শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের বৈঠক, গুরুত্ব পেল রোহিঙ্গা ও জলবায়ু ইস্যু ◈ প্রতিরোধকে গুরুত্ব দিয়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুনর্বিন্যাস করছে বাংলাদেশ: ডা. জুবাইদা ◈ বন্ধের পথে ৪ এনবিএফআই, আমানতকারীদের সর্বোচ্চ ৫০ লাখ টাকা ফেরতের সিদ্ধান্ত ◈ টেকসই এলডিসি উত্তরণের প্রস্তুতিতে আরও সময় চায় বাংলাদেশ ◈ বাংলাদেশের সঙ্গে বোয়িং চুক্তি, মার্কিন অর্থনীতিতে বড় সাফল্য বললেন ট্রাম্প ◈ জাতিসংঘে তারেক–শাহবাজ বৈঠক: সম্পর্ক জোরদারে জোর ◈ দেশে আরও ৪ ডিজিটাল ব্যাংকের অনুমোদন, বাড়ছে অ্যাপনির্ভর ব্যাংকিং সেবা ◈ কারা এই হুতি বিদ্রোহীরা, কী তাদের লক্ষ্য? ◈ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি মোকাবিলায় বৈশ্বিক নিঃসরণ কমানোর আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য জোটে যুক্ত হওয়ার পথে বাংলাদেশ, গঠিত হচ্ছে বিশেষ ওয়ার্কিং গ্রুপ

প্রকাশিত : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল
আপডেট : ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৭:৩৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যত উন্নয়ন ততই অর্থ পাচার হচ্ছে, আমরা তো এমন উন্নয়ন চাইনি

 

মাহফুজুর রহমান : দেশের উন্নয়ন হওয়া উচিত আর তা হচ্ছেই, কিন্তু তা অসৎ মানুষদের হাত দিয়ে ফলে যা হওয়ার তাই হচ্ছে। যতো উন্নয়ন হচ্ছে ততোই অর্থ পাচার হচ্ছে। আমরা তো এমন উন্নয়ন চাইনি। যে উন্নয়নের ভেতরে মাকড়সার জাল? উন্নয়ন প্লাস কর্মসংস্থান একইসঙ্গে হওয়া উচিত ছিলো, কিন্তু তা হচ্ছে না যা হচ্ছে তা উন্নয়ন প্লাস দুর্নীতি। অবশ্য ম্যাক্সিমাম চায়না আর্থিক সহযোগিতায় আর কিছু নিজস্ব কালেকশনে। তবে সব যদি বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতায় হতো তাহলে হয়তো দুর্নীতি কম হতো, কারণ তারা প্রজেক্ট দেখভাল করে যা চায়নারা করে না। যা হোক চায়না বাজার হারাচ্ছে এটা ঠিক, তবে সেই বাজার বাংলাদেশে হয়তো আসবে না, যাবে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়াতে, ফিলিপাইনে আফ্রিকান রাষ্ট্রে । বাংলাদেশে কাজ আসবে না, কারণ এখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা আছে, যা বায়াররা পছন্দ করে না। বায়ারদের চরিত্র আবার বাঁদরের মতো। গণতন্ত্র চাইবে, কিন্তু আওয়াজ চাইবে না, তাই কি হয়? কারণ আওয়াজ/কেওয়াজ হলে যে তাদের লগ্নী হাওয়া হবে? তাই তাদের দেশের যারা রাজনীতিবিদ তারা আমাদের দেশে গণতন্ত্র চায়, আবার যারা লগ্নীকারক তারা চায় শান্তিপূর্ণ ব্যবসা, গণতন্ত্র থাকুক আর না থাকুক।

ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া থেকে গণতন্ত্র হাওয়া, যার কারণে তারা স্বৈরাচারী সম্রাটের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই করলো সেটাই আজ সেখানে নেই, বাংলাদেশেও নেই। আমেরিকাও এখন এমনই চায়। আব্রাহাম লিংকন জর্জ ওয়াশিংটনের আমলের গণতন্ত্র এখন আমেরিকাতেও নেই বা তারা তা চায়ও না। আমেরিকার সাধারণ মানুষের হাত থেকে গণতন্ত্র আবার চলে গেছে করপোরেট হাউজের লোকদের হাতে। বাংলাদেশেও তাই, এখানেও গণতন্ত্র এখন করপোরেট হাউজের লোকদের হাতে। তাই তো আমেরিকার শাসকেরাও এখন এই মডেল পছন্দ করে, কারণ কতো সুন্দরভাবে ব্যবসা করা যায়। মানুষের আর্থিক অবস্থার উন্নয়ন হয়, কিন্তু গণতন্ত্র নেই। ফেসবুক থেকে

  • সর্বশেষ