় বিবাহ ছিলো প্রোডাকশন ইকোনমি। কারণ বিবাহের মাধ্যমে সংসার হতো, সংসারে সন্তান আসতো। যতো বেশি সন্তান, ততো বেশি কর্মীর হাত। ততো বেশি সমৃদ্ধি। বিবাহের অবিচ্ছেদ্য অংশ সেক্সের সেখানে রোল ছিলো মূলত প্রক্রিয়েশনের। পরবর্তীতে চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের গড় আয়ু বাড়তে থাকায় বৈবাহিক জীবনের দৈর্ঘ্য বাড়ে।

প্রক্রিয়েশনের পাশাপাশি বিবাহ ও সেক্সকে মানুষ বিনোদন হিসেবে নিতে থাকে। গত শতাব্দীর মাঝামাঝি যখন কন্ট্রাসেপটিভ মাস স্কেলে অ্যাভেলেবল হওয়া শুরু করে, বিবাহ ও সেক্সের প্রধান রোল বদলে যেতে শুরু হয়। এই বদলানো প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই একটা সময় (৮০ দশকের পর) মানুষ আবিষ্কার করে, বিবাহিত হয়ে হোক বা বিবাহ ছাড়াই হোক, সেক্সের আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ পারপাস হলো এটা পার্টনারের সঙ্গে একটি বন্ধন তৈরি করে। আর মানুষ যেহেতু পেয়ার-বন্ড প্রাণী, তাদের জন্য বন্ধনটাই জরুরি সেটা বিয়ে করে হোক বা না করে। এখন যেটা হয়েছে, যেসব সমাজে বিবাহ ছাড়া জুড়ি বাঁধাটা ট্যাবু নয়, তারা বিবাহ নামক প্রতিষ্ঠান ছাড়াই তা বাঁধছেন। এতোদিন আমেরিকা ছিলো বিবাহবান্ধব। ইউরোপ বিবাহ সম্পর্কে ইনডিফারেন্ট। ইউরোপের হাওয়া আমেরিকার মিলিওনিয়ার জেনারেশনের গায়ে লাগছে। তারা হুট করে বিয়ে করে ফেলছে না। অনেক বুঝেশুনে হিসাব-নিকাশ করে করছে। তবে যেটা করছে, ভাঙার নয়, থাকার জন্যই। পুনশ্চ : তাদের গল্প আমাদের জেনে কী লাভ? আমাদের সমাজ বা সামাজিক বিধি নিষেধ তো তাদের থেকে ভিন্ন। ঘটনা হলো এই পরিবর্তনগুলো ঘটছে সামাজিক পরিস্থিতি ইন্ডিপেন্ডেন্টভাবে ও মানবিক আচার-আচরণ নির্ভর করে। তাই আজ ওইসব জায়গায় যা যা ঘটছে, কিছুদিন পর তা আমাদের এখানেও ঘটবে। এটুকুই জানানোর ছিলো। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়