শিরোনাম
◈ ১৬ ডিসেম্বর থার্ড টার্মিনাল চালুর লক্ষ্য, জাপানি কনসোর্টিয়ামের ৪ শর্তে আটকে চুক্তি! ◈ এসবিআই ব্যাংকের ৩ লাখ ৮০ হাজার নথি চুরির দাবি হ্যাকারদের, গ্রাহকদের তথ্য ফাঁসের শঙ্কা ◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য দিল্লি সফর নভেম্বরে, মোদির সঙ্গে বৈঠকে গুরুত্ব পাবে যেসব ইস্যু: ইন্ডিয়া এম্পায়ারের নিবন্ধ ◈ কারওয়ান বাজারে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্রেপ্তার, আদাবরে আরও অপকর্মের অভিযোগ ◈ পদ্মা সেতু হয়ে মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর পরিকল্পনা, কলকাতা যেতে সময় লাগতে পারে মাত্র ৬ ঘণ্টা ◈ হোসাইনের ঘূর্ণিতে ঘায়েল ও‌য়েস্ট ইন্ডিজ, ড্র হ‌লো প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ ◈ কক্সবাজারে আবারও হোটেলে আগুন, নিরাপদে বেরিয়ে এলেন ৩ শতাধিক পর্যটক ◈ বাংলাদেশের কারাগারে বন্দি ১৫ দেশের ৪০৭ নাগরিক, সবচেয়ে বেশি ভারতীয় ◈ এশিয়ান চ্যাম্পিয়নস ট্রফি খেল‌তে ভারতে গে‌লো বাংলা‌দেশ হকি দল ◈ ভারত থেকে আসা ১৩৫ টন চালে মিলল বিষাক্ত ও ক্ষতিকর উপাদান

প্রকাশিত : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৯:৪০ সকাল
আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০, ০৯:৪০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধর্মের রাজনীতি বিজেপিকে উত্থান দেখিয়েছিলো মানবতার রাজনীতি কেড়ে নেওয়া শুরু করেছে

রবিউল আলম : ভারতের রাজনীতিতে ধর্মের চাইতে মানবতার রাজনীতি এগিয়ে। মানুষ মানুষের জন্য ভূপেন হাজারিকার গানের মাধ্যমে ভারত বিশ্বকে জয় করে নিয়েছে। বাঙালি, বাংলাদেশকে জয় করে নিয়েছে বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামে সহায়তা করে। আমি ভারতকে বন্ধু মনে করলেও বিজেপিকে পছন্দ করি না। ব্যক্তি মোদী আমাকে জয় করে নিয়েছে। জাতির পিতা, বাংলাদেশ ও শেখ হাসিনা সম্পর্কে উচুঁ ধারণা পোষণ করে। মোদী বিজেপিকে মানবতার বাণী বোঝাতে পারেনি, বোঝানোর চেষ্টা ও করেনি। করবেন কিনা জানি না, হয়তো ধর্মের রাজনীতির উত্থান দেখার কারণে। রাজনীতি মানবতা ছাড়া স্থায়ী হয় না, প্রতিহিংসার রাজনীতি কখনো মানুষকে জয় করতে পারে না। দেশের শান্তি সমৃদ্ধি আনতে পারে না। দিল্লির, ঝারখ-ের নির্বাচন থেকে বিজেপির জন্য একটা বার্তা দিয়েছে জনগণ। বার্তাটি গ্রহণ করতে পারলে ভারত ও বিজেপির জন্য মঙ্গল। না হয় ভারত ও বিজেপিকে কোথায় নিয়ে যাবে, আমি ভাবতেও পারছি না।
ধর্মের রাজনীতির উত্থান দেখেছেন, মানবতার রাজনীতি সব কিছু কেড়ে নেওয়া শুরু করেছে। আসাম, ত্রিপুরা, কাশ্মীর, কলকাতা, বিহারসহ রাজ্যগুলো একের পর এক হারাতে হবে। ক্ষমতা হারালে এনআরসি ও সিএএ দিয়ে কী করবেন। ভারতের বিজেপির ধর্মের নামে রাজনৈতিক ব্যর্থতার সুযোগ কিন্তু কংগ্রেস নিতে পারলো না, আঞ্চলিক দলগুলো এগিয়ে চলছে। মোদী, শেখ হাসিনার মতো একজন বিচক্ষণ নেতৃত্ব থেকে কিছু নিতে পারলেন না, দেখেও কিছু শিখলেন না, মানবতা কাকে বলে, কি করে জনগণের মন জয় করতে হয়, কী করে বিশ্বকে জয় করতে হয়। ছোট্ট একটা দেশের প্রধানমন্ত্রী, জাতির কাছে গ্রহণযোগ্য, ধর্মের কোনো বারাবাড়ি নাই। ১০ লাখ রোহিঙ্গা দিয়েও দাবাতে পারে নাই। জনসংখ্যাই বাংলাদেশের আশীর্বাদ। মোদী অভিশাপ মনে করে এনআরসি করেছে। সিএএ নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল এনে নিজেকে, ভারতকে একটি বন্দী দশায় এনে দাড় করিয়েছেন। শিবসেনার মতো বন্ধু দলকেও হারাতে হয়েছে। একলা চলো নীতি আর আমি যা বুঝি সবই ঠিক হতে পারে না। যে ভাবেই বলার চেষ্টা করুণ নাগরিকত্ব আইনে একজন মুসলমানও ভারত থেকে বিতারিত হবে না। আমি বিশ্বাস করি ভারতের আইন বিতারিত করতে পারবেও না। কিন্তু মানুষের মনে যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে, দূর করবেন কী করে। বিরোধী দল যে রাজনৈতিক সহায়নুভূতি আদায় করে নিয়েছে, প্রতিরোধ করবেন কীভাবে। মন্দির আর গো-রক্ষা কমিটি দিয়ে কি রাজনৈতিক পতনকে উত্থানের রূপ দেওয়া যাবে? দাঁত থাকতে মর্যাদা রক্ষা করুণ। লেখক : মহাসচিব বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি

  • সর্বশেষ