শিরোনাম
◈ পদত্যাগ করলেও মন্ত্রিপাড়ার সরকারি বাসা ছাড়েনি আসিফ ও মাহফুজ ◈ ডিম হামলা, হাতাহাতি, ভাঙচুর; ভোটের মাঠে কথার লড়াই কি সংঘাতে গড়াচ্ছে? ◈ স্ত্রী-সন্তানের লাশের বিনিময়ে আমাকে জামিন দেওয়া হলো: সাদ্দাম (ভিডিও) ◈ চাঁদে আঘাত হানতে পারে বিশাল গ্রহাণু, হতে পারে ভয়াবহ উল্কাবৃষ্টি ◈ তারেক রহমানের পাশে বসা ভাইরাল ভিডিও নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদল সভাপতি ◈ বিএনপি সরকার গঠন করলে আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার আশা করি: জি-২৪ ঘণ্টাকে শেখ হাসিনা ◈ রমজানে মক্কা–মদিনায় তারাবিহ হবে ১০ রাকাত, সিদ্ধান্ত সৌদি কর্তৃপক্ষের ◈ বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষে আহত জামায়াত নেতা রেজাউল করিমের মৃত্যু ◈ তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: রাজনীতি, বিতর্ক ও ‘নতুন বাংলাদেশ’-এর প্রত্যাশা ◈ ভারতীয় অপতথ্যের ফাঁদে বাংলাদেশ, উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ভুয়া খবর

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:৫১ সকাল
আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০২০, ০৮:৫১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ধর্ষণ মামলার সাক্ষ্য দিতে গিয়ে পুলিশের উপস্থিতিতে মারধরের শিকার হওয়ার অভিযোগ

মাজহারুল ইসলাম : পাবনা সদরের নূরপুর পাঁচপুকুরের বাসিন্দা আবদুল আলীম (৩৬) এমন অভিযোগ করেছেন। গত শুক্রবার গাছপাড়া মোড়ে হামলার এই ঘটনা ঘটে। আলীমের অভিযোগ ওই সময় ঘটনাস্থলে পুলিশ থাকলেও তাঁকে কেউ রক্ষা করেনি।

গুরুতর আহত আলীমকে প্রথমে পাবনা জেনারেল হাসপাতাল এবং পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর একটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধারণকৃত ওই মারধরের ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এ নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়। পরে ৮জনকে অভিযুক্ত করে আলীমের স্ত্রী রুমা খাতুন বাদী হয়ে পাবনা সদর থানায় একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, তার স্বামী আবদুল আলীম ঠিকাদারি ব্যবসা করেন। সদর উপজেলার মালিগাছা ইউপি চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামের ভাই আরিফুল ইসলামের নেতৃত্বে স্থানীয় কতিপয় সন্ত্রাসী তাঁর স্বামীর কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেয়ায় ওই সন্ত্রাসীরা কয়েকবার হুমকিও দেয়। এর জের ধরেই তার স্বামীর ওপর এই হামলা চালানো হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ডিসেম্বর মাসে ওই এলাকার এক কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়। গত ২২ ডিসেম্বর মেয়েটির বাবা বাদী হয়ে মালিগাছা ইউপির চেয়ারম্যান শরিফুল ইসলামসহ ৮জনকে আসামি মামলা করেন। মামলাটির তদন্ত করছিলেন সদর থানার ওসি (তদন্ত) খাইরুল ইসলাম। তিনি এই মামলায় সাক্ষ্য নেয়ার জন্য আলীমসহ ৪জনকে স্থানীয় একটি চায়ের দোকানে ডেকেছিলেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ কর্মকর্তা খাইরুল একজন সহকারীকে নিয়ে ওই চায়ের দোকানে যান। সেখানে তিনি ধর্ষণ মামলায় ৪জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন। এরপর ওই পুলিশ কর্মকর্তা সহকারীকে নিয়ে চায়ের দোকান থেকে বের হওয়ার সময় একদল যুবক লোহার রড, হাতুড়ি ও চাপাতি দিয়ে আলীমকে আঘাত করেন। এ সময় মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আলীম ফেলে তারা পালিয়ে যায়।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়