প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নিজের হাতে গড়া শরিফুল-তানজিমরা জাতীয় দলে খেলবে, প্রত্যাশা এইচপি দলের কোচ চাম্পাকা রামানায়েকে

নিজস্ব প্রতিবেদক : সদ্য বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে আগ্রাসী বোলিং করে সবার নজর কেড়েছেন শরিফুল ইসলাম ও তানজিম হাসান। পুরা আসরে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন তারা। যার স্পর্শে তাদের এমন দাপট, তিনি হাই পারফরম্যান্স ইউনিটের বোলিং কোচ চাম্পাকা রামানায়েকে। লঙ্কান এই কোচ অনূর্ধ্ব-১৯ দলে দেখছেন এমন সম্ভাবনাময় অনেক পেসার।

উইকেট তেমন না পেলেও পাওয়ার প্লেতে প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের ডানা মেলতে দেননি বাঁহাতি শরিফুল। পুরনো বলে ছিলেন সমান কার্যকর। এমনিতে নতুন বলে বেশি কার্যকর ছিলেন তানজিম। বিশ্বকাপের আগে মূল স্ট্রাইক বোলার ছিলেন তিনিই। বিশ্বকাপে পান নতুন ভূমিকা। মাঝের ওভারগুলোতে রানের গতিতে বাঁধ দেওয়ার কাজটা করেন দারুণভাবে। তার বোলিং ইয়ান বিশপকে মনে করিয়ে দিয়েছে রুবেলের কথা।

শ্রীলঙ্কান কোচ রামানায়েকে জানান, ‘তারা (পেসাররা) যা করেছে, ফলাফল তাদের হয়ে কথা বলছে। আমি অনেক খুশি। তাদের সঙ্গে যতোদিন কাজ করেছি মনে হয়েছে তারা দিনকে দিন উন্নতি করছে। অবশেষে তরুণ বয়সে আপনি যেটা সর্বোচ্চ অর্জন করতে পারবেন, ওরা সেটা করেছে। তারা যেভাবে বোলিং করেছে, মনোভাব ছিলো অসাধারণ। আগ্রাসী মনোভাব, প্রতিপক্ষের দিকে ধেয়ে যাওয়া, আমার এই আক্রমণাত্মক মনোভাব পছন্দ হয়েছে।’

‘আমি এদের সঙ্গে দুই থেকে আড়াই বছর ধরে কাজ করছি। যখন তারা ১৭-১৮ বছর বয়সী, তখন থেকে তাদের দেখছি। আমি শুধু তাদের স্কিল নিয়ে নয়, মানসিক দিক, ফিটনেস, সব কিছু নিয়েই কাজ করেছি।’

‘শরিফুল আমার সঙ্গে ‘এ’ দলেও ছিলো। সে ‘এ’ দলের হয়ে খেলেছে, অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে খেলার আগে। শুধু সাকিব নয়, আমাদের দলে শাহীন আলম ছিলো, এমন আরো অনেকে ছিলো যারা খেলেনি তবে সমানভাবেই প্রতিভাবান। তবে আপনি ভবিষ্যতের জন্য কিছু ফাস্ট বোলার পেতে যাচ্ছেন।’

‘এই দলের পেসাররা অনেক সম্ভাবনাময়, প্রতিভাবান। আমি আশা করছি, এরা ভবিষ্যতে জাতীয় দলের হয়ে খেলবে।’

এএনএস/এস

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত